বিষয়বস্তুতে চলুন

কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
কুমিল্লা-৩ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২৩ জুন ১৯৯৬  ৫ জানুয়ারি ২০১৪
পূর্বসূরীরফিকুল ইসলাম
উত্তরসূরীইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন
কাজের মেয়াদ
৭ মে ১৯৮৬  ১৫ জুলাই ১৯৯০
পূর্বসূরীহারুন অর রশিদ
উত্তরসূরীরফিকুল ইসলাম
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1956-02-20) ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ (বয়স ৬৯)
কুমিল্লা, পূর্ব পাকিস্তান
নাগরিকত্ব পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
 বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (১৯৯৬-বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
জাতীয় পার্টি (১৯৮৬-১৯৯০)
পেশারাজনীতিবিদ

আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (জন্ম: ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) হলেন একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা নামলার পর থেকে দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করছিলেন। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

কায়কোবাদ ১৯৫৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

কায়কোবাদ জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ১৯৮৬ সালে ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম বার এবং ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলে, তিনি বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলামের নিকট পরাজিত হন। ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদের তিনি জাতীয় পার্টি থেকে আবারও সংসদ সদস্য হন। এরপর তিনি জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন এবং জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে ২০০১ ও ২০০৮ সালে ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে কায়কোবাদ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ পান।[]

গ্রেনেড হামলার মামলা

[সম্পাদনা]

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার গ্রেনেড হামলা হয়, যাতে দুটি মামলা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মামলার নতুন চার্জশীট দাখিল করে। চার্জশীটে ৫২ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মামলার রায় হয়। রায়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও কায়কোবাদসহ ১৯ জলের যাবজ্জীবন হয়।[] কায়কোবাদ ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে[] এবং ২০১৫ সালে দুবাইয়ে চলে যান।[] ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে হাইকোর্টের আপিল বিভাগ তাকেসহ অন্য সব আসামিকে খালাস প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা হলেন যাঁরা"। কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮
  2. "বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন"। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮
  3. Haider, Liton (২১ আগস্ট ২০১৪)। "19 accused in Aug 21 grenade attack case fleeing justice"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  4. "বিএনপির যেসব সুবিধাবাদী নেতা বিদেশে! -"। ২৯ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]