তৃতীয় চার্লস
এই নিবন্ধটি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার সংশ্লিষ্ট নিবন্ধ অনুবাদ করে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। (জানুয়ারি ২০২৫) অনুবাদ করার আগে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশাবলি পড়ার জন্য [দেখান] ক্লিক করুন।
|
এই নিবন্ধটি মেয়াদোত্তীর্ণ। |
| তৃতীয় চার্লস | |||||
|---|---|---|---|---|---|
| কমনওয়েলথের প্রধান (আরও) | |||||
২০২৩ সালে রাজা তৃতীয় চার্লস | |||||
| রাজত্ব | ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ - বর্তমান | ||||
| জন্ম | ১৪ নভেম্বর ১৯৪৮ বাকিংহাম প্রাসাদ, লন্ডন, ইংল্যান্ড | ||||
| দাম্পত্য সঙ্গী | ডায়ানা, প্রিন্সেস অব ওয়েলস (বিবাহ - ১৯৮১, বিচ্ছেদ - ১৯৯৬) ক্যামিলা, কুইন কনসর্ট (বিবাহ - ২০০৫) | ||||
| বংশধর | প্রিন্স উইলিয়াম, প্রিন্স অফ ওয়েলস প্রিন্স হ্যারি, ডিউক অফ সাসেক্স | ||||
| |||||
| রাজবংশ | হাউজ অব উইন্ডসর | ||||
| পিতা | প্রিন্স ফিলিপ, ডিউক অব এডিনবার্গ | ||||
| মাতা | দ্বিতীয় এলিজাবেথ | ||||
| ধর্ম | চার্চ অব ইংল্যান্ড | ||||
চার্লস ফিলিপ আর্থার জর্জ[fn ১] (ইংরেজি: Charles Philip Arthur George; জন্ম: ১৪ নভেম্বর ১৯৪৮) হলেন যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ১৪টি কমনওয়েলথ রাষ্ট্রের বর্তমান রাজা।
চার্লসের জন্ম হয় বাকিংহাম প্রাসাদে, তার নানা রাজা ষষ্ঠ জর্জের শাসনামলে। ১৯৫২ সালে তার মা এলিজাবেথ সিংহাসনে বসলে চার্লস সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন। ১৯৫৮ সালে তাকে ‘ওয়েলসের রাজপুত্র’ উপাধি দেওয়া হয় এবং ১৯৬৯ সালে তার অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। তিনি চিম স্কুল ও গর্ডনস্টোনে পড়াশোনা করেন এবং পরে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় জিলং গ্রামার স্কুলের টিমবারটপ ক্যাম্পাসে ছয় মাস কাটান। এরপর তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি রয়্যাল এয়ার ফোর্স ও রয়্যাল নেভিতে কাজ করেন।
১৯৮১ সালে তিনি লেডি ডায়ানা স্পেনসারকে বিয়ে করেন। তাদের দুটি সন্তান উইলিয়াম ও হ্যারি। পরে দাম্পত্য সম্পর্ক খারাপ হলে এবং দুজনেরই বহুল আলোচিত পরকীয়া সম্পর্কের পর ১৯৯৬ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পরের বছর এক গাড়ি দুর্ঘটনায় ডায়ানার মৃত্যু হয়। ২০০৫ সালে চার্লস তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী ক্যামিলা পার্কার বোলসকে বিয়ে করেন।
উত্তরাধিকারী হিসেবে চার্লস তার মায়ের হয়ে সরকারি দায়িত্ব পালন করতেন এবং বিদেশ সফরে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করতেন। ১৯৭৬ সালে তিনি 'প্রিন্সেস ট্রাস্ট'[ক] প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি 'প্রিন্সের চ্যারিটিস'-এর পৃষ্ঠপোষকতা করেন এবং আরও ৮০০-র বেশি দাতব্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক বা সভাপতি ছিলেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য ও পুরাতন ভবন সংরক্ষণের পক্ষে কথা বলতেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি ‘পাউন্ডবেরি’ নামে একটি পরীক্ষামূলক নতুন শহর গড়ে তোলেন। পরিবেশবান্ধব চিন্তাধারার অধিকারী হিসেবে তিনি জৈব চাষাবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পদক্ষেপের পক্ষে ছিলেন। কর্নওয়ালের ডিউকের ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপক থাকাকালে তিনি পুরস্কার ও স্বীকৃতি যেমন পেয়েছেন, তেমনি কিছু সমালোচনাও কুড়িয়েছেন। তিনি জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) খাদ্যের বিরোধিতা করতেন এবং বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির পক্ষে থাকার জন্যও সমালোচিত হয়েছেন। তিনি মোট ১৭টি বই লিখেছেন বা সহ-লেখক হিসেবে কাজ করেছেন।
২০২২ সালে তার মা রানী এলিজাবেথের মৃত্যুর পর তিনি রাজা হন। ৭৩ বছর বয়সে তিনি ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে সিংহাসনে ওঠা ব্যক্তি, এবং সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রাজা হওয়ার অপেক্ষায় থাকা উত্তরাধিকারী। তার রাজত্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০২৩ সালের রাজ্যাভিষেক এবং এর পরের বছরের ক্যানসার নির্ণয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য তার জনসাধারণের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
প্রারম্ভিক জীবন, পরিবার ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]১৪ নভেম্বর, ১৯৪৮ তারিখে[২] গ্রীনিচ মান সময় ৯:১৪ ঘটিকায় বাকিংহাম প্রাসাদে চার্লস জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মের পূর্বেই ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ তারিখে রাজা ষষ্ঠ জর্জের রাজাজ্ঞা পত্রের মাধ্যমে ঘোষিত হয়েছিল যে, প্রিন্সেস এলিজাবেথ এবং ফিলিপ, ডিউক অব এডিনবরার কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই সন্তানটি রাজকুমার হিসেবে বিবেচিত হবে। সেইসূত্রে চার্লস জন্মকালীন সময় থেকেই প্রিন্সের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন।[৩] তার বাবা-মার আরও তিনজন সন্তান রয়েছে, তারা হলেন অ্যান (জন্ম ১৯৫০), অ্যান্ড্রিউ (জন্ম ১৯৬০) ও এডওয়ার্ড (জন্ম ১৯৬৪)।
তিনি ১৯৪৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাকিংহাম প্যালেসের মিউজিক রুমে ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ জিওফ্রি ফিশার কর্তৃক চার্লস ফিলিপ আর্থার জর্জ নামে খ্রিস্টীয় বাপ্তিস্ম প্রাপ্ত হন।[খ][গ][৭][৮]
১৯৫২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাজা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যু হয় এবং চার্লসের মা দ্বিতীয় এলিজাবেথ হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন; চার্লস তৎক্ষণাৎ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন। ১৩৩৭ সালের তৃতীয় এডওয়ার্ড-এর সনদ অনুসারে, এবং রাজার জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে, তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্নওয়ালের ডিউক-এর ঐতিহ্যবাহী উপাধি এবং স্কটিশ অভিজাত সম্প্রদায়ে রথেসের ডিউক, কারিকের আর্ল, রেনফ্রুর ব্যারন, দ্য আইলসের লর্ড এবং স্কটল্যান্ডের প্রিন্স ও গ্রেট স্টুয়ার্ড উপাধি গ্রহণ করেন।[৯] পরের বছর, চার্লস তার মায়ের রাজ্যাভিষেক-এ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে উপস্থিত ছিলেন।[১০]
চার্লসের বয়স পাঁচ বছর হলে, ক্যাথরিন পিবলসকে বাকিংহাম প্যালেসে তার শিক্ষা তত্ত্বাবধানের জন্য গভর্নেস নিযুক্ত করা হয়।[১১] তিনি তারপর ১৯৫৬ সালের নভেম্বরে লন্ডনের পশ্চিমে হিল হাউজ স্কুল-এ ক্লাস শুরু করেন।[১২] চার্লস ছিলেন প্রথম উত্তরাধিকারী যিনি ব্যক্তিগত গৃহশিক্ষকের পরিবর্তে স্কুলে শিক্ষা লাভ করেন।[১৩] তিনি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক স্টুয়ার্ট টাউনেন্ড-এর কাছ থেকে কোনও বিশেষ সুবিধা পাননি, যিনি রানীকে পরামর্শ দিয়েছিলেন চার্লসকে ফুটবল প্রশিক্ষণ দিতে, কারণ ফুটবল মাঠে ছেলেরা কখনও কারও প্রতি বিনয়ী হত না।[১৪] চার্লস পরবর্তীতে তার পিতার দুইটি প্রাক্তন স্কুলে যোগ দেন: হ্যাম্পশায়ারের চিম স্কুল,[১৫] ১৯৫৮ সাল থেকে,[১৬] এরপর স্কটল্যান্ডের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত গর্ডনস্টাউন, সেখানে ১৯৬২ সালের এপ্রিলে ক্লাস শুরু করেন।[১৬][১৭] তিনি পরে মে ২০২৪ সালে গর্ডনস্টাউনের পৃষ্ঠপোষক হন।[১৮]
জোনাথন ডিম্বলবি রচিত ১৯৯৪ সালের তার অনুমোদিত জীবনীতে, চার্লসের বাবা-মাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দূরবর্তী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল এবং চার্লসের সংবেদনশীল প্রকৃতির প্রতি অবহেলার জন্য ফিলিপকে দায়ী করা হয়েছিল, যার মধ্যে তাকে গর্ডনস্টাউনে পাঠানোর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে তাকে হয়রানি করা হয়েছিল।[১৯] যদিও চার্লস গর্ডনস্টাউনকে, যা তার বিশেষ কঠোর পাঠ্যক্রমের জন্য পরিচিত, "কোল্ডিটজ ইন কিল্টস" (কিল্ট পরা কোল্ডিটজ) হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন বলে জানা যায়,[১৫] তিনি পরে স্কুলটির প্রশংসা করেন, উল্লেখ করেন যে এটি তাকে "নিজের সম্পর্কে এবং নিজের ক্ষমতা ও অক্ষমতা সম্পর্কে অনেক কিছু শিখিয়েছে"। তিনি ১৯৭৫ সালের একটি সাক্ষাত্কারে বলেন তিনি "খুশি" যে তিনি গর্ডনস্টাউনে পড়াশোনা করেছিলেন এবং স্থানটির "কঠোরতা" "অতিরঞ্জিত" ছিল।[২০] ১৯৬৬ সালে, চার্লস অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার জিলং গ্রামার স্কুল-এর টিম্বারটপ ক্যাম্পাসে দুটি টার্ম অতিবাহিত করেন, এই সময়ে তিনি তার ইতিহাসের শিক্ষক মাইকেল কলিন্স পার্সের সাথে একটি স্কুল ভ্রমণে পাপুয়া নিউ গিনি পরিদর্শন করেন।[২১][২২] ১৯৭৩ সালে, চার্লস টিম্বারটপে তার সময়টিকে তার সমগ্র শিক্ষার সবচেয়ে আনন্দদায়ক অংশ হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।[২৩] গর্ডনস্টাউনে ফিরে আসার পর, তিনি তার পিতার অনুকরণে হেড বয় হন এবং ১৯৬৭ সালে ছয়টি জিসিই ও-লেভেল এবং দুটি এ-লেভেল (ইতিহাস ও ফরাসিতে যথাক্রমে গ্রেড বি এবং সি সহ) নিয়ে স্কুল ছাড়েন।[২১][২৪] তার শিক্ষা সম্পর্কে চার্লস পরে মন্তব্য করেন, "আমি স্কুলটিকে যতটা উপভোগ করতে পারতাম ততটা করিনি; কিন্তু এর কারণ ছিল যে আমি অন্য যে কোনও জায়গার চেয়ে বাড়িতে বেশি সুখী"।[২০]
চার্লস রাজকীয় ঐতিহ্য ভঙ্গ করেন যখন তিনি তার এ-লেভেলের পর সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান, ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ না দিয়ে।[১৫] ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে, তাকে ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ-এ ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি ট্রাইপস-এর প্রথম অংশের জন্য প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান অধ্যয়ন করেন এবং তারপর দ্বিতীয় অংশের জন্য ইতিহাস-এ পরিবর্তন করেন।[৭][২১][২৫] তার দ্বিতীয় বছরে, তিনি অ্যাবারিস্টুইথ-এ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-এ এক টার্মের জন্য ওয়েলসের ইতিহাস ও ওয়েলশ ভাষা অধ্যয়ন করেন।[২১] চার্লস কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২:২ ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) ডিগ্রি নিয়ে ১৯৭০ সালের জুন মাসে স্নাতক হন এবং এভাবেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি অর্জনকারী প্রথম ব্রিটিশ উত্তরাধিকারী হন।[২১][২৬] স্ট্যান্ডার্ড অনুশীলন অনুসরণ করে, আগস্ট ১৯৭৫ সালে, তার ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগ্রিকে মাস্টার অব আর্টস (এমএ) ডিগ্রিতে উন্নীত করা হয়।[২১]

ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]যুবক বয়সে চার্লস অনেক নারীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। চার্লসের বান্ধবীদের তালিকায় ছিলেন - জর্জিনা রাসেল,[২৭] লেডি জেন ওয়েলেসলে,[২৮] ডেভিনা শেফিল্ড,[২৯] লেডি সারাহ ম্যাককরগুডেল,[৩০] ক্যামিলা[৩১] প্রমূখ। অবশ্য পরবর্তীকালে ক্যামিলা চার্লসের দ্বিতীয় পত্নী হয়েছিলেন।[৩২]
ডায়না, প্রিন্সেস অব ওয়েলসকে ১৯৮১ সালে বিয়ে করেন। কিন্তু ১৯৯৬ সালে তাদের মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে। এ সংসারে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি অব ওয়েলস নামে দুই পুত্র রয়েছে। পরবর্তীতে ২০০৫ সাল থেকে ক্যামিলা, ডাচেস অব কর্নওয়াল এর সাথে সংসারধর্ম পালন করছেন চার্লস।
পাদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The Royal Family name"। The Official Website of the British Monarchy। The Royal Household। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 120।
- ↑ "নং. 38452"। দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়): ৫৮৮৯। ৯ নভেম্বর ১৯৪৮।
- ↑ Holden, Anthony (১৯৮০)। Charles, Prince of Wales। পৃ. ৬৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৩০-২৬১৬৭-৮।
- ↑ "Close ties through the generations"। The Royal House of Norway। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- ↑ "The Christening of Prince Charles"। Royal Collection Trust। ১৭ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২১।
- 1 2 "HRH The Prince of Wales | Prince of Wales"। Clarence House। ৯ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "The Book of the Baptism Service of Prince Charles"। Royal Collection Trust। ২০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 127।
- ↑ Elston, Laura (২৬ এপ্রিল ২০২৩)। "Charles made history when he watched the Queen's coronation aged four"। The Independent। ২৬ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২৪।
- ↑ Gordon, Peter; Lawton, Denis (২০০৩)। Royal Education: Past, Present, and Future। F. Cass। পৃ. ২১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৪৬-৮৩৮৬-৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Kirka, Danica (১ মে ২০২৩)। "Name etched in gold, King Charles' school remembers him"। The Independent। ২৫ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২৪।
- ↑ Johnson, Bonnie; Healy, Laura Sanderson; Thorpe-Tracey, Rosemary; Nolan, Cathy (২৫ এপ্রিল ১৯৮৮)। "Growing Up Royal"। টাইম। ৩১ মার্চ ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০০৯।
- ↑ "Lieutenant Colonel H. Stuart Townend"। দ্য টাইমস। ৩০ অক্টোবর ২০০২। আইএসএসএন 0140-0460। ২২ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০০৯।
- 1 2 3 "HRH The Prince of Wales"। Debrett's। ৪ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১২।
- 1 2 "About the Prince of Wales"। Royal Household। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮। ৯ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 139।
- ↑ Richards, Bailey (২৫ মে ২০২৪)। "King Charles becomes patron of his former Scottish school depicted in The Crown as 'absolute hell'"। People। ২৬ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২৪।
- ↑ Rocco, Fiammetta (১৮ অক্টোবর ১৯৯৪)। "Flawed Family: This week the Prince of Wales disclosed still powerful resentments against his mother and father"। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। Independent Digital News & Media Ltd। আইএসএসএন 1741-9743। ওসিএলসি 185201487। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- 1 2 Rudgard, Olivia (১০ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Colditz in kilts? Charles loved it, says old school as Gordonstoun hits back at The Crown"। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। আইএসএসএন 0307-1235। ওসিএলসি 49632006। ২০ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭।
- 1 2 3 4 5 6 "The Prince of Wales – Education"। Clarence House। ১৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "The New Boy at Timbertop"। দি অস্ট্রেলিয়ান উইমেন্স উইকলি। খণ্ড ৩৩ নং 37। ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬। পৃ. ৭। ১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ – National Library of Australia এর মাধ্যমে।; "Timbertop – Prince Charles Australia" (Video with audio, 1 min 28 secs)। ব্রিটিশ প্যাথে। ১৯৬৬। ১১ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৮ – YouTube এর মাধ্যমে।
- ↑ "Prince had happy time at Timbertop"। Australian Associated Press। খণ্ড ৪৭ নং 13, 346। দ্য ক্যানবেরা টাইমস। ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৩। পৃ. ১১। ১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ – National Library of Australia এর মাধ্যমে।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 145।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 151
- ↑ Holland, Fiona (১০ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "God Save The King!"। Trinity College Cambridge। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 192।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 193।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 194।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 195।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 178।
- ↑ Brandreth 2007, পৃ. 15-17।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- ↑ পরে রাজার হওয়ার পর নাম হয় ‘কিংস ট্রাস্ট’
- ↑ তাকে "চার্লস" নামকরণ করা হয়েছিল তার ধর্মপিতা নরওয়ের সপ্তম হাকন (জন্মনাম: ডেনমার্কের প্রিন্স কার্ল)-এর নামানুসারে, যাকে এলিজাবেথ "আঙ্কেল চার্লস" নামে ডাকতেন।[৪][৫]
- ↑ প্রিন্স চার্লসের ধর্মপিতৃগণ ছিলেন: যুক্তরাজ্যের রাজা (তার মাতামহ); নরওয়ের রাজা (তার পৈতৃক দ্বিতীয় চাচাতো ভাই এবং মাতামহীর বৈবাহিক সম্পর্কে প্রপিতামহ, যার হয়ে চার্লসের প্রপিতামহ আর্ল অব অ্যাথলোন প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন); রানী ম্যারি (তার মাতাপ্রপিতামহী); প্রিন্সেস মার্গারেট (তার মাতৃখালা); প্রিন্স জর্জ অব গ্রিস অ্যান্ড ডেনমার্ক (তার পৈতৃক প্রমাতামহ, যার হয়ে এডিনবার্গের ডিউক প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন); মিলফোর্ড হ্যাভেনের ডাউয়াগার মার্চিওনেস (তার পৈতৃক প্রমাতামহী); লেডি ব্রাবোর্ন (তার খালাতো বোন); এবং মাননীয় ডেভিড বোজ-লিয়ন (তার মাতামহের ভাই)।[৬]
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি- বিদেশি ভাষার উইকিপিডিয়া থেকে নিবন্ধের অনুবাদ করা প্রয়োজন
- Articles with faulty RISM identifiers
- Pages with red-linked authority control categories
- ১৯৪৮-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ লেখক
- ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ২০শ শতাব্দীর ব্রিটিশ লেখক
- ব্রিটিশ পরিবেশবাদী
- ব্রিটিশ ব্যবসায়ী
- লন্ডনের লেখক
- ব্রিটিশ জনহিতৈষী
- যুক্তরাজ্যের রাজশাসক
- ২১শ শতাব্দীর জনহিতৈষী
- ইংরেজ পরিবেশবাদী
- জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ব্যক্তি
- রুশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ ব্যক্তি
- স্কটিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ ব্যক্তি
- প্যারাডাইস পেপার্সে নাম থাকা ব্যক্তি
- রাজশাসকের পুত্র
- ওয়েস্টমিনস্টারের ব্যক্তি
- কমনওয়েলথের প্রধান
- প্রিন্স অব ওয়েলস
- যুক্তরাজ্যের রাজা
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ রাজশাসক
- তৃতীয় চার্লস
- দ্বিতীয় এলিজাবেথের সন্তান
- জার্মান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ব্যক্তি
- জিলং গ্রামার স্কুলে শিক্ষিত ব্যক্তি
- ব্রিটিশ ফিল্ড মার্শাল
- ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী
- রাজত্বকারী রানীর পুত্র
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ জনহিতৈষী