জাতীয় শিক্ষা কমিশন, ১৯৫৯

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

জাতীয় শিক্ষা কমিশন, ১৯৫৯, বা, ১৯৫৯-এর শিক্ষা কমিশন হলো তৎকালীন পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি সম্পর্কিত একটি নীতিমালা তৈরির জন্য গঠিত সরকারি কমিশন, যা এর সভাপতি প্রফেসর এস এম শরীফ-এর নামানুসারে শরীফ কমিশন এবং শরীফ শিক্ষা কমিশন নামেও পরিচিত।[১][২]

কার্যকাল[সম্পাদনা]

এই কমিশনটি ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর গঠিত হয় এবং ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।[২]

সদস্যবৃন্দ[সম্পাদনা]

১০ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিশনের সভাপতি ছিলেন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও তৎকালীন পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরীফ।[১][২] ৪ জন বাঙালি শিক্ষাবিদ সদস্য হিসাবে যুক্ত ছিলেন; তারা হলেনঃ[১]

  1. ড. মোমতাজউদ্দিন আহমেদ (উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়),
  2. আবদুল হক (সদস্য, ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড),
  3. অধ্যাপক আতোয়ার হোসেন (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এবং
  4. ড. এম এ রশীদ (অধ্যক্ষ, ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ)।

সুপারিশসমূহ[সম্পাদনা]

এই কমিশনের সুপারিশগুলোর মমধ্যে [১]

  1. ডিগ্রি কোর্স দুই বছর থেকে তিন বছর করা,
  2. কলেজ পর্যায়ে বছর শেষে পরীক্ষা ও তার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী বর্ষে উন্নীত করা,
  3. অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পরীক্ষার ফলাফলকে ভিত্তি ধরা।

প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন ও বর্তমান হালচাল"দৈনিক প্রথম আলো অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ০১ নভেম্বর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. "৬২র মহান দিবস : আত্মদানের সার্থক অবদান"দৈনিক পূর্বকোণ অনলাইন। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ০১ নভেম্বর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:বাংলাদেশের শিক্ষা কমিশন