দীঘা–শৌলা মেরিন ড্রাইভ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দীঘা–শৌলা মেরিন ড্রাইভ
পথের তথ্য
দৈর্ঘ্য:২৯ কিমি[১] (১৮ মাইল)
প্রধান সংযোগস্থল
দক্ষিণ প্রান্ত:দীঘা
 তাজপুর, মন্দারমণি
উত্তর প্রান্ত:শৌলা

দীঘা–শৌলা মেরিন ড্রাইভ ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক, যা বঙ্গোপসাগর এর পাশ দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘা সৈকত থেকে শৌলা পর্যন্ত বিস্তৃত।[২] এটি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ও দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক।

পটভূমি[সম্পাদনা]

এই সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ২০১৪ সালে। ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২৯ কিমি দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প গ্রহণ করে। তবে ২০১৯ সালের ২০ মে আম্ফানে সদ্য নির্মিত সড়কের কিছু অংশ ভেঙে যায়। এর পরে আগস্ট মাসে দুই দুই বার সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।[৩] নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু হয়।[১] তবে সেতু নির্মাণের জটিলতার কারণের ২০২০ সাল পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।

সড়কের বিবরণ[সম্পাদনা]

দিঘা থেকে ৫ কিমি দূরে নয়াকালী পর্যন্ত সড়কটি উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়। নয়াকালীর কাছে চম্পা নদীর উপরে সড়কের প্রথম সেতুটি অবস্থিত। সেতু দ্বারা সড়কটি চম্পা নদী অতিক্রম করে। এর পরে সড়কটি ডানদিকে বাঁক নিয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয় সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত। সমুদ্র উপকূলের কাছে সড়কটি বাম দিকে বাঁক নিয়ে সমুদ্র উপকূলের সমান্তরালে অগ্রসর হয়। এর পরে সড়কটি তাজপুরের মধ্যদিয়ে অগ্রসর হয়ে একটি ছোট নদীর দক্ষিণ তীরে পৌঁছায়। চম্পা নদী থেকে জলধার কাছে দ্বিতীয় সেতু পর্যন্ত সড়কের অংশটি ১০ কিমি দীর্ঘ। জলধার কাছে দ্বিতীয় সেতু হয়ে সড়কটি মন্দারমণিতে প্রবেশ করে। দ্বিতীয় সেতু থেকে ৯ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করে সড়কটি পিছাবনি নদীর তীরে উপস্থিত হয়। পিছাবনি নদীর উপরে এই সড়কের তৃতীয় সেতুটি অবস্থিত। সেতু দ্বারা পিছাবনি নদী অতিক্রম করে সড়কটি শৌলাতে পৌঁছায়।[১]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

প্রথমে প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদকে। পরে রাজ্যের পূর্ত দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "কবে হবে মুখ্যমন্ত্রীর সাধের সৈকত সরণি"। www.anandabazar.com। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১৮ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ 
  2. "কাঁথি থেকে দীঘা পর্যন্ত ৩০ কিঃমিঃ মেরিন হাইওয়ে"। deshoeishomoy.in। ২৩ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "মেরিন ড্রাইভে নাজেহাল"। www.anandabazar.com। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১০ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ 
  4. "দিঘা-তাজপুর মেরিন ড্রাইভ, সেতুই বাধা"। www.anandabazar.com। আনন্দবাজার পত্রিকা। ৮ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]