ক্যামিলা, ডাচেস অব কর্নওয়াল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্যামিলা
ডাচেস অব কর্নওয়াল; ডাচেস অব রোথেসে (more)
দাম্পত্য সঙ্গী অ্যান্ড্রু পার্কার বোলস
(বিয়ে - ১৯৭৩, বিচ্ছেদ - ১৯৯৫)
চার্লস, প্রিন্স অব ওয়েলস
(বিয়ে - ২০০৫)
ইশু
টম পার্কার বোলস
লরা লোপেজ
পূর্ণ নাম
ক্যামিলা রোজমেরি[fn ১]
বাসগৃহ হাউজ অব উইন্ডসর (বিবাহ দ্বারা)
পিতা মেজর ব্রুস শ্যান্ড
মাতা সম্মানীয় রোজালিন্ড কিউবিট
জন্ম (১৯৪৭-০৭-১৭) ১৭ জুলাই ১৯৪৭ (বয়স ৬৬)
কিংস কলেজ হসপিটাল, লন্ডন, ইংল্যান্ড
ধর্ম চার্চ অব ইংল্যান্ড

ক্যামিলা, ডাচেস অব কর্নওয়াল, জিসিভিও, সিএসএম (ইংরেজি: Camilla, Duchess of Cornwall; জন্ম: ১৭ জুলাই, ১৯৪৭)[১] ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও রাজসিংহাসনের প্রত্যাশী চার্লস, প্রিন্স অব ওয়েলসের দ্বিতীয় স্ত্রী। সাবেক পার্কার বোলসের বিবাহের পূর্বেকার নাম ছিল ক্যামিলা রোজমেরি

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ক্যামিলা’র প্র-মাতামহী অ্যালিস কেপেল ছিলেন চার্লসের পূর্ব-পুরুষ রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের মিস্ট্রেস।[২] চার্লসকে বিয়ে করে তিনি রাজকীয় ও ব্রিটেনের অভিজাত শ্রেণীর স্তরে পৌঁছেন।

বিয়ের পূর্বে ১৯৭০ সালে এক পোলো খেলায় চার্লসের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটে ও সম্পর্ক গড়ে উঠে।[৩] অনেকের ধারণা, চার্লস তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ক্যামিলাকে ভবিষ্যৎ রাজার যোগ্য সহধর্মীনি হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।[৪] তারপরও তিনি প্রিন্স চার্লসের বন্ধুদের একজন হিসেবে ছিলেন। ১৯৭৩ সালে অ্যান্ড্রু পার্কার বোলস নামীয় এক সেনা কর্মকর্তা ও চার্লসের বন্ধুকে বিয়ে করেন ক্যামিলা। বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই চার্লসের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। ১৯৯৫ সালে তাঁদের মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে।[৫] এ সংসারে তাঁর টমলরা নাম্নী দুই সন্তান রয়েছে। বিবাহ-বিচ্ছেদের অল্প কিছুদিন পর পার্কার বোলসও তাঁর মিস্ট্রেসকে বিয়ে করেন।

১৯৮০-এর দশকে লয়েড’স অব লন্ডনে বিনিয়োগকারী ছিলেন যা অর্থ হারানোর কেলেঙ্কারীতে পড়ায় তাঁর জীবনধারা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে জানা যায়। ক্যামিলা ঘোড়দৌঁড়ে পারদর্শী ও গ্রামে শিয়াল শিকারে বেরুতেন যা ২০০৫ সাল থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

চার্লসের সাথে বিয়ে[সম্পাদনা]

১৯৮১ সালে চার্লস প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়ানাকে বিয়ে করেন। ১৯৯২ সালে চার্লস-ডায়ানার মধ্যকার বৈবাহিক সম্পর্কে চির ধরতে শুরু করে, যার জন্য প্রচ্ছন্নভাবে ক্যামিলা’র প্রভাব পড়েছিল। চার্লস ও ডায়ানা’র বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে ১৯৯৬ সালে। কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে চার্লস-ক্যামিলা’র সম্পর্ক গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ডায়ানা’র মৃত্যুর পর উভয়ে দম্পতি হিসেবে স্বীকৃতি পান।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ তারিখে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ জনসমক্ষে তাঁদের বাগদানের কথা ঘোষণা করেন ও ৮ এপ্রিল, ২০০৫ তারিখে তাঁদের বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু, পোপ দ্বিতীয় জন পলের শবযাত্রা অনুষ্ঠানের কারণে ৪ এপ্রিল, ২০০৫ তারিখে তা পুণঃনির্ধারণ করা হয় ৯ এপ্রিলে।[৬][৭]

৯ এপ্রিল, ২০০৫ তারিখে প্রিন্স চার্লস ও ক্যামেলিয়া পরস্পর বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। তারপর থেকেই তিনি নতুন পদবী পান হার রয়্যাল হাইনেস দ্য ডাচেস অব কর্নওয়াল। বাগদানপর্বে বলা হয় যে, ক্যামিলা দ্য প্রিন্সেস অব ওয়েলস নামে পরিচিত হতে পারবেন না। এর প্রধান কারণ ছিল, প্রিন্স চার্লসের অসম্ভব জনপ্রিয় প্রথম স্ত্রী ডায়ানা, প্রিন্সেস অব ওয়েলসের সাথে বিবাহ-বিচ্ছেদ হওয়া স্বত্ত্বেও ডায়ানা ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সালে মৃত্যুর পূর্ব-পর্যন্ত এ পদবীধারী ছিলেন।[৮]

বাকিংহ্যাম প্রাসাদের কাছাকাছি সেন্ট জেমসে’স প্যালেসের ক্ল্যারেন্স হাউসে বসবাস করছেন চার্লস-ক্যামিলা দম্পতি। সেখানে প্রিন্স চার্লসের সন্তান প্রিন্স উইলিয়াম, ডিউক অব কেমব্রিজ এবং প্রিন্স হ্যারিও বসবাস করেন।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. On the unusual occasions when a surname is used, it is Mountbatten-Windsor. Her first married name was Camilla Parker Bowles. Her full maiden name is Camilla Rosemary Shand.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

Orders of precedence in the United Kingdom
পূর্বসূরী
রাণী
ভদ্রমহিলাগণ
এইচআরএইচ দ্য ডাচেস অব কর্নওয়াল


উত্তরসূরী
দ্য কাউন্টেস অব ওসেক্স
অ্যাকাডেমিক অফিস
পূর্বসূরী
ব্যারন উইলসন অব টিলিওর্ন
আবেরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য
২০১৩-বর্তমান


দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য