বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিপিডিয়া আলোচনা:আলাপ পাতা

পাতাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য ভাষায় নেই।
আলোচনা যোগ করুন
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাম্প্রতিক মন্তব্য: Salam gahtani কর্তৃক ১ মাস আগে "মাইজগ্রাম ইতিহাস" অনুচ্ছেদে

আমি বাংলা থেকে হিন্দিতে নিয়ে যেতে চাইছি। হিন্দিতে বাঙালিদের পৃষঠাগুলোয় তেমন গুরুত্ব দেয়া হয়নিShankar Sen (আলাপ) ১৪:২৬, ২৬ জুলাই ২০১১ (ইউটিসি)উত্তর দিন

--Zahirul55 (আলাপ) ০৭:২৭, ২২ মার্চ ২০১৪ (ইউটিসি)zahirul islamউত্তর দিন

নিবন্ধ যোগ এবং অপসারণ প্রসঙ্গে

[সম্পাদনা]

উইকিপিডিয়াতে একটি নিবন্ধ জমা দেয়ার পর, যখন কোনো প্রশাসক বা এ্যাডমিন সেই নিবন্ধটি অপসারণ করেন সেটা কতটা যৌক্তিক বিষয়?
১. যখন কোনো স্বেচ্ছাসেবক একটি নিবন্ধ লিখে উইকিতে যোগ করছে; যার জন্য তিনি কোনো পারিশ্রমিক নিচ্ছেন না, তিনি স্বেচ্ছায় উইকি বিশ্বপিডিয়াকে উন্নয়নের স্বার্থে তথ্য দিয়ে সাহায্য করছেন-- তার আর্টিকেলটি হুট করে একজন প্রশাসক পিডিয়ান সরিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু কেন সেটা করছেন?
২. যিনি স্বেচ্ছায় নিবন্ধ লিখে দিয়ে সহায়তা করছেন, তার দেয়া তথ্যটি যদি কোনো প্রশাসকের নিকট ভ্রান্ত মনে হয়, তিনি বড়জোর তথ্য দাবি করতে পারেন। কিন্তু নিবন্ধটি অপসারণে মাধ্যমে তিনি আসলে কি করতে চাইছেন? ওপেন একটি সোর্সে তথ্য যোগকারীকে নিরুৎসাহিত করছেন।
৩. বিনা পারিশ্রমিকে একটি কাজ করে দেয়ার পরও যদি সেটাকে অবমূল্যায়ন করা হয়, তাহলে নতুন নতুন উইকিপিডিয়ান যেমন বাড়বে না, তেমনি তথ্যেরও ঘাটতি থেকে যাবে। এটা আমরা সবাই জানি, কোনো একক ব্যক্তি সব তথ্য জানে না। অথচ বিনামূল্যে যে ব্যক্তিটি তথ্য দিয়ে উইকি-বিশ্বকে সহায়তা করতে চাইছে, তাকে ক্ষমতাবান প্রশাসকগণ বাধা দান করছেন!
৪. বিনা মূল্যে কাজও করব, অথচ স্বীকৃতির বদলে ঝাটাপেটা করা হবে, সেটা বোধহয় শোভন নয়। আর সেটা সেটা করার পর নিশ্চয়ই স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদানকারীর আগ্রহ হারাবে পিডিয়ায় তথ্য সংযোগের ব্যাপারে।

বিদ্র. যিনি বিনা মূল্যে তথ্য প্রদান করছেন উইকিপিডিয়ায়, তার কি এমন দায় পড়েছে বারবার তার নিবন্ধ সরিয়ে ফেলার পর পুনরায় লেখার। কেননা, এখানে তথ্য প্রদানকারীকে আমার জানামতে কোনো ধরনের আরথিক সুবিধা দেয়া হয় না। সুতরাং স্বেচ্ছাসেবার মানসে যিনি কাজ করেন, তিনি সাধারণত মিথ্যা তথ্য প্রদান করেন না। আর যদি করেনও সেজন্য, প্রশাসকগণ বিস্তর তথ্য দাবি করতে পারেন। তা না করে, নিবন্ধ সংযোগকারীর নিবন্ধটি উইকির পাতা থেকে অপসারণ করে দেয়া হয়।
আমি মনে করি, এ বিষয়টি স্বেচ্ছাসেবী এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যক্তিগণ বিবেচনা করবেন। এবং স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদানকারীকে এভাবে নিরুৎসাতি না করে যৌক্তিক পদ্ধতিকে নিবন্ধ যোগের ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করা। সেটা করা হলে, পিডিয়ায় তথ্য-সহায়তাকারীর সংখ্যা বাড়বে এবং সেই সাথে অধিকতর তথ্য যুক্ত হবে পিডিয়ার পাতায়। আশা করছি, এই প্রস্তাবনা উইকির প্রশাসক এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বিবেচনা করবেন। Drahfarid (আলাপ)

বিনা মূল্যে কাজও করব, অথচ স্বীকৃতির বদলে ঝাটাপেটা করা হবে, সেটা বোধহয় শোভন নয়। আর সেটা সেটা করার পর নিশ্চয়ই স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদানকারীর আগ্রহ হারাবে পিডিয়ায় তথ্য সংযোগের ব্যাপারে। অনেকের কাছে গ্রহসংযোগ্য হয় না! Erajhasan (আলাপ) ১৬:৫৪, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ (ইউটিসি)উত্তর দিন

@Erajhasan: আমাদের দেশে অনেক মানুষ আছে যারা এই বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে নেয় না, এবং কোন নিবন্ধে এমন দখা যায় নিজের উইকিপাঠ্যে নিজের নাম লিখে রেখে দেয় (আমি নিজে এমন নিবন্ধ পরিস্কার করেছি)। তাই আমি মনে করি এমন কিছু অংশ মুছে ফেলার জন্য কোন প্রকার আলাপের প্রয়োজন হয় না। তবে হ্যাঁ, যদি সেটি একটি ভালো নবন্ধ হয় অবশ্যি আলাপ পাতায় কথা বলা উচিত বলে আমি মনে করি। ইমন (আলাপ) ১৮:০৮, ১০ আগস্ট ২০১৯ (ইউটিসি)উত্তর দিন

কোন নিবন্ধ মুছে ফেলার পূর্বে পিডিয়ান এর সাথে আলাপ পাতার মাধ্যমে যোগাযোগ করে আরো তথ্য নেয়া উচিত Emon (আলাপ) ০৪:০৪, ২৬ জুলাই ২০১৯ (ইউটিসি)উত্তর দিন

Thanks Ridwan jr (আলাপ) ১৮:১৪, ২১ নভেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)উত্তর দিন

নিবন্ধ ফেরত পাওয়া প্রসঙ্গে

[সম্পাদনা]

নিবন্ধটি যেহেতু ইতিহাস নির্ভর আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। নিবন্ধটি ফেরত পাওয়ার আবেদন রইলো।

ধন্যবাদ Studentmovementfeni (আলাপ) ০৩:৫০, ২৫ জুলাই ২০২৫ (ইউটিসি)উত্তর দিন

সার্টিফিকেট পাওয়া নিয়ে

[সম্পাদনা]

ektu amake bolben je ami je registration korechi wiki shishuder valobase ekta campaign e otar digital certificate ekhono paini keno?ami 10ta sompadona korechi...even registration korar por o sompadona korechi Prititunna (আলাপ) ০৩:৫৫, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ (ইউটিসি)উত্তর দিন

Prititunna, দয়া উইকিপিডিয়া:উইকি শিশুদের ভালোবাসে ২০২৫ পাতায় "নিয়মাবলি" ভালো করে পড়ুন ও সেখানে যা লেখা আছে সেই অনুযায়ী করুন। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২২:১৪, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ (ইউটিসি)উত্তর দিন

মাইজগ্রাম ইতিহাস

[সম্পাদনা]

মাইজগ্রাম: ঐতিহ্য, শিক্ষা ও কৃতিমান মানুষের এক অনন্য জনপদ

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের অন্তর্গত মাইজগ্রাম একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত গ্রাম। প্রবীণদের মতে, "মাঝের গ্রাম" থেকেই ক্রমে "মাইজগ্রাম" নামের উৎপত্তি হয়েছে।

প্রকৃতির স্নিগ্ধতায় ঘেরা এই গ্রামটি আবহমানকাল ধরে একই বংশপরম্পরার মানুষের বসবাসে সমৃদ্ধ। বিশেষ করে সৈয়দ ও চৌধুরী বংশের লোকজনের সংখ্যা এখানে তুলনামূলক বেশি। শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের জন্য মাইজগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে জকিগঞ্জ অঞ্চলে বিশেষ সুনাম অর্জন করে আসছে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই শিক্ষিত, শান্তিপ্রিয় এবং অত্যন্ত মিশুক স্বভাবের।

মাইজগ্রামের ইতিহাসে অন্যতম উজ্জ্বল নাম হযরত সৈয়দ ইসহাক আলী (রহ.)। তিনি একজন খ্যাতিমান পীর হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত আছে, তাঁর মধ্যে অলৌকিক কিছু গুণাবলি ছিল। জনশ্রুতি অনুযায়ী, তিনি জীবিত থাকাকালে তাঁর গ্রামে কোনো ভয়াবহ দুর্যোগ সংঘটিত হয়নি। আরও প্রচলিত রয়েছে যে, জকিগঞ্জের আটগ্রাম এলাকায় একসময় বন্য হাতির ব্যাপক উপদ্রব ছিল। স্থানীয় মানুষের অনুরোধে তিনি সেখানে গিয়ে দোয়া করেন এবং এরপর থেকে হাতির উপদ্রব অনেকাংশে কমে যায়। যদিও এসব ঘটনা মূলত জনশ্রুতি ও লোকবিশ্বাসের অংশ।

মাইজগ্রাম বহু কৃতী ও গুণী মানুষের জন্মস্থান। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক অর্থসচিব খলিলুর রহমান চৌধুরী, রত্নগর্ভা মা রাজিয়া খাতুন চৌধুরী, কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম তাপাদার, প্রকৌশলী ইকবাল আহমদ তাপাদার, হযরত মাওলানা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান,মঈন উদ্দিন চৌধুরী (মৌওলা মিঞা),বারহালের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান এম এ লতিফ চৌধুরী, বিট্রিশ আন্দোলনের এক নির্যাতিত নেতা রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, তার ছেলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার থাকাকালীন সময় পূর্ব নিদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তার প্রচেষ্টায় স্হাপিত হয়।হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুল হাসান, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সাদ উদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ আজমল হোসেন, মুখলিছুর রহমান চৌধুরী, ফয়েজ উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা ইদ্রিস আলী চৌধুরী এবং কাস্টমস কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন চৌধুরী। উল্লেখ্য যে, জনাব মুখলিছুর রহমান চৌধুরী পূর্ব নিদনপুর গ্রামের একটি স্কুলের ভূমিদাতাও।

এ গ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক, প্রয়াত সালমান শাহ-এর পারিবারিক শিকড়ও। তাঁর পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মাইজগ্রামেরই কৃতিসন্তান।

প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রামের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত। শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং কৃতী মানুষের অবদানে মাইজগ্রাম আজও জকিগঞ্জ উপজেলার অন্যতম আদর্শ ও গৌরবময় গ্রাম হিসেবে পরিচিত।@ Salam gahtani (আলাপ) ১১:০৬, ৮ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন