এড্রিক বেকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এড্রিক বেকার
জন্ম১৯৪১
মৃত্যুসেপ্টেম্বর ১, ২০১৫(২০১৫-০৯-০১) (৭৪ বছর বয়সে)
কাইলাকুরি হেলথ কেয়ার সেন্টার, মধুপুর উপজেলা, বাংলাদেশ
সমাধিকাইলাকুরি হেলথ কেয়ার সেন্টার
নাগরিকত্ব
মাতৃশিক্ষায়তনওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডুনেডিন মেডিসিন স্কুল (এমবিবিএস)
পেশাচিকিৎসক

এড্রিক বেকার (যিনি ডাক্তার ভাই হিসেবেও পরিচিত; ১৯৪১-১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫) ছিলেন একজন নিউজিল্যান্ডীয় বংশদ্ভূত বাংলাদেশি চিকিৎসক

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৪১ সালে, বেকার নিউজিল্যান্ডের একটি ক্যাথলিক ধনী, সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[১] তিনি আজীবন অবিবাহিত ছিলেন।[২]

২০১১ সালে, বাংলাদেশ টেলিভিশনের হানিফ সংকেত মধুপুর উপজেলায় বেকার এবং তার চিকিত্সা সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করেছিলেন। এরপর বাংলাদেশ সরকার আইন পরিবর্তন করে যাতে ডাক্তার বেকারকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব[৩] প্রদান করা যায়(তার নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব ছাড়াও)[৪]। বেকারের "বাংলাদেশের মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ সেবার" স্বীকৃতি হিসাবে পরবর্তীকালে ইত্যাদিতে তাঁর সাক্ষাত্কার নেয়া হয়।[৩]

২০১১ সাল থেকে বেকার দুরারোগ্য ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি হাইপারটেনশনে ভুগছিলেন। ২০১৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ৭৪ বছর বয়সে তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠিত কাইলাকুরি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে মারা যান।[৪] মৃত্যুর সময় তাঁর মা, দুই বোন এবং চার ভাই-সবাই নিউজিল্যান্ডে বেঁচে ছিলেন। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে ডাক্তারকে কাইলাকুরিতে তার বাড়ির পিছনে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Fr. Carraro, Lorenzo (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "A modern-day saint"World Mission (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-১০-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৯ 
  2. Shakil, Mirza (২০১৫-০৯-০৪)। "Doctor for the poor no more"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-১১-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৩ 
  3. "Edric on TV" (ইংরেজি ভাষায়)। New Zealand Church Missionary Society। ২০১৪-১১-১৩। ২০১৮-০২-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৯ 
  4. "Dr Edric Baker" (ইংরেজি ভাষায়)। Kailakuri Health Care Centre। ২০১৯-১০-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৯ 
  5. "Honouring Dr Edric Baker" (ইংরেজি ভাষায়)। New Zealand Church Missionary Society। ২০১৫-০৯-০৯। ২০১৯-০২-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৯