জুন্হেবোটো জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জুন্হেবোটো জেলা
জেলা
Lining up for inspection
জুন্হেবোটো জেলায় সুমি নাগাদের এক উৎসব
নাগাল্যান্ডে জুন্হেবোটো জেলার অবস্থান
নাগাল্যান্ডে জুন্হেবোটো জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°০১′ উত্তর ৯৪°৩১′ পূর্ব / ২৬.০১৭° উত্তর ৯৪.৫১৭° পূর্ব / 26.017; 94.517স্থানাঙ্ক: ২৬°০১′ উত্তর ৯৪°৩১′ পূর্ব / ২৬.০১৭° উত্তর ৯৪.৫১৭° পূর্ব / 26.017; 94.517
দেশ India
রাজ্যনাগাল্যান্ড
আয়তন
 • মোট১২৫৫ কিমি (৪৮৫ বর্গমাইল)
 • স্থলভাগ১২০০ কিমি (৫০০ বর্গমাইল)
 • জলভাগ৫৫ কিমি (২১ বর্গমাইল)  ১.৮%
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট১,৪০,৭৫৭
 • জনঘনত্ব১১০/কিমি (২৯০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলIST (ইউটিসি+05:30)
আইএসও ৩১৬৬ কোডIN-NL-ZU
ওয়েবসাইটzunheboto.nic.in

জুন্হেবোটো (Zunheboto, উচ্চারণ:/ˌzʌnˈhiːbəʊtəʊ/) ভারত-এর নাগাল্যান্ড রাজ্যের একটি জেলা৷

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

এই জেলার উত্তরে নাগাল্যান্ডের মোককচাং জেলা, পশ্চিমে কোহিমা জেলা এবং ওখা জেলা, দক্ষিণে ফেক জেলা এবং পূর্বে টুয়েনসাং এবং কিফিরে জেলা৷ এই জেলার সদর শহর জুন্হেবোটো৷

জেলাটির বেশিরভাগ অঞ্চলই পাহারীয়া এবং চিরসবুজ বনাঞ্চলে ভরা৷ এই জেলায় চাটৈ রেঞ্জ অবস্থিত যা পক্ষী নিরীক্ষক এবং জীববিজ্ঞানীদের গবেষণার প্রধান স্থল৷ এই অংশটি Satakha মহকুমার দশটি গ্রাম নিয়ে গঠিত। চাটৈ রেঞ্জকে ভারতের Important Bird Area এবং Endemic Bird Area হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে৷ বহু আপুরুগীয়া পাখি যেমন Blyth'sTragopan, Kalij Pheasent এবং Peacock Pheasent ইত্যাদি অঞ্চলটিতে দেখতে পাওয়া যায়৷

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে এই জেলার মোট জনসংখ্যা ১৪০,৭৫৭ জন।[১] জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের মোট ৬৪০ টি জেলার মধ্যে এই জেলার স্থান ৫৯৮৷[১] এই জেলার প্রতি ১০০০ জন পুরুষের বিপরীতে মহিলার সংখ্যা ৯৮১ জন৷[১] জেলাটির সাক্ষরতার হার ৮৬.২৬%।[১]

জুন্হেবোটোর সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক সুমি নাগা (Sumi Nagas) জনজাতির৷ এই জেলায় খ্রিস্টান মিশনারিদের আগমনের সময় অব্দি মুণ্ড শিকার (Head hunting) প্রচলিত ছিল৷ এই জেলার অধিকাংশ লোকের মূল জীবিকা কৃষি৷[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই জেলার আকুলুটো (Akuluto) মহকুমার লুমামি (Lumami) গ্রামে নাগাল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত৷

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-৩০ 
  2. "Asia's largest church built in Nagaland; new church building set for dedication"। International Business Times। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:নাগাল্যান্ড