নগ্ন বক্ষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ইউজিন ডেলাক্রয়িক্স অঙ্কিত ওডালিস্ক (১৮৫৭)।

ধড় বিবস্ত্রা বা ধড় নিরাভরণ (ইংরেজি: Toplessness) ওই অবস্থাকে বলা হয় যখন একজন নারী তার উর্ধাংশে কিছু না পরে বিবস্ত্র থাকার ফলে তার স্তন দৃষ্টিগোচর যায়।

প্রচলন[সম্পাদনা]

খৃস্টান মিশনারিদের আমেরিকায় আগমনের পূর্বে আমেরিকা, আফ্রিকাইউরোপে বহুল পরিমাণে প্রচলিত ছিলো।[১] তাছাড়া এশিয়ার বিভিন্ন অংশেও তা প্রচলিত ছিলো যা মুসলিম আক্রমণের ফলে বন্ধ হয়।[২]

হিন্দু সংস্কৃতিতে[সম্পাদনা]

ভারতীয় সংস্কৃতিতেও স্তন নগ্ন রাখার প্রচলন গাঙ্গেয় অববাহিকা থেকে দাক্ষিণাত্য পর্যন্ত নারিরাও স্তন নগ্ন রাখতো। এবং এখানেও মুসলিম আক্রমণেরর ফলে তা বন্ধ হয়।[৩][৪] অবশ্য মুসলমানদের ভারতে আগমনের পরেও কেরলকর্ণাটকএ এর প্রচলন ছিল[৫][৬]

অন্যান্য সাংস্কৃতিতে[সম্পাদনা]

আধুনিকতা ও মুসলিম সাংস্কৃতির প্রভাবের পূর্বে থাই নারীগনও তাদের স্তন সার্বজনিকভাবে উলঙ্গ রাখতো।[৭] লাওসএ ও ১৮৫০ পর্যন্ত মহিলারা স্তন আবৃত করতনা।[৮] ইন্দোনেশীয়ার বোর্নিয়ো, জাভাদ্বীপ, বালী ইত্যাদি অঞ্চলের নারীরাও সেখানে ইসলামএর আগমনেরর পূর্বে স্তন উলঙ্গ রাখতো কিন্তু যাদের স্তন ঝুলে যেতো বা খুব বড় স্তন থাকলে তারা তা ঢেকে রাখতো। [৬]

মধ্যপ্রাচ্যর দেশ আরব উপদ্বীপ, মিসর, মেসোপটেমীয় তেও সপ্তম শতাব্দীতে নগ্নতা চরমে ছিলো। যা হজরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর পর ও ইসলামীকরনের পর তা সম্পূর্ণ নিসিদ্ধ কর হয়। কিন্তু টিউনিশিয়ামিসরের সামুদ্র সৈকতে এখনও বিদেশি পর্যটকদের জন্যে তা বৈধ করা আছে।[৯]

বৈধতা[সম্পাদনা]

বর্তমানে অধিকাংশ দেশে সার্বজনিক স্থানে স্তন উলঙ্গীকরণ নিষিদ্ধ। তবে কিছু স্থানে তা বৈধ।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nida, Eugene A. (১৯৫৪)। "Customs and Cultures, Anthropology for Christian Missions"। New York: Harper & Brothers। 
  2. Fernando, Romesh (১৫ নভেম্বর ১৯৯২)। "The Garb of Innocence: A Time of Toplessness"। সংগৃহীত ১৪ জানুয়ারি ২০১০ 
  3. Hyecho. Wang ocheonchukguk jeon of AD 727
  4. A. L. Bhasham. "The Wonder That Was India"
  5. W. Crooke. "Nudity in India in Custom and Ritual", Journal of the Royal Anthropological Institute. 1919. p.239f
  6. Hans Peter Duerr. "Der Mythos vom Zivilisationsprozeß 4. Der erotische Leib"
  7. "Traditional Dress in Chiang Mai" 
  8. M.H.Mouhot, "Travels in the Central parts of Indo-China, Cambodia and Laos" (1864)
  9. Rovere, Elizabeth। "Culture and Tradition in the Arab Countries: American Returns Touched by the Land and the People"। The Habiba Chaouch Foundation। সংগৃহীত ২০১৩-০৭-২৮