চিলি–ফিলিপাইন সম্পর্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চিলি–ফিলিপাইন সম্পর্ক
মানচিত্র চিলি এবং ফিলিপাইনের অবস্থান নির্দেশ করছে

চিলি

ফিলিপাইন

চিলি–ফিলিপাইন সম্পর্ক হল চিলি এবং ফিলিপাইনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি বেনিঙ্গো তৃতীয় অ্যাকুইনোর মতে, চিলি ও ফিলিপাইন স্প্যানিশ উপনিবেশ, পূর্বের খ্রিস্টীয় শাসন, রিং অব ফায়ার অবস্থানের কারণে একই ধরনের ভয়াল প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার - প্রভৃতি দিক থেকে একই ধরনের "অনন্য অভিজ্ঞতা"র অংশীদার।[১] চিলি এবং ফিলিপাইনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৮৫৪ সালে যাত্রা শুরু করে। ঐ বছর বিনন্দ, ম্যানিলাতে চিলি একটি কনস্যুলেট অফিস খোলে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্পর্কের যাত্রা ৪ঠা জুলাই, ১৯৪৬ সালে আরম্ভ হয়। ঐদিন ফিলিপাইন আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি লাভ করে। ম্যানিলাতে চিলির একটি দূতাবাস রয়েছে, পক্ষান্তরে ফিলিপাইনের দূতাবাস রয়েছে সান্টিয়াগোতে

সম্পর্ক[সম্পাদনা]

২০১২ সালে চিলি ও ফিলিপাইন ভূ-তাপীয় শক্তি এবং খনন প্রভৃতি কাজে অংশীদার হতে চায়। চিলির রাষ্ট্রপতি সেবাস্তিয়ান পিনেরা, ভ্লাদিভস্তকে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চিলির রাষ্ট্রপতি বেনিঙ্গো তৃতীয় অ্যাকুইনোকে এ প্রস্তাব দেন। ভ্লাদিভস্তকে তখন অ্যাপেক সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পিনেরা অ্যাকুইনোকে আরো বলেন যে, তার দেশে অনেক ইংরেজি শিক্ষক প্রয়োজন। ইংরেজিতে শিক্ষকতা চিলির প্রতি অনেক ফিলিপাইনিকেই আকৃষ্ঠ করায়। ফিলিপাইনে ৩১৮ জন স্প্যানিশ প্রশিক্ষিত সাধারণ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক রয়েছেন উল্লেখ করে ফিলিপাইনের শিক্ষাসচিব আর্মিন লুইস্ট্রো চিলি সরকারের সাথে একটি চুক্তিস্বাক্ষরের ঘোষণা দেন। চুক্তি অনুযায়ী ফিলিপাইনের শিক্ষকদের চিলি স্প্যানিশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। বিনিময়ে ফিলিপাইন, চিলিয়ানদের ইংরেজিতে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। এছাড়া অ্যাকুয়াকালচারের বিষয়েও পরবর্তীতে সহযোগিতামূলক কর্মসূচী চালু করার কথা আলোচিত হয়।[২][৩][৪]

রাষ্ট্রীয় সফর[সম্পাদনা]

চিলির রাষ্ট্রপতি মিশেলে ব্যাকেলেট ২০১৫ সালীর ১৬ই নভেম্বর ম্যানিলায় অনুষ্ঠেয় অ্যাপেক অর্থনৈতিক নেতৃবৃন্দের বৈঠকের জন্য সম্মেলনের সময়ই ফিলিপাইনে রাষ্ট্রীয় সফর করেন।[৫] তিনি ম্যাকাক্যানাং প্রাসাদে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি বেনিঙ্গো তৃতীয় অ্যাকুইনোর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এই দুজন দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলা এবং জরুরী অবস্থা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। চিলি ও ফিলিপাইন একই ধরনের দুর্যোগের সম্মুখীন হয়ে থাকে, তাই পানি-আবহবিদ্যা ও ভূতাত্ত্বিক বিষয়ে প্রযুক্তিগত দিক থেকে পরস্পরকে সহায়তা করতে আগ্রহী দুই দেশ। এ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর অভিপ্রায়ে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বিষয়েও আলোচনা করা হয়।[৬][৭]

কূটনৈতিক মিশন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Elemia, Camille (নভেম্বর ১৬, ২০১৫)। "Aquino to Chilean president: I found a 'kindred spirit' in you"র‍্যাপলার। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৭, ২০১৫ 
  2. Mangunay, Kristine। "DepEd mulls Spanish for students"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  3. "Chile open to Pinoy English teachers, aquaculture cooperation"
  4. "PHL-Chile partnerships in mining, geothermal energy seen" 
  5. Villanueva, Marichu (অক্টোবর ২৯, ২০১৫)। "Give way to APEC summiteers"দ্য ফিলিপাইন স্টার। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৩, ২০১৫ 
  6. Mangosing, Frances (নভেম্বর ১৬, ২০১৫)। "PH, Chile sign agreement on disaster reduction, management"ফিলিপাইন ডেইলি ইনকোয়্যারার। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৭, ২০১৫ 
  7. Diola, Camille (নভেম্বর ১৬, ২০১৫)। "Philippines, Chile eye free trade deal"দ্য ফিলিপাইন স্টার। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৭, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:চিলির বৈদেশিক সম্পর্ক টেমপ্লেট:ফিলিপাইনের বৈদেশিক সম্পর্ক