টাকি মাছ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এই নিবন্ধটি এক প্রজাতির মাছ সম্পর্কিত; একই বানানের অন্যান্য নিবন্ধের জন্য, টাকি (দ্ব্যর্থতা নিরসন) দেখুন।
Snakehead
Northern snakehead.jpg
Northern snakehead, Channa argus
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: প্রাণী জগৎ
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: Actinopterygii
বর্গ: Perciformes
উপবর্গ: Channoidei
পরিবার: Channidae
Genera

টাকি বা লাটি মাছ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় মাছ। এটি স্বাদু পানির মাছ, দেখতে শোল মাছের ক্ষুদ্র সংস্করণ। এর মাথা অনেকটা সাপ এর মতো। দেহ লম্বাটে এবং আঁশযুক্ত। দেহের উপর কিছু ছিট ছিট ফোটা আছে। এদের মুখ কিছুটা বড় এবং ধারালো দাঁত রয়েছে। এশিয়া ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এদের পাওয়া যায়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গবেষকরা কল্পনা করেন যে, ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ হিমালয় অঞ্চলে (বর্তমান ভারতের উত্তরাঞ্চল ও পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল) অন্তত ৫ কোটি বৎসর পূর্বে আগে টাকি মাছের উৎপত্তি হয়।

শ্রেনীবিন্যাস[সম্পাদনা]

বৈজ্ঞানিক নাম Channa punctata । মাছটিকে ইংরেজিতে Spotted snakehead বলে। এটি Channidae পরিবার (family) এর অন্তর্গত। এটি বাংলাদেশের স্থানীয় (Native) মাছ।

গঠন[সম্পাদনা]

দেহ লম্বা এবং গোলাকার। সাধারন দৈর্ঘ্য ১৩ সেমি। এবং সর্বাধিক দৈর্ঘ্য ৩২.৫ সেমি। মাথা তুলনা মূলাকভাবে বড়।

বাসস্থান[সম্পাদনা]

এটি মিঠা পানির মাছ। সাধারণত নদী, খাল, বিল, পুকুর, এমনকি ডোবা নালা তেও পাওয়া যায়। তবে পুকুর এ ও সহজেই চাষ করা যায়।

চাষ পদ্ধতি[সম্পাদনা]

তেমন একটা চাষ হয় না। তবে চাষ করলে একক চাষ করতে হবে। কারণ মাছটি রাক্ষুসে। অনেক পোনা একসাথে মায়ের সাথে চলাচল করে। ছোট পোনা মাছ খেতে খুবি সুস্বাদু।

রন্ধনপ্রণালী[সম্পাদনা]

খাদ্য হিসেবে টাকি মাছ বেশ জনপ্রিয়। বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ এ মাছ খেয়ে থাকেন। দোপেয়াজা, ভর্তা, ও ভূনা করে বাংলাদেশে মাছটি খাওয়া হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Murray, A. M. & Thewissen, J. G. M. (2008): Eocene actinopterygian fishes from Pakistan, with the description of a new genus and species of channid (channiformes). Journal of Vertebrate Paleontology, 28 (1): 41-52