দিশানায়াকা মুদিয়ানসেনাগে জয়রত্নে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
সম্মানীয়
ডি. এম. জয়রত্নে
এমপি
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত অফিস
২১ এপ্রিল, ২০১০
রাষ্ট্রপতি মহিন্দ রাজাপক্ষ
পূর্বসূরী রত্নাসিরি বিক্রমানায়েকে
কৃষিমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২০০০ – ২০০১
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২০০৪ – ২০০৭
ভূমিমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২০০৭ – ২০১০
বুদ্ধাসাসনা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী
অধিকৃত অফিস
২০১০
ক্যান্ডি জেলা শ্রীলঙ্কা সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৮৯ – ২০০১
কাজের মেয়াদ
২০০৪ – ২০১০
জাতীয় তালিকার শ্রীলঙ্কা সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০১ – ২০০৪
অধিকৃত অফিস
২০১০
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৩১-০৬-০৪) ৪ জুন ১৯৩১ (বয়স ৮৭)
জাতীয়তা শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কান
রাজনৈতিক দল শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি
অন্যান্য রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপল’স ফ্রিডম অ্যালায়েন্স
বাসস্থান বিসুমপায়া, ২৫ স্টেপল স্ট্রিট কলম্বো ০৫
ধর্ম বৌদ্ধ

দিশানায়াকা মুদিয়ানসেনাগে জয়রত্নে (সিংহলি: දිසානායක මුදියන්සේලාගේ ජයරත්න; তামিল: திசாநாயக்க முதியன்சேலாகே ஜயரத்ன; জন্ম: ৪ জুন, ১৯৩১[১]) শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। মূলতঃ তিনি ডি. এম. "ডি মু" জয়রত্নে নামেই অধিক পরিচিত ব্যক্তিত্ব।[২] তিনি শ্রীলঙ্কার বিংশতিতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতাসীন।[৩] শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জয়রত্নে ১৯৭০ সালে সর্বপ্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অতঃপর ২১ এপ্রিল, ২০১০ তারিখে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।[৪]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

৪ জুন, ১৯৩১ তারিখে জন্মগ্রহণকারী ডি. এম. জয়রত্নে ক্যান্ডি শহরের ঠিক বাইরে গাম্পোলা এলাকার ডলুয়া মহাবিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৯৫১ সালে এস. ডব্লিউ. আর. ডি. বন্দরনায়েকে কর্তৃক ক্যান্ডিতে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি প্রতিষ্ঠা করার পর তিনি ডলুয়া মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৬২ সালের মেয়াদকালে ডলুয়ায় পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[৫]

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৭০ সালের শ্রীলঙ্কার সংসদ নির্বাচনে জয়রত্নে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (এসএলএফপি)’র প্রার্থী হিসেবে গাম্পোলা সংসদীয় এলাকা থেকে১৪,৪৬৩ ভোট পান। এ নির্বাচনে তিনি ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)’র প্রার্থী ডব্লিউ.পি.বি. দিশানায়েকেকে পরাভূত করেন।[৬] এরপর ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে দিশানায়েকেকে পুণরায় হারান। ঐ নির্বাচনে এসএলএফপি’র মাত্র ৮জন সদস্য সংসদে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।[৭] ১৯৮৯ সালের নতুন অগ্রাধিকারমূলক ভোটিং পদ্ধতিতে ক্যান্ডি জেলা থেকে তিনি পুণরায় নির্বাচিত হন। ৫৪,২৯০ ভোট পেয়ে তিনি এসএলএফপি প্রার্থীদের তালিকায় শীর্ষস্থানে ছিলেন।[৫]

১৯৯৪ সালে পিপল’স অ্যালায়েন্সের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরফলে তিনি প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপতি চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা’র মন্ত্রীপরিষদে ভূমি, কৃষি ও বনায়ণ মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।[৫]

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী[সম্পাদনা]

ইউনাইটেড পিপল’স ফ্রিডম অ্যালায়েন্সের প্রার্থী হিসেবে ২০১০ সালের সংসদীয় নির্বাচনে বিজয়ী হন জয়রত্নে। এসএলএফপি’র সর্বাপেক্ষা বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য জয়রত্নে ২১ এপ্রিল, ২০১০ তারিখে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কার সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সর্বাপেক্ষা আনুষ্ঠানিক পদ। এছাড়াও, তিনি বুদ্ধশাসনা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Parliament profile
  2. :.News Line: Di Mu is new Prime Minister
  3. "D.M. JAYARATNE"Directory of MembersParliament of Sri Lanka 
  4. D.M Jayaratne sworn in as PM, Daily Mirror, 2010-04-21
  5. "Sri Lanka's new Prime Minister is D. M Jayaratne"। News.lk। ৭ জুন ১৯৩১। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৪-২১ 
  6. "Results Of Parliamentary General Election −1970" (PDF)। Department of Elections। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৪-২১ 
  7. "Results Of Parliamentary General Election −1977" (PDF)। Department of Elections। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৪-২১ 
  8. VIDEO: Cabinet Ministers

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
রত্নাসিরি বিক্রমানায়েকে
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী
২০১০-২০১৫
উত্তরসূরী
রনীল বিক্রমাসিংহে