আবুল কালাম মজুমদার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আবুল কালাম মজুমদার
Kamal mojundar.jpd.jpg
কুমিল্লা-৯ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৭৩ – ১৯৭৫
কাজের মেয়াদ
১৯৮৬ – —
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯৪৫-০৮-২৫)২৫ আগস্ট ১৯৪৫
কুমিল্লা, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু৩১ অক্টোবর ১৯৯৪(1994-10-31) (বয়স ৪৯)
হলি ফ্যামিলি হসপিটাল, ঢাকা
জাতীয়তাবাংলাদেশী
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
বাসস্থানকুমিল্লা, বাংলাদেশ
প্রাক্তন শিক্ষার্থীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশারাজনীতিবিদ
জীবিকাঅধ্যক্ষ
ধর্মমুসলিম

অধ্যক্ষ আবুল কালাম মজুমদার একজন বাংলাদেশী জাতীয় রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সমাজসেবক ও জাতীয় সংসদ সদস্য।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৪৫ সালের ২৫ আগস্ট কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার মেহেরকুল দৌলতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মিয়াজান মজুমদার ও মাতার নাম আতনেন নেছা মজুমদার। তিনি পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। পরিবারে সকলে ছোট বেলায় তাকে আবু বলে ডাকতো। পড়াশুনা শুরু করেন তার পিতা মিয়াজান মজুমদার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দৌলতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তারপর বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে প্রথমবিভাগে SSC পাশ করেন। তারপর ভর্তি হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। ১৯৬৪ সালে তিনি মেধা তালিকায় ১৪ তম স্থান অধিকার করে HSC পাশ করে। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতির উপর অনার্স মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

পড়াশুনা শেষ করে তিনি নজরোল একাডিমিতে (পিপুলিয়া) প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে রাজনীতির সাথে পুরপুরি মনোযোগ দেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকায় থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৩ সালে তিনি স্বেচ্ছা সেবক বাহিনির বৃহওর কুমিল্লা জেলার প্রধান ছিলেন। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৭৩ সালে এবং পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। সংসদে তার বক্তব্য তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেন। সেই সময় রাজপথে এবং সংসদে স্বৈরাচারি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি জাতীয় নেতায় পরিনত হন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি কুমিল্লা জেলা ১৫দলের আহ্বায়ক ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কার্য্যকরি পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাধারন সম্পাদক ছিলেন এবং লন্ডনে এক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সমবায় ফেডারেশনের কেন্দ্রিয় কমিটির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। লালমাই ডিগ্রী কলেজ, বাগমারা মহিলা কলেজ,বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয় সহ কুমিল্লা জেলায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেন। জীবনের শেষ সময় এসে আবুল কালাম মজুমদার মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার বীজ বপন করেন।[১][২]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৯৯৪ সালের ৩১ অক্টোবর তিনি দূরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]