উত্ত্যক্তকরণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

উত্যক্তকরনের অনেক ধরনের অর্থ এবং ব্যবহার রয়েছে। মানুষের মিথষ্ক্রিয়ার ক্ষেত্রে উত্যক্তকরনের তিনটি প্রধান রূপ রয়েছে। যথাঃ আমোদ প্রমোদপূর্ণ, আঘাতদায়ক, এবং শিক্ষামূলক । উত্যক্তকরনের কয়েক ধরনের প্রভাব থাকতে পারে, যা নির্ভর করে কিভাবে কাজে লাগানো হয়েছে এবং এর সৃষ্ট প্রভাবের উপর।[১] যখন উত্যক্তকরন আমোদপ্রমোদপূর্ণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ থাকে, এবং বিশেষ করে যখন এটা যে বড়ো-উল্টো, তখন উত্যক্তকরনকে ফ্লার্ট হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। যখন উত্যক্তকরন অবাঞ্ছিত থাকে, তখন একে হয়রানি বা মবিং হিসাবে গণ্য করা যায়, বিশেষ করে কর্মস্থলে এবং বিদ্যালয়ে, অথবা যখন এটি গুণ্ডামি বা মানসিক নির্যাতনের একটি রূপ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যদি এটি জনসম্মুখে করা হয়, তবে এটিকে অপমান হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। উত্যক্তকরনকে যখন অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার রূপ হিসাবে ব্যবহার করা হয়, তখন এটি একটি শিক্ষণীয় মাধ্যমও হয়ে ওঠতে পারে। আদিবাসী আমেরিকান এর কিছু সম্প্রদায়ের বড়রা শিশুদের খেলাচ্ছলে চিত্রিত করা এবং তাদের ব্যবহার কিভাবে সমাজে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে, তা শিখানোর জন্য তাদের উত্যক্ত করে। অনেক আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়গুলির শিশুরা, অন্যরা তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করার বদলে কি করে, তা থেকেও শিক্ষা নেয়। উত্যক্তকরনের সাথে, শিক্ষা গ্রহণের এই রূপ অন্যান্য ওয়েস্টার্ন আমেরিকান শিশুদের শিখার রূপের চাইতে ভিন্ন। শিশুদের শিখানোর অনানুষ্ঠানিক উপায়গুলোর মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক দায়িত্ববোধের সৃষ্টি, সেইসাথে প্রাপ্তবয়স্ক ও সহকর্মীদের সঙ্গে সক্রিয় সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করা। এটা শেখার আরো প্রথাগত পথ থেকে আলাদা, কারন এটা শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নয়।

মানুষকে সাধারনত তাদের চেহারা, ওজন, আচরণ, সামর্থ্য, পোশাক এবং বুদ্ধিমত্তার উপর বিবেচনা করে উত্যক্ত করা হয়। [২] ভুক্তভোগীর দৃষ্টি থেকে, এ ধরনের উত্যক্তকরন প্রায়ই আঘাতদায়ক, উত্যক্তকারীর অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে।

কেউ কোন পশুকেও উত্যক্ত করতে পারে। কিছু প্রাণী যেমন, কুকুর এবং বিড়াল উত্যক্তকরনকে খেলা বা হয়রানি উভয়ই মনে করতে পারে।

উত্যক্তকরনের প্রকৃতি[সম্পাদনা]

উত্যক্তকরনের একটি পরিচিত রূপ হলো মৌখিক উত্পীড়ন এবং বিদ্রূপ করা। এ ধরনের আচরন করা হয় কাউকে বিভ্রান্ত করতে, বিরক্ত করতে অথবা জ্বালাতন করতে। যেহেতু এটি আঘাতদায়ক, তাই এটি মজা করার চাইতে আলাদা এবং সমাজ সাধারনত এসব প্রত্যাখ্যান করে। 'চল মজা করি; উপহাস কৌতুকপূর্ণ' বুঝাতেও ব্যবহার করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, মিসেল ডোয়েনাকে উত্যক্ত করে, তার মানে এই না যে সে তাকে উৎপীড়ন করছে। আবার, স্যাম মানুষকে উত্যক্ত করে, কিন্তু সে কখনোই তাদের উৎপীড়ন করে না।

একটি অপেক্ষাকৃত সাম্প্রতিক নিবন্ধে উত্যক্তকরন কিভাবে শুধুমাত্র কৌতুকপূর্ণ বা আনন্দদায়ক নয়, তা উল্লেখ করা হয়েছে। ডাচার কেল্টনার পেনেলপ ব্রাউনের গবেষণার সদ্ব্যবহার করে অন-রেকর্ড এবং অফ-রেকর্ডের পার্থক্য তুলে ধরেন। এর কারন মানুষকে উত্যক্তকারীর গলার স্বর ও মুখের অভিব্যক্তি অনুযায়ী প্রতিউত্তর করা শিখানো। [৩]

উত্যক্তকরনের একটি রূপ, যা সাধারণত উপেক্ষিত হয় তা হলো শিক্ষামূলক উত্যক্তকরন। এই রূপটি সাধারনত আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায় এবং মেক্সিকান ঐতিহ্যবাহী সম্প্রদায় গুলির মাতাপিতা এবং যত্নকারীরা তাদের সন্তানদের সামাজিক শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন একজন শিশু একটি চকলেটের জন্য সকলের সাথে খারাপ আচরন করে, তখন পিতামাতা তাকে সে চকলেট দিবে, কিন্তু তারপর আবার নিয়ে নিবে; এরপর তাকে তার আচরণ সঠিক করতে বলবে এবং তারপরই শিশুটিকে তার প্রাপ্য চকলেট ফিরিয়ে দিবে। এভাবে মাতাপিতা তাদের সন্তানকে আত্মনিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার গুরুত্বের শিক্ষা দেয়। [৪] তাই যখন বড়রা উত্যক্তকরনের মাধ্যমে ছোটদের কিছু শেখায়, তখন তা অনানুষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষা দান হিসাবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের শিখা প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়, কারন এটা ওয়েস্টার্ন আমেরিকান সম্প্রদায়গুলি যেভাবে শেখায়, তা থেকে ভিন্ন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আরেক ধরনের উত্যক্তকরন হলো, একজন ব্যক্তিকে তার প্রাপ্য জিনিস দেয়ার ভান করা, অথবা স্বাভাবিকের তুলনায় ধীরে দেয়া। এটা সাধারণত সে জিনিসটি পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলার মাধ্যমে করা হয়, যা দ্বারা ব্যক্তি সন্তুষ্ট নাও হতে পারে। এ ধরনের উত্যক্তকরণকে "টানটালাইজিং (বিশ্বাস জাগাইয়া প্রতারণা করা)" বলা যেতে পারে, যা এসেছে টানটালাসের গল্প থেকে। টানটালাইজিং বড়দের বা উত্যক্তকারীদের মাঝে আমোদপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু ছোটদের মাঝে এটা অনেক আঘাতজনক হিসাবে বিবেচিত। যেমনঃ একজন অন্য একজনের জিনিস দখল করে বসে এবং তা আর ফিরিয়ে দিবে না। এটা ফ্লারটিং এবং ডেটিং এর মধ্যেও এটি সাধারন। উদাহরণস্বরূপ, একজন পুরুষ বা মহিলা অন্য একজনের প্রতি আগ্রহী এবং তিনিও সে পুরুষ বা মহিলার প্রতি আগ্রহী, তাদের মধ্যে কেউ একজন একে অপরের প্রতি আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয়ার জন্য প্রথম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে পারেন এবং দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় প্রস্তাবে গ্রহণ করতে পারেন।

উত্যক্তকরন আমোদপূর্ণ বা আঘাতদায়ক বা শিক্ষণীয় হোক, বড় বিষয় হচ্ছে, কেউ একজন উত্যক্ত হচ্ছে। যদি যাকে উত্যক্ত করা হচ্ছে সে মানসিক ভাবে কষ্ট পায়, তবে সে উত্যক্তকরন আঘাতদায়ক। মানুষের শক্তিগত পার্থক্যের কারনে আচরণ আমোদপূর্ণের চাইতে আঘাতদায়কই হতে পারে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য যদি কেউ নিজেকে উত্যক্তকরনের ভোক্তভুগী হিসাবে উপলব্ধি করেন এবং সে উত্যক্তকরনের অভিজ্ঞতাকে অপ্রীতিকর ভাবেন, তবে এটা আঘাতদায়ক ছিল। যদি আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়গুলির মতো মাতাপিতার উদ্দেশ্য ইতিবাচক থাকে, তাহলে উত্যক্তকরণকে সামাজিক সাবে শিক্ষণীয় বিষয় হিসাবে দেখা যেতে পারে। তখন হয়তো শিশু উত্যক্ত করার কারন বুঝতে পারে আবার নাও বুঝতে পারে। কিন্তু যদি সে ব্যক্তিকে উত্যক্ত করা বন্ধ করতে বলা হয়, কিন্তু তারপরও সে তা করতে থাকে তবে এটি এটা গুন্ডামি বা নির্যাতনের একটি রূপ।

উত্যক্তকরনের দিকে তাকানোর অন্য একটি উপায় হলো পার্থক্যের দিকে সঠিক ভাবে দৃষ্টি দেয়া, মজা করার মতো করে আশেপাশের পরিবেশ পরিবর্তনের জন্যও এটা করা হয়ে থাকে। এটা যা সান্ত্বনাদায়ক হবে তা অনুযায়ী সান্ত্বনা বা শীতলতা প্রদান করে। কারো সামনে ভালো আচরণ করা এবং তাদের অগোচরে তাদের বিরুদ্ধে অপমানজনক কথা বলার চাইতে উত্যক্তকরন সামনা সামনি সব কিছু বলে দেয়ার একটি ভালো উপায় হতে পারে।

আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়গুলিতে উত্যক্তকরন[সম্পাদনা]

কিছু আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়ে তাদের শিশুদের প্রত্যাশা এবং সম্প্রদায়ের মান রক্ষা এবং তাদের খারাপ আচরণ পরিবর্তন করার জন্য উত্যক্ত করা হয়। উত্যক্ত করার মাধ্যমে শিশুরা তাদের আচরনের জন্য আশেপাশের মানুষের উপর কেমন প্রভাব পড়ছে, তা বুঝতে পারে। আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায় গুলোতে উত্যক্তকরনের মাধ্যমে সম্প্রদায় ভিত্তিক স্বীকৃতি, নম্রতা, আচরণ সংশোধন এবং সামাজিক নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়া হয়।

কিছু মেক্সিকান আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়ে উত্যক্তকরন একটি কার্যকর শিক্ষামূলক উপায়। উত্যক্তকরণকে আরো উপকারি মনে করা হয়, কারন এটি শিশুদের শুধু মাত্র উপদেশ গ্রহণ করার বদলে নিজের আচরনের প্রভাব সম্পর্কে অনুভুতি প্রদান করে এবং বুঝতে শেখায়। আদিবাসী আমেরিকান সম্প্রদায়ের কিছু মাতাপিতা বিশ্বাস করেন যে, এটা শিশুদের সামান্য পরিমানে বিব্রত করে এবং তাদের আচরনের পরিনতি সম্পর্কে ভালো বিচক্ষণতা প্রদান করে। তারা মনে করেন যে, এ ধরনের উত্যক্তকরন শিশুদের কম অহংকারী করে তোলে, স্বায়ত্তশাসন শেখায় এবং নিজেদের আচরণ নিরীক্ষণ করার দায়িত্ব প্রদান করে। [৫] এ ধরনের অভিভাবকীয় উত্যক্তকরন শিশুদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের আচরণ সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে। আদিবাসী আমেরিকান মায়েরা বলেছেন যে এটা শিশুদের তাদের আচরনের সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে বুঝতে প্রেরনা প্রদান করে। এইজেনবারগের নিবন্ধ থেকে উদাহরণ অনুযায়ী, পিতা-মাতারা উত্যক্তকরণকে শিশুদের সম্পর্ক পুনর্বহাল এবং গ্রুপ / সম্প্রদায় ভিত্তিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করানোর একটা ভালো উপায় হিসেবে মনে করেন। পিতা-মাতারা তাদের সন্তানদেরকে তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রন এবং তাদের সাথে মজা করার উদ্দেশ্যে উত্যক্ত করে থাকেন। [৬]

ইনুইট সম্প্রদায়ে শেখার প্রধান একটি উপায় উত্যক্তকরনের মতোই, যা ইসসুমাকসাইউক নামে পরিচিত, এর অর্থ চিন্তার কারন হওয়া। অনেক সময় বড়রা ছোটদের সামনে প্রকল্পিত অবস্থার সৃষ্টি করে বা প্রশ্ন উপস্থাপন করে (মাঝে মাঝে বিপদজনক), উত্যক্তকরনের মাধ্যমে আমোদপূর্ণ ভাবে সেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়, প্রায়ই নাটকীয় ভাবে। এ ধরনের প্রশ্ন শিশুদের তাদের সম্প্রদায়কে ঘিরে রাখা সমস্যা গুলো সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে, সাথে সম্প্রদায়ের একজন সদস্য হওয়ার দরুন, প্রভাব তৈরি করা এবং সমাজে ভিন্নতা নিয়ে আসার ক্ষমতা সম্পর্কে অনুভূতি প্রদান করে। যখন শিশু সেসব প্রশ্নের উত্তর বড়দের মতো কারণপূর্ণভাবে দিতে শুরু করবে, তখন প্রশ্ন করাও বন্ধ হয়ে যাবে। [৭]

কিছু চেরোকি সম্প্রদায়ে, উত্যক্তকরণকে আক্রমনাত্মক বা প্রতিকূল পরিস্থিতিকে ছড়িয়ে দেয়ার একটি উপায় হিসাবে ব্যবহার করা হয় এবং ব্যক্তিকে তাদের আচরণের পরিণতি সম্পর্কে শিখানো হয়। এটা ব্যক্তিকে তার ব্যবহার কিভাবে অন্যদের উপর খারাপ প্রভাব ফেলছে তা এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করতে শেখায়।

অন্যান্য ব্যবহারসমূহ[সম্পাদনা]

যৌনতার ক্ষেত্রে উত্যক্ত করা বা উত্যক্ত হওয়ার জন্য অঙ্গভঙ্গি, ভাষা অথবা ফ্লারটিং করা হয়, অন্য ব্যক্তির মাঝে যৌন অনুভুতি জাগিয়ে তোলার জন্যই এমনটা করা হয়। এমন উত্যক্তকরনের মাধ্যমে যৌন সহবাসের প্রস্তাব করা হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে, অথবা অস্পষ্টতা, যা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। আরো প্রকৃত অর্থে, এ ধরনের উত্যক্তকরনকে যৌন উদ্দীপনাও বলা যায়।

একটি কনসার্টে একটি গানের অংশ বাজানো বুঝাতেও উত্যক্তকরন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জ্যাম ব্যান্ড প্রায় সময়ই অন্য গানের কিছু প্রধান অংশ এরূপ ভাবে ব্যবহার করত।

"টিজ ইট" শব্দটি গাঁজা সেবন করার সময় একটি অপভাষা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। "টিজ" শব্দটি গাঁজার বিশেষ্য হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।

একটি খুব ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, চুলকে উত্যক্ত করা যায়, "র‍্যাটেড", আরো বিশুদ্ধ ভাবে "ব্যাককোম্বড (পিছনে আঁচড়ানো)"। ব্যাককোম্বড বলতে বুঝানো হয়, চুলকে শেষ থেকে গোঁড়া পর্যন্ত জট খোলার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সুতার মতো করে জট পাকানো। এটা ড্রেডলক তৈরি করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ভাবে করা যেতে পারে।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

দু'জন শিশু একটি বিড়ালকে উত্যক্ত করছে । শিল্পীঃ এন্নিব্যালে কাররাক্কি ( বর্তমান স্থানঃ মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Reddy, V. (1991). Playing with others' expectations: Teasing and mucking about in the first year. (pp. 143-158) Basil Blackwell, Cambridge, MA.
  2. Kowalski, R. (2000). I was only kidding: Victim and perpetrators' perceptions of teasing. Personality and Social Psychology Bulletin, 26, 231-241.
  3. Keltner, Dacher (ডিসেম্বর ৫, ২০০৮)। "In defense of teasing"The New York Times 
  4. Gray, Peter। "The Educative Value of Teasing"। Psychology Today। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৪ 
  5. Silva, Katie (২০১১)। "Teaching children through 'little dramas': Opinions about instructional ribbing from Mexican-heritage and European-American mothers."ProQuest, UMI Dissertations: 1–66। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৪ 
  6. Eisenberg, A. R. (1986). Teasing: Verbal play in two Mexicano homes. In B. B. Schieffelin & E. Ochs (Eds.) Language socialization across cultures. (pp. 182-198). New York: Cambridge University Press.
  7. Briggs, J. (1998). Inuit morality play: The emotional education of a three-year-old. New Haven, CT: Yale University Press.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে উত্ত্যক্তকরণ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন