এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার
এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার | |
|---|---|
| জাতীয় পার্টির মহাসচিব | |
| কাজের মেয়াদ ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ – ২০২০ | |
| নেতা | হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ |
| পূর্বসূরী | জাকির হোসাইন রাহাত |
| উত্তরসূরী | জিয়া উদ্দীন আহমেদ বাবলু |
| জাতীয় সংসদ সদস্য | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ২০১৪ | |
| নির্বাচনী এলাকা | পটুয়াখালী-১ |
| কাজের মেয়াদ ২০০৮ – ২০১৩ | |
| নির্বাচনী এলাকা | বরিশাল-৬ |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ২ মার্চ ১৯৫৩ বরিশাল, পূর্ব পাকিস্তান |
| নাগরিকত্ব | |
| রাজনৈতিক দল | জাতীয় পার্টি (এরশাদ) |
| দাম্পত্য সঙ্গী | নাসরীন জাহান রত্না |
এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার (জন্ম ২ মার্চ ১৯৫৩) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, পাঁচ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্যবসায়ী। তিনি পটুয়াখালী-১ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টির জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান।
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]রুহুল আমিন হাওলাদার ১৯৫৩ সালে ২রা মার্চ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]হাওলাদার ২০০২ সালে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মনোনীত হন। ২০১৩ সালের ১০ এপ্রিল তাকে মহাসচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। দুই বছর পর ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে তাকে পুনরায় মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। এছাড়াও তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ-১১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১] ১৯৮১ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন।
হাওলাদার ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি মনোনয়নে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[২][৩] ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি সংসদের হুইপ, কৃষি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি মনোনয়নে হাওলাদার পটুয়াখালী-১ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।[৪]
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় পটুয়াখালী-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।[৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "২য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৩য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৪র্থ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "১০ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা"। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৩।
- ↑ "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা"। দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪।
- ১৯৫৩-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- বরিশাল জেলার রাজনীতিবিদ
- দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ সদস্য
- তৃতীয় জাতীয় সংসদ সদস্য
- চতুর্থ জাতীয় সংসদ সদস্য
- নবম জাতীয় সংসদ সদস্য
- দশম জাতীয় সংসদ সদস্য
- জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর রাজনীতিবিদ
- আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার সদস্য
- এরশাদের মন্ত্রিসভার সদস্য
- বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী
- বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
- দুমকি উপজেলার ব্যক্তি
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য
- পটুয়াখালী জেলার রাজনীতিবিদ
- বাকেরগঞ্জ উপজেলার ব্যক্তি