তাজমহল বাংলাদেশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাংলাদেশের তাজমহল

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৪′৪৬″ উত্তর ৯০°৩৪′০৩″ পূর্ব / ২৩.৭৪৬১১° উত্তর ৯০.৫৬৭৫০° পূর্ব / 23.74611; 90.56750 তাজমহল বাংলাদেশ হল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ১০ মাইল পূর্বে পেরাব, সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত প্রকৃত তাজমহল (ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি মুঘল নিদর্শন) এর একটি হুবহু নকল বা অবিকল প্রতিরুপ। তাজমহল বাংলাদেশের মালিক আহসানুল্লাহ মনি একজন ধনবান চলচ্চিত্র নির্মাতা, তিনি ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে তার 'তাজমহলের কপিক্যাট সংস্করণ' প্রকল্পের ঘোষণা করে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা এবং এটি রাজধানী ঢাকা ২০ মাইল উত্তর পূর্বে সোনারগাঁওয়ের পেরাবে নির্মিত হয়। এটি নির্মাণের কারণ হিসেবে তিনি জানান “এই তাজমহলের রেপ্লিকাটি তৈরী করা হয়েছে যেন তার দেশের দরিদ্র মানুষ যাদের ভারত গিয়ে প্রকৃত নিদর্শন দেখার সামর্থ্য নেই তারা যেন তাজমহল দেখার স্বপ্ন পূরন করতে পারেন নিজের দেশে থেকেই”।[১]

তাজমহলের এই অবিকল প্রতিরুপ সৃষ্টির ঘটনায় ভারত ক্ষুব্ধ হয় বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস থেকে জানানো হয় আহসানুল্লাহ মনিকে প্রকৃত তাজমহলের (৩০০ বছরের ও বেশি পুরোনো) মেধাস্বত্ব লংঘন করার দায়ে অভিযুক্ত করা হবে।[২]

২০০৩ সালে সালে এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়, তবে মনি বলেন যে তিনি ১৯৮০ সালে ভারতের আগ্রায় সত্যিকারের তাজ পরিদর্শন করার সময় তার মাথায় এই ধারণাটি এসেছিলেন। তিনি বলেন যে বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে , তাঁদের আসল জিনিসটি দেখার জন্য ভারতে ভ্রমণের সামর্থ্য নেই। "সবাই তাজমহল দেখার স্বপ্ন দেখে তবে খুব কম সংখ্যক বাংলাদেশী ভ্রমণ করতে পারে কারণ তাদের পক্ষে এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল"। মনি ১৯৮০ সালে তাজ মহল দেখেন ও পরে আরো ৬ বার দেখেন। তিনি এর উপর এতটাই মোহিত হয়েছিলেন যে তিনি একদল স্থপতি নিয়োগ করেন এবং তাজ মহলের আকার মাপের জন্য তাদের ভারতে প্রেরণ করেন। তিনি বলেন: “আমি মূল তাজের মত একই মার্বেল এবং পাথর ব্যবহার করেছি। আমরা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেছি, এজন্য সময় কম লেগেছে। তা না হলে এটি সম্পন্ন করতে ২০ বছর এবং ২২,০০০ শ্রমিক লাগত ”।

অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

স্থাপনাটি বিবিসি[৩], স্কাই[৪], রয়টার্স[৫], ভয়েস অফ আমেরিকা[৬], হিন্দুস্তান টাইমস[৭], দি টাইমস[৮], গার্ডিয়ান[৯] সহ বিভিন্ন খবরের চ্যানেল, পত্রিকা ও ওয়েবপাতায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও ব্লগে স্থাপনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও বিতর্ক হয়।[১০]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Bangladesh to have its own Taj Mahal"। ২০ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  2. India Angry Over Fake Taj Mahal Sky News, 12:49pm UK, Friday December 12, 2008
  3. BBC NEWS | South Asia | Bangladesh to open own Taj Mahal
  4. India Angry Over Fake Taj Mahal
  5. New Taj Mahal opens in Bangladesh | Video | Reuters.com
  6. "Bangladesh Gets a Preview of Faux Taj Mahal"। ২০১১-০৪-২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০২-১৯ 
  7. India fumes at duplicate Bangladeshi Taj Mahal - Hindustan Times
  8. http://entertainment.timesonline.co.uk/tol/arts_and_entertainment/visual_arts/architecture_and_design/article5327562.ece
  9. Bangladeshi director to build mini-Taj Mahal | World news | The Guardian
  10. Replica Taj Mahal Near Dhaka Welcomes Visitors - Bangladesh Blog | By Bangladesh Channel

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]