এরউইন নেহার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এরউইন নেহার
২০১৫-এর জুনে এরউইন নেহার
জন্ম (1944-03-20) ২০ মার্চ ১৯৪৪ (বয়স ৮০)
জাতীয়তাজার্মান
মাতৃশিক্ষায়তন
পরিচিতির কারণpatch clamp
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
উচ্চশিক্ষায়তনিক উপদেষ্টাচার্লস এফ. স্টিভেনস
ওয়েবসাইটwww.mpg.de/323786/biophysikalische_chemie_wissM6

এরউইন নেহার (জার্মান উচ্চারণ: [ˈɛʁviːn ˈneːɐ] (শুনুন); /ˈnər/ ;[১] জন্ম ২০ মার্চ ১৯৪৪) একজন জার্মান বায়োফিজিসিস্ট, সেল ফিজিওলজির ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ। ১৯৯১ সালে বার্ট সাকম্যানের সাথে যৌথভাবে ‘একক আয়ন সেলের কার্যক্রম বিষয়ে তাঁদের আবিষ্কারে’র জন্য ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পান।[২][৩][৪]

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

নেহারের জন্ম ল্যান্ডসবার্গ অ্যাম লেচ, আপার বাভারিয়ায়; শিক্ষক এলিজাবেথ (নি ফাইফার) এবং একটি ডেইরি কোম্পানির একজন নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রাঞ্জ জাভার নেহারের পুত্র।[৫] তিনি ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত মিউনিখের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়ন করেন।

১৯৬৬ সালে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নের জন্য ফুলব্রাইট স্কলারশিপ লাভ করেন। তিনি এক বছর উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটান এবং বায়োফিজিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পোস্ট-ডক্টরালের জন্য ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে চার্লস স্টিভেনস ল্যাবরেটরিতে থাকাকালীন তাঁর সহকর্মী বিজ্ঞানী ইভা-মারিয়া নেহারের সাথে সাক্ষাৎ হয়; যাকে তিনি ১৯৭৮ সালে বিয়ে করেন এবং পরবর্তীকালে এই দম্পতির পাঁচটি সন্তান হয়- রিচার্ড, বেঞ্জামিন, ক্যারোলা, সিগমুন্ড এবং মার্গ্রেট। [৬]

২০০৩ সালে ২২ জন নোবেল বিজয়ীর একজন ছিলেন নেহের, যিনি মানবতাবাদী ইশতেহারে স্বাক্ষর করেছিলেন।[৭]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে, তিনি বার্ট সাকম্যানের সাথে যৌথভাবে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুইসা গ্রস হরউইটজ পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৮৭ সালে, তিনি ডয়েচে ফরসচুংজেমেইনশ্যাফ্ট-এর গটফ্রিড উইলহেম লিবনিজ পুরস্কার পান, যা জার্মান গবেষণায় সর্বোচ্চ সম্মাননা। ১৯৯১ সালে বার্ট সাকম্যানের সাথে যৌথভাবে “একক আয়ন সেলের কার্যক্রম বিষয়ে তাঁদের আবিষ্কারে’র জন্য ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পান।[৮] নেহার এবং সেকম্যানই প্রথম লাইভ সেলে একক আয়ন চ্যানেলে বৈদ্যুতিক প্রবাহের রেকর্ড করেন (তাঁরাই প্রথম লিপিড বিলেয়ার পদ্ধতিতে এটা রেকর্ড করেন)[৯][৯][১০][১১][১২] তাঁদের বিকশিত প্যাচ-ল্যাম্প টেকনিকের মাধ্যমে;  প্রজেক্টটি নেহার ইয়েলে চার্লস এফ. স্টিভেনসের গবেষণাগারে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সহযোগী হিসেবে থাকাকালীন শুরু করেছিলেন।

১৯৮৩ সাল থেকে, তিনি গটিংজেনের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর বায়োফিজিক্যাল কেমিস্ট্রির একজন পরিচালক হন এবং মেমব্রেন বায়োফিজিক্স বিভাগের নেতৃত্ব দেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি ইনস্টিটিউটের একজন ইমেরিটাস পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ইমেরিটাস প্রফেসর এবং বার্নস্টাইন সেন্টার ফর কম্পিউটেশনাল নিউরোসায়েন্স গটিংজেন-এর সহ-সভাপতি।

সম্মান ও পুরষ্কার[সম্পাদনা]

নেহের সাম্মানিক ডিগ্রি অর্জন করেছেন:[১৩]

  • অ্যালিক্যান্টে বিশ্ববিদ্যালয়, স্পেন, ১৯৯৩
  • উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাডিসন, উইসকনসিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৯৩
  • মিউনিখের কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, এফআরজি, ১৯৯৪
  • মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়, স্পেন, ১৯৯৪
  • হুয়াজং ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি, উহান, পিআর চীন, ১৯৯৪
  • বাহিয়া ব্লাঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়, আর্জেন্টিনা, ১৯৯৫
  • রোম বিশ্ববিদ্যালয়, ইতালি, ১৯৯৬
  • জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়, ইসরায়েল, ১৯৯৯
  • পাভিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ২০০০

নেহার ১৯৯৪ সালে রয়্যাল সোসাইটির (এফওআরএমইএমআরএস)একজন বিদেশী সদস্য নির্বাচিত হন।[১৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Neher". Random House Webster's Unabridged Dictionary.
  2. "Nobel autobiography of Neher" 
  3. "Neurotree - Erwin Neher Family Tree"neurotree.org 
  4. Dean, Chris। "Erwin Neher - Science Video Interview"Vega Science Trust 
  5. "Erwin Neher – Biographical, The Nobel Prize in Physiology or Medicine 1991"nobelprize.org। Nobel Media AB। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  6. Schoenfeld 2006, পৃ. 264।
  7. "Notable Signers"Humanism and Its Aspirations। American Humanist Association। অক্টোবর ৫, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১২ 
  8. "The Nobel Prize in Physiology or Medicine 1991"Nobelprize.org। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১১ 
  9. Neher E, Sakmann B, Steinbach JH (জুলাই ১৯৭৮)। "The extracellular patch clamp: a method for resolving currents through individual open channels in biological membranes": 219–28। ডিওআই:10.1007/BF00584247পিএমআইডি 567789 
  10. Neher E, Sakmann B (মার্চ ১৯৯২)। "The patch clamp technique": 44–51। ডিওআই:10.1038/scientificamerican0392-44পিএমআইডি 1374932 
  11. Neher E (১৯৯২)। "[6] Correction for liquid junction potentials in patch clamp experiments"। Correction for liquid junction potentials in patch clamp experiments। Methods in Enzymology। পৃষ্ঠা 123–31। আইএসবিএন 978-0-12-182108-1ডিওআই:10.1016/0076-6879(92)07008-Cপিএমআইডি 1528115 
  12. Neher E (সেপ্টেম্বর ১৯৮৮)। "The use of the patch clamp technique to study second messenger-mediated cellular events": 727–34। ডিওআই:10.1016/0306-4522(88)90094-2পিএমআইডি 2462183 
  13. "Erwin Neher Biographical"www.nobelprize.org। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০২১ 
  14. "Professor Erwin Neher ForMemRS"Royal Society। ২০১৫-১০-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 


আরও পড়ার জন্য[সম্পাদনা]