ড. ভূপেন হাজারিকা আঞ্চলিক সরকারি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ড. ভূপেন হাজারিকা আঞ্চলিক সরকারি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান
স্থানীয় নামজ্যোতি চিত্রবন
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৬১; ৬১ বছর আগে (1961)
প্রধান ব্যক্তিভূপেন হাজারিকা
বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা
দপ্তরের অবস্থানকাহিলীপাড়া, গুয়াহাটি
অসম, পিন: ৭৮১০১৯[১]
দেশ ভারত

ড. ভূপেন হাজারিকা আঞ্চলিক সরকারি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান (অসমীয়া: ড॰ ভূপেন হাজৰিকা আঞ্চলিক চৰকাৰী চলচ্চিত্ৰ আৰু দূৰদৰ্শন প্ৰতিষ্ঠান) হচ্ছে অসমের গুয়াহাটিতে অবস্থিত একটি চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র চলচ্চিত্র ও দুরদর্শন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।[২] গুয়াহাটির কাহিলীপাড়ায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটির নাম প্রথমে অসমীয়া চলচ্চিত্র নির্মাতা জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালার স্মৃতিতে নামকরণ করা হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে জ্যোতি চিত্রবন ফিল্ম ষ্টুডিও নামে এটি স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১১ সালে ভূপেন হাজারিকার মৃত্যুর পর তার সম্মানে ২০১৬ সালে এটি নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম রাখা হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথম অসমীয়া চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালা। জয়মতী চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তিনি ভোলাগুরি চা-বাগানে চিত্রবন নামক একটি অস্থায়ী ষ্টুডিও স্থাপন করেছিলেন।[৩] ১৯৫১ সালে জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালার মৃত্যুর পর অসমের বিখ্যাত গায়ক ভূপেন হাজারিকা জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালার স্মৃতিতে অসমে একটি ষ্টুডিও স্থাপন করার জন্য দাবী করেন। কলাগুরু বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা এই দাবীতে সমর্থন প্রকাশ করেন[৪]। ১৯৬১ সালে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চলিহা জ্যোতি চিত্রবন স্থাপনের জন্য গুয়াহাটির কাহিলীপাড়ায় ৭৩ বিঘা জমি দান করেন[৫]। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারী তারিখে তিনিই জ্যোতিচিত্রবন উদ্বোধন করেন।

১৯৯৯ সালে জ্যোতি চিত্রবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্যোতি চিত্রবন চলচ্চিত্র ও দুরদর্শন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে চলচ্চিত্র ও দুরদর্শনের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষা প্রদানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

জ্যোতি চিত্রবন (চলচ্চিত্র স্টুডিও) সোসাইটি, ২০১১ সাল পর্যন্ত এই স্টুডিও পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের অডিও-ভিজুয়াল সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য নিয়োজিত ছিল। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্টুডিও থেকে বিভক্ত হয়ে যায় এবং আঞ্চলিক সরকারি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান নামে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এরপর ২০১৬ সালে আসাম সরকার এটির নাম পরিবর্তন করে ডঃ ভূপেন হাজারিকা আঞ্চলিক সরকারি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নামকরণ করে।

পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে নিম্নোক্ত চারটি কোর্স রয়েছে:

  • অডিওগ্রাফি এবং শব্দ প্রকৌশল ডিপ্লোমা
  • মোশন পিকচার ফটোগ্রাফি ডিপ্লোমা
  • মোশন ছবি সম্পাদনায় ডিপ্লোমা
  • ফলিত অভিনয়ে শংসাপত্র

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Jyoti Chitraban Film & Television Institute: Address and Contact Details"। Cinemagine Media Limited। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৩ 
  2. "Jyoti Chitraban Film and Television Institute"। minglebox.com। এপ্রিল ১২, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৩ 
  3. Tamuli, Babul (2002) The making of Joymoti ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৭ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে, The Assam Tribune. আহরণ করা তারিখ: ৫ এপ্রিল, ২০১২
  4. ভূপেন হাজরিকা, মই বিধান সভার সদস্য কিয় হৈছিলোঁ?, শিল্পীর পৃথিৱীর ভূপেন হাজরিকা (সম্পাদনা: হেমচন্দ্র বরা), তৃত্বীয় প্রকাশ, নৱেম্বর, ২০১১ পৃষ্ঠা: ১৪
  5. 60 lakh for Jyoti Chitraban - Secretary transferred, The Telegraph, September 5, 2008[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]