ওয়ারুদ জুহাইর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ওয়ারুদ জুহাইর
ورود زهير
Worood Zuhair.jpg
জন্ম
ওয়ারুদ মাহদি
ورود مهدي

১৯৮৭ (বয়স ৩৪–৩৫)
অন্যান্য নামনারদিন
মাতৃশিক্ষায়তনকারবালা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা
  • জীববিজ্ঞানী
  • নারী অধিকার কর্মী
কর্মজীবন২০১০-বর্তমান
আন্দোলন

ওয়ারুদ জুহাইর (আরবি: ورود زهير‎‎‎) (জন্ম ১৯৮৭) হচ্ছেন একজন ইরাকি বংশোদ্ভুত নারী অধিকার কর্মী, জীববিজ্ঞানী ও লেখিকা। বর্তমানে তিনি জার্মানিতে বসবাস করেন।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

ওয়ারুদ জুহাইর ১৯৮৭ সালে মধ্য ইরাকের নাজাফ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।[১] ২০১০ সালে তিনি ইরাকের ঐতিহাসিক শহর কারবালায় অবস্থিত কারবালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বলেন যে স্নাতক হওয়ার আগে, তিনি পারিবারিক সহিংসতা ব গার্হস্থ্য সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন। তখন তার বাবা এবং তার ভাই তার উপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করে। যার ফলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং তাকে মারধর করার ফলে তার মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছিল। কারণ তার বাবা ও ভাও অভিযোগ করেছিল যে, তিনি অনুমতি ছাড়াই বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং তার নাস্তিকতা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।[২][৩][৪][৫]

জার্মানিতে সক্রিয়তা[সম্পাদনা]

ওয়ারুদ জুহাইর ২০১৬ সালে সফলভাবে যুক্তি দেখিয়ে জার্মানিতে চলে যান যে তার পরিবার থেকে তিনি যে বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন তা তাকে শরণার্থী মর্যাদার প্রার্থী করে তোলে। জার্মানিতে আসার পর তিনি তার ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়ক ব্লগ পোস্টের জন্য সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পান এবং এই ঘটনার ফলে তিনি বর্তমানে পুলিশের সুরক্ষায় রয়েছেন।[২][৩]

জার্মানিতে পৌঁছানোর পর তিনি মধ্যপ্রাচ্যে নারীদের অধিকার দাবি করার জন্য প্রচারণা শুরু করেন, এই উদ্দেশ্যে সংগঠিত হন এবং বিক্ষোভে অংশ নেন এবং স্বাধীনতা ও লিঙ্গ সমতার প্রচারণার সমর্থনে আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যম সংস্থা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন। [৬]

তিনি অনেক মিডিয়া সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, বক্তৃতা দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে রিচার্ড ডকিন্স ফাউন্ডেশন, যেখানে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং ইরাকিদের জন্য বাক স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করেছেন।[৭][৮]

বই[সম্পাদনা]

  • ওরুদ, জুহাইর। নেকেড রেভলিউশন (আরবি ভাষায়)। 

জুহাইর তার প্রথম বই নেকেড রেভলিউশন নামে প্রকাশের ঘোষণা করেন যা শীঘ্রই আরবি ভাষায় এবং পরে ইংরেজিতে প্রকাশিত হবে, তিনি বইটিকে "সাধারণের বাইরে" বলে অভিহিত করেন, তিনি তার নগ্ন বিপ্লব প্রচারণার পরে ঘোষণা করেন যে তিনি নারীদের বৌদ্ধিক বন্ধ মানসিক অবস্থা থেকে মুক্তি এবং শরীরের বিধিনিষেধ থেকে মুক্ত করার দাবি জানান। [৯]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ورود زهير تقول انها حفيدة عائلة كاشف الغطاء شاهد بنفسك!" (আরবি ভাষায়)। জুন ১৬, ২০২০ – YouTube-এর মাধ্যমে। 
  2. Prange, Astrid (ডিসেম্বর ২০, ২০১৮)। "Germany's atheist refugees: When not believing is life-threatening"Deutsche Welle। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২১ 
  3. Prange, Von Astrid (অক্টোবর ১০, ২০১৮)। "Flucht vor Allah"Deutschlandfunk (in German)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২১ 
  4. DW channel interview in Arabic| 04.09.2018
  5. Tarzi, Nazli (জুলাই ২০, ২০১৯)। "Iraq's growing community of atheists no longer peripheral"The Arab Weekly। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২১ 
  6. Rebellious Women in Islam - The Event, Linkezeitung (Nov 27, 2016).
  7. The roots of Islam extend from the Middle East to Europe, Richard Dawkins foundation, January 22, 2019 (in German).
  8. Rebellious women in Islam, Lecture by Worood Zuhair from Kerbela, The Central Council of Ex-Muslims, November 27, 2016 (in German).
  9. Taking revenge from the conservative society that stole my life by the name of religion, DW Arabia Channel (post by Al-hewar Al-Mutamadin in Arabic).

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]