গামারি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

গামারি
Gmelina arborea
Gamhar.jpg
Gmelina arborea tree plantation
Gmelina arborea 2.jpg
Gmelina arborea sapling from Mindanao, Philippines
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Asterids
বর্গ: Lamiales
পরিবার: Lamiaceae
গণ: Gmelina
প্রজাতি: G. arborea
দ্বিপদী নাম
Gmelina arborea
Roxb.
প্রতিশব্দ
  • Gmelina arborea var. canescens Haines
  • Gmelina arborea var. glaucescens C.B.Clarke
  • Gmelina rheedei Hook. [Illegitimate]
  • Gmelina sinuata Link [১]

গামারি বৈজ্ঞানিক নাম Gmelina arborea (ইংরেজি: Chandahar Tree, Cashmere Tree, Comb Teak, White Teak ইত্যাদি) পরিবার Lamiaceae।এছাড়াও বাংলা নাম গামার, গাম্বার। আদিবাসি নাম হিসাবে গাম্ভার, বল-কোবাক(গারো), রামানি (মগ), রেমেনিবা (মারমা), গামারি গাছ (তঞ্চঙ্গা), আব্বেই(খুমি)। গামারি-ফঙ(মান্দি)বলা হয়।

বিবরণী[সম্পাদনা]

গামারি সবুজ ও ঘন বিশিষ্ট একটি বৃক্ষ। ভারতবর্ষের গাছ। এই গাছের অনেক আয়ুর্বেদ গুণ আছে।

বৃক্ষ বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

গামারি একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। লম্বা গড়নে ১৫ থেকে ২০ মিটার উঁচু হয়। পত্রমোচী গাছ, প্রশাখা ও কুঁড়ি রোমশ। বাকল সাদাটে। পাতা তাম্বুলাকৃতি, ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা। উপরে উজ্জ্বল সবুজ,নিচে পান্ডুর,বোটা ৬ থেকে ১০ সেমি লম্বা। শীতে পাতা ঝরে। এটি অত্যধিক খরা সহনশীল।[২]

ভৌগলিক অবস্থা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশসহ দক্ষিণপুর্ব এশিয়ায় জন্মে। ভারতের আসাম, দক্ষিণ বিহার, উড়িষ্যা, ও পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় এ গাছ হয়।

ফুল[সম্পাদনা]

বসন্ত কালে পাতাহীন ডালে ডালে দেখা যায় গাঢ় হলুদ বরণ ফুল।ফুলের অনেক মিষ্টি গন্ধ, ফুল ৩ থেকে ৩.৫ সেমি লম্বা, ২ ভাগে বিভক্ত। এর পুষ্পমধু ভোমরাদের খুবই প্রিয়।[২]

ফল[সম্পাদনা]

গামারির ফল দেখতে গোলাকার। ৩ সেমি চওড়া, শাঁসাল, পাকলে হালকা হলুদ হয়।

ঔষধি ব্যবহার[সম্পাদনা]

এটি ঔষধিসমৃদ্ধ এক ভেষজ উদ্ভিদ।

  • কটুতিক্ত রস, গুরুপাক, উষ্ণবীর্য, কফ ও ত্রিদোষনাশক, বিষদোষ দাহ, জ্বর তৃষ্ণা ও রক্তদোষনাশক।
  • এর ছাল ও কাঠে আছে অনেক তিক্ত পদার্থ ও স্থেরোল।
  • পাতার রসে আছে জীবাণুনাশক শক্তি।
  • গণোরিয়া ও বেশ কিছু চর্মরোগে ব্যবহার করা হয়।
  • শিকড় কৃমিনাশক ও কুষ্ঠরোগে উপকারী।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.theplantlist.org/tpl/record/kew-91180
  2. দ্বিজেন শর্মা লেখক; বাংলা একাডেমী ; ফুলগুলি যেন কথা; মে ১৯৮৮; পৃষ্ঠা- ২২, আইএসবিএন ৯৮৪-০৭-৪৪১২-৭