এমিল থিওডোর কোচার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এমিল থিওডোর কোচার (২৫ আগস্ট ১৮৪১- ২৭ জুলাই ১৯১৭) ছিলেন একজন চিকিৎসক এবং চিকিৎসা গবেষক। তিনি ১৯০৯ সালে থাইরয়েড গবেষণা এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য চিকিৎসা এবং মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার কীর্তির মধ্যে অন্যতম ছিল জীবাণুমুক্ত ভাবে শল্যচিকিৎসা এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শল্যচিকিৎসা। তার অবদানের মধ্যে বিশেষভাবে উল্ল্যেখযোগ্য হলো থাইরয়েড গ্রন্থির শল্যচিকিৎসায় মৃত্যুর হার এক শতাংশের নিচে নিয়ে আসা। তিনি ছিলেন সুইস বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রথম নোবেল জয়ী। তার অনন্য অবদানের জন্যে তাকে তার সময়ের চিকিৎসা শাস্ত্রের একজন প্রবাদ পুরুষ হিসেবে মানা হয় ।

ব্যাক্তিগত এবং প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ছেলেবেলা[সম্পাদনা]

কোচার এর বাবা জ্যাকব আলেকজান্ডার কোচার (১৮১৪-১৮৯৩) ছিলেন সাত ভাই বোনের মধ্যে ষষ্ঠ। তার বাবা স্যামুয়্যেল কোচার পেশায় ছিলেন একজন কাঠমিস্ত্রি। তার মায়ের নাম ছিল বারবারা সাটার(১৭৭২-১৮৪৯) ,

জ্যাকব আলেকজান্ডার ছিলেন একজন রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার তিনি ১৮৪৫ সালে সুইজারল্যান্ডের বার্ডফে চলে আসেন তার ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরির সুবাদে। সেখানে তাকে সড়ক এবং জল সম্পদের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পদায়ন করা হয় । ৩৪ বছর বয়সে তিনি তার পরিবারকে নিয়ে রাজধানী বার্নে চলে আসেন ১৮৫৮ সালে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন যার পূর্বেই তিনি বার্নে বেশ কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট সম্পাদন করেন।

থিওডোর কোচার এর মায়ের নাম ছিল মারিয়া কোচার ( ১৮২০-১৯০০)। তিনি ছিলেন খুবই ধর্মপরায়ন একজন মহিলা। তিনি মোরাভিয়ান চার্চ এর সাথে জড়িত ছিলেন। জ্যাকব আলেকজান্ডারের সাথে তার সংসারে তিনি ছিলেন পাচ পুত্র এবং এক কণ্যার জননী।

থিওডোর কোচার জন্ম নেন ২৫ আগস্ট ১৮৪১ সালে বার্নে। তার পরিবারের ধর্মীয় চিন্তার দরুন ১৬ সেপ্টেম্বর ১৮৪১ এ তাকে ব্যপ্টাইজ করা হয়। ১৮৪৫ তিনি পরিবারের সাথে বার্ডফে চলে আসেন দেখতে চলে আসেন সেখানে তিনি শিক্ষা জীবন শুরু করেন । কিছুকাল পরে তার পরিবার বার্ন শহরে চলে আসে যেখানে তিনি মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন।