ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ
এই নিবন্ধটি বিজ্ঞাপনের মতো করে লেখা হয়েছে। (জুলাই ২০২৫) |
| ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ | |
|---|---|
| ঠিকানা | |
সার্কেল ২ | |
| তথ্য | |
| ধরন | বেসরকারী |
| নীতিবাক্য | শান্তি, আত্মনির্ভরশীলতা ও বৈশ্বিক সুযোগের জন্য শিক্ষা |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ২০০৪ |
| প্রতিষ্ঠাতা | লায়ন এম কে বাশার |
| চেয়ারপারসন | লায়ন এম কে বাশার |
| অধ্যক্ষ | বাগময়ী দত্ত (ঢাকা) মাহবুব হাসান লিংকন (চট্টগ্রাম) গোবিন্দ চন্দ্র রায় (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) |
| শিক্ষকমণ্ডলী | প্রায় ৫০০ |
| শ্রেণি | প্লে-দ্বাদশ |
| লিঙ্গ | সহ-শিক্ষা |
| শিক্ষার্থী সংখ্যা | ১২,০০০ |
| ভাষা | বাংলা এবং ইংরেজি মাধ্যম |
| ওয়েবসাইট | www |
ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।[১] ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,আশুগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে এটির মোট ১৬টি ক্যাম্পাস রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে, বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় নিয়ে। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল দেশীয় শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, যেখানে প্রযুক্তি, নৈতিকতা এবং সৃজনশীলতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা হবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. কে. বাশার, যিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক এবং উদ্যোক্তা হিসেবে সুপরিচিত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
প্রতিষ্ঠার শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার একটি ছোট ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করলেও, শিক্ষার গুণগত মান, সুপরিকল্পিত একাডেমিক কাঠামো এবং যুগোপযোগী পাঠদান পদ্ধতির কারণে দ্রুতই এটি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে। কয়েক বছরের মধ্যেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে এর শাখা স্থাপিত হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
প্রতিষ্ঠার প্রথম দিক থেকেই প্রতিষ্ঠানটি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ডিজিটাল ল্যাব, লাইব্রেরি এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে গুরুত্ব দেয়। ২০১০ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করতে শুরু করে। বিশেষ করে, পাবলিক পরীক্ষায় (SSC, HSC) ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের কারণে এটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
সহ-শিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব ও একাডেমি পরিচালিত হয়ে থাকে। এসব ক্লাব ও একাডেমির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের গড়ে তোলার সুযোগ পায়। নিচে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্লাবসমূহের নাম দেওয়া হলো:
- ক্যামব্রিয়ান ডিবেট ক্লাব
- ক্যামব্রিয়ান লিও ক্লাব
- ক্যামব্রিয়ান সায়েন্স ক্লাব
- ক্যামব্রিয়ান কালচারাল একাডেমি
- ক্যামব্রিয়ান স্পোর্টস একাডেমি
- ক্যামব্রিয়ান স্কাউটস গ্রুপ
- ক্যামব্রিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
- ক্যামব্রিয়ান তায়কোয়ান্দো ইউনিট
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর
- ক্যামব্রিয়ান প্রথম আলো বন্ধুসভা
- ক্যামব্রিয়ান ব্যাকবেঞ্চার্স সোসাইটি
- ক্যামব্রিয়ান কমিউনিটি
- ক্যামব্রিয়ান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন
গভর্নিং বডি ও ম্যানেজমেন্ট কমিটি
[সম্পাদনা]- লায়ন এম. কে. বাশার পিএমজেএফ (প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ)
- মহবুব হাসান লিংকন (প্রিন্সিপাল (চট্টগ্রাম) ও পরিচালক)
- বাগময়ী দত্ত (প্রিন্সিপাল, ঢাকা)
- গোবিন্দ চন্দ্র রায় (প্রিন্সিপাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
- মোহাম্মদ সাইফুল আলম (ভাইস প্রিন্সিপাল, ক্যাম্পাস-৬)
- রুমানা খানম (ভাইস প্রিন্সিপাল, ক্যাম্পাস-২)
- রায়েস উদ্দিন (ভাইস প্রিন্সিপাল, ক্যাম্পাস-৩)
- মোহাম্মদ আব্দুল কায়ূম (ভাইস প্রিন্সিপাল, নারায়ণগঞ্জ)
- আফরোজা আক্তার (চিফ অ্যাডমিন অফিসার)
- সামিউল হাসান সমৃদ্ধ[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
বিএসবি-ক্যামব্রিয়ানের পরিচালিত প্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
- ক্যামব্রিয়ান কলেজ, চট্টগ্রাম
- কিংস স্কুল অ্যান্ড কলেজ
- মেট্রোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ
- উইনসাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ
- ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাডি সেন্টার
- ক্যামব্রিয়ান কালচারাল একাডেমী
- ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এভিয়েশন
- ক্যামব্রিয়ান টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
- ক্যামব্রিয়ান ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
- ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ সেন্টার
- আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- মাদরাসাতু ছালেহা খাতুন
- ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মোহাম্মদপুর
সমালোচনা
[সম্পাদনা]শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।[২][৩][৪][৫][৬][৭][৮] এছাড়াও এর নানা স্থানে শাখা পরিচালনার অনুমোদন প্রশ্নবিদ্ধ।[৯][১০] এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা এম কে বাশার বর্তমানে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ-আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং এর অভিযোগে কারারুদ্ধ আছেন।[১১][১২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ https://www.cambrian.edu.bd/about-cambrian ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ জুন ২০১৯ তারিখে
- ↑ "হোম প্রথম পাতা বাড়তি টাকা নিলে ফেরত দিতে হবে বিদ্যালয়ে ভর্তি ও কোচিং-বাণিজ্যঃ বাড়তি টাকা নিলে ফেরত দিতে হবে"। www.prothom-alo.com। ৫ জানুয়ারি ২০১২। ২১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "অতিরিক্ত ফি: ২৬ স্কুলের প্রধানকে আদালতে তলব"। bdnews24.com। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি বাণিজ্যের অবসান প্রসঙ্গে - সম্পাদকীয়"। দৈনিক সংগ্রাম। ২৬ জুন ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ রুহানি, রশিদ আল (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "আল্টিমেটাম শেষ, অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়নি বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান | banglatribune.com"। বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "ভর্তি ফি নিয়ে নৈরাজ্য | বাংলাদেশ প্রতিদিন"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২২ জুন ২০১৪। ১৯ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "২০ জানুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ ফেরতের নির্দেশ আদালতের"। প্রথম আলো। ৭ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "এসএসসির ফরম পূরণ ২০ জানুয়ারির মধ্যে বাড়তি ফি ফেরতের নির্দেশ"। আলোকিত বাংলাদেশ। ৭ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ খোকন, নেসারুল হক; আহমদ, মুসতাক (২৭ অক্টোবর ২০১৪)। "ক্যামব্রিয়ানের সব ক্যাম্পাস অবৈধ!"। দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ খোকন, নেসারুল হক; আহমদ, মুসতাক (২৮ অক্টোবর ২০১৪)। "ক্যামব্রিয়ানে টাকা ধরার নানা ফাঁদ"। দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "বিদেশে পড়তে যেতে গিয়ে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের ফাঁদে পড়েন তাঁরা"। প্রথম আলো। ১৫ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "শিক্ষার্থীদের ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া বিএসবির সেই বাশার গ্রেপ্তার"। দৈনিক আজকের পত্রিকা। ১০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫।
| বাংলাদেশের বিদ্যালয় বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |