দ্বারভাঙা
| দ্বারভাঙা दरभंगा দ্বারবঙ্গ | |
|---|---|
| শহর | |
উপর থেকে - দরভাঙ্গা দুর্গ, ললিত নারায়ণ মিথিলা বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দবাগ বোটানিক্যাল গার্ডেন, শ্যামা মল, দারভাঙ্গা বিমানবন্দর, দরভাঙ্গা জংশন রেলওয়ে স্টেশন | |
| ভারতীয় রাজ্য বিহারে দারভাঙ্গার অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক: ২৬°১০′ উত্তর ৮৫°৫৪′ পূর্ব / ২৬.১৭° উত্তর ৮৫.৯° পূর্ব | |
| দেশ | |
| রাজ্য | বিহার |
| জেলা | দ্বারভাঙা |
| উচ্চতা | ৫২ মিটার (১৭১ ফুট) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ৩৯,২১,৯৭১ |
| • জনঘনত্ব | ১,৭২১/বর্গকিমি (৪,৪৬০/বর্গমাইল) |
| ভাষা | |
| • দাপ্তরিক ভাষা | হিন্দি, উর্দু, মৈথিলী |
| • অন্যান্য | ইংরেজি, বাংলা, মাড়ওয়ারী, সিন্ধি, পাঞ্জাবি, নেপালি |
| সময় অঞ্চল | ভাপ্রস (ইউটিসি+৫:৩০) |
| ডাকক্রমাঙ্ক | 8460xx |
| টেলিফোন কোড | ০৬২৭২ |
| যানবাহন নিবন্ধন | বিআর ০৭ |
| লিঙ্গানুপাত | ৯১০:১০০০ ♂/♀ |
| লোকসভা নির্বাচনী ক্ষেত্র | দারভাঙ্গা |
| বিধানসভা নির্বাচনী ক্ষেত্র | দারভাঙ্গা, দারভাঙ্গা গ্রামীণ |
| ওয়েবসাইট | darbhanga |
দ্বারভাঙা (হিন্দি: दरभंगा, প্রতিবর্ণীকৃত: দারভাঙ্গা) ভারতের বিহার রাজ্যের দ্বারভাঙা জেলার একটি শহর ও পৌর কর্পোরেশনাধীন এলাকা।
নামকরণ
[সম্পাদনা]অনুমান করা হয় যে 'দারভাঙ্গা' নামটি সংস্কৃত শব্দ দ্বার ও বঙ্গ শব্দ দুটির মিলিত রূপ। কিন্তু কেউকেউ মনে করেন যে দারভাঙ্গা নামটি ফার্সি শব্দ দার-এ-বাঙ্গাল (বাংলার দ্বার) শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে ও পরে স্থানীয় ভাষায় উচ্চারণের ফলে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে। যুক্তুগুলি দেখলে দুটোই সমান গ্রহণ যোগ্য মনে হয়।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এই শহরটি দ্বারভাঙ্গা রাজের রাজধানী ছিল , যা ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত। ১৮৬৪ সালে এটি একটি পৌরসভা হিসেবে গঠিত হয়। ১৮৮০ সালে আনন্দবাগ প্রাসাদ(লক্ষ্মীবিলাস প্রাসাদ) এখানে নির্মিত হয় যা ১৯৩৪ সালে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। রাজা কামেশ্বর সিং প্রাসাদটি বিহার সরকারকে দান করলে সেখানে ১৯৬১ সালে কামেশ্বর সিং দ্বারভাঙ্গা সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ললিত নারায়ণ মিথিলা বিশ্ববিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠিত ১৯৭২) অবস্থিত। দ্বারভাঙ্গায় একটি জাদুঘর রয়েছে যেখানে প্রত্নতাত্ত্বিক উপকরণ, ঐতিহাসিক ও হস্তশিল্পের প্রদর্শনী রয়েছে।
ব্রিটিশ রাজত্বের অধীনে , দারভাঙ্গা ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত সরকার তিরহুতের অংশ ছিল, যখন এটি একটি পৃথক জেলায় পরিণত হয়। এর আগেও এর মহকুমা গঠিত হয়েছিল - ১৮৪৫ সালে দারভাঙ্গা সদর, ১৮৬৬ সালে মধুবনী এবং ১৮৬৭ সালে সমস্তিপুর (তখন তাজপুর নামে পরিচিত)। দারভাঙ্গা শহরটি একজন দারভাঙ্গি খান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়, যার সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানা যায়নি।
ভৌগোলিক উপাত্ত
[সম্পাদনা]শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২৬°১০′ উত্তর ৮৫°৫৪′ পূর্ব / ২৬.১৭° উত্তর ৮৫.৯° পূর্ব।[১] সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ৩৯ মিটার (১২৭ ফুট)।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে দারভাঙ্গা শহরের জনসংখ্যা হল ২৬৬,৮৩৪ জন।[২] এর মধ্যে পুরুষ ৫৩% এবং নারী ৪৭%।
এখানে সাক্ষরতার হার ৬৪%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭২% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৫৬%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে দারভাঙ্গা এর সাক্ষরতার হার বেশি।
এই শহরের জনসংখ্যার ১৫% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।
যোগাযোগ
[সম্পাদনা]রেল
[সম্পাদনা]দ্বারভাঙা জংশন একটি NSG-২ ক্যাটেগরি রেলওয়ে স্টেশন। দক্ষিণে সমস্তিপুর , উত্তর-পশ্চিমে সীতামারহী ও উত্তর-পূর্বে জয়নগর অব্দি সংযুক্ত। পাটনার সাথে নমো ভারত র্যাপিড রেল পরিষেবা রয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Darbhanga"। Falling Rain Genomics, Inc (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০০৭।
- ↑ "ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি" (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ জুন ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)