আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি
আরবি: سعادة الشيخ عبدالله بن ناصر بن خليفة آل ثاني‎‎
Sheikh Abdullah bin Nasser bin Khalifa Al Thani.jpeg
কাতারের ৫ম প্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৬ জুন ২০১৩ – ২৮ জানুয়ারি ২০২০
সার্বভৌম শাসকতামিম বিন হামাদ
ডেপুটিআহমাদ বিন আব্দুল্লাহ
পূর্বসূরীহামাদ বিন জসিম
উত্তরসূরীখালিদ বিন খলিফা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৬ জুন ২০১৩ – ২৮ জানুয়ারি ২০২০
সার্বভৌম শাসকতামিম বিন হামাদ
পূর্বসূরীআবদুল্লাহ বিন খালিদ
উত্তরসূরীখালিদ বিন খলিফা
মিনিস্টার অফ স্টেট ফর ইন্টেরিয়র অ্যাফেয়ার্স
কাজের মেয়াদ
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ – ২৬ জুন ২০১৩
সার্বভৌম শাসকহামাদ বিন খলিফা
প্রধানমন্ত্রীহামাদ বিন জসিম
পূর্বসূরীপদ প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীপদ বিলুপ্ত
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৯৬০ (বয়স ৬১–৬২)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
দোহা, কাতার
রাজনৈতিক দলস্বতন্ত্র
প্রাক্তন শিক্ষার্থীডারহাম মিলিটারি কলেজ
বৈরুত আরব বিশ্ববিদ্যালয়

শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি (জন্ম ১৯৬০)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ( আরবি: عبد الله بن ناصر بن خليفة آل ثاني‎‎ ) একজন কাতারি রাজনীতিবিদ, যিনি ২৬ জুন ২০১৩ থেকে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি পদত্যাগ করা অবধি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। [১] ক্ষমতাসীন পরিবারের সদস্য হিসেবে, তিনি ২০০৫ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত মিনিস্টার অফ স্টেট ফর ইন্টেরিয়র অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

তিনি শেখ নাসের বিন খলিফা আল থানির পুত্র। তার মাতার নাম শেখ মারিয়াম বিনতে আবদুল্লাহ আল আত্তিয়াহ, যিনি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মারা যান।[২] রয়েল আর্ক ওয়েবসাইট অনুযায়ী, শেখ আবদুল্লাহ হলেন আহমেদ বিন মুহাম্মদ আল থানির (যিনি মোহাম্মদ বিন থানির পুত্র) নাতি[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]। আবদুল্লাহ, সাবেক আমীর হামাদ বিন খলিফার তৃতীয় চাচাতো ভাই।

শেখ আবদুল্লাহ যুক্তরাজ্যের ডারহাম মিলিটারি কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে পুলিশ বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।[৩][৪] ১৯৯৫ সালে তিনি বৈরুত আরব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।[৪][৫]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি, নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে, ৩ ডিসেম্বর ২০১৬।

আল থানি কাতারের সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন[৪] এবং ১৯৮৫ সালে রেসকিউ পুলিশ বিভাগে টহল কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন।[৬] ১৯৮৯ সালে তিনি রাজধানীর নিরাপত্তা বিভাগে স্টেডিয়ামসমূহের জন্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। তারপর তিনি জরুরী পুলিশ বিভাগে সাপোর্ট ব্রিগেডের সহকারী কমান্ডার হন। তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী বিভাগের স্পেশাল অপারেশন ব্রিগেডের কমান্ডার এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী বিভাগের বিশেষ ইউনিটের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০০১ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি অপারেশন অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী বিভাগের সহকারী পরিচালক মনোনীত হন। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হন।[৪]

সরকারের বিভিন্ন পদে কাজ করার পর, ২০০৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, তিনি মিনিস্টার অফ স্টেট ফর ইন্টেরিয়র অ্যাফেয়ার্স নিযুক্ত হন।[৪][৭] ২৬ জুন, ২০১৩ তারিখে মন্ত্রিসভার রদবদলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হামাদ বিন জসিম আল থানির স্থলাভিষিক্ত হন।[৮] একই সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও আবদুল্লাহ বিন খালিদ আল থানির স্থলাভিষিক্ত হন।[৯][১০] ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি তার মেয়াদ শেষ হয়।[১১]

তিনি ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ সুপ্রিম কমিটি ফর ডেলিভারি অ্যান্ড লিগেসি এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।[১২] বেশ কয়েকটি প্রচার মাধ্যম ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে হামাসের রাজনৈতিক নেতা ফাতি হামাদের সাথে তার সাক্ষাতের উল্লেখ করে তার সমালোচনা করে এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা ব্যক্ত করে।[১৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

আল থানি বিবাহিত এবং তার ছয়টি সন্তান রয়েছে।[৫][১৪]

উপাধি, খেতাব এবং সম্মাননা[সম্পাদনা]

উপাধি এবং খেতাব[সম্পাদনা]

  • শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি (১৯৬৫ – ১৯৮৯)
  • মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি (২০০৫–)

সম্মাননা[সম্পাদনা]

আল থানি ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর লেজিওঁ দনর পুরস্কার প্রাপ্ত হন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।[১৪]

পূর্বপুরুষ[সম্পাদনা]

আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি-এর পূর্বপুরুষ
১৬. মোহাম্মদ বিন থানি
৮. আহমেদ বিন মোহাম্মদ
৪. খলিফা বিন আহমেদ
২. নাসের বিন খলিফা
১. শেখ আব্দুল্লাহ বিন নাসের

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Qatari Emir accepts the resignation of the Prime Minister and appoints successor"Up News Info। ২৮ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  2. "PM Imran Khan condoles demise of Qatar PM's mother"The Regional Times of Sindh। Karachi। ৮ ডিসেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  3. Rod Nordland (২৭ জুন ২০১৩)। "Qatar's Emir Names New Cabinet and Premier"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৩ 
  4. Mirza Al Khuwaylidi (১৬ জুলাই ২০১৩)। "Qatar's new prime minister reports for duty"Asharq Alawsat। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৩ 
  5. "Qatar's new prime minister appointed"Anadolu Agency। ২৭ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  6. Habib Toumi (২৬ জুন ২০১৩)। "Profile: Qatar prime minister Sheikh Abdullah bin Nasser Al Thani"Gulf News। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৩ 
  7. Attwood, Ed (৩০ জুন ২০১৩)। "Introducing Qatar's new Emir"Arabian Business। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৩ 
  8. "Qatar PM replaced in cabinet reshuffle"Albawaba। ২৬ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৩ 
  9. Tuttle, Robert (২৬ জুন ২০১৩)। "Qatar's Emir Tamim Forms Cabinet Lead by Bin Nasser"Bloomberg। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৩ 
  10. "Qatar's new PM Shaikh Abdullah bin Nasser Al Thani"Khaleej Times। AFP। ২৭ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৩ 
  11. "Former Qatari prime minister resigned after clashing with emir"The Arab Weekly। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২০ 
  12. "SUPREME COMMITTEE FOR DELIVERY & LEGACY HOLDS 5TH EXECUTIVE MEETING"QFA। ৬ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  13. "UK extremists linked to Qatar World Cup bid"। ২ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  14. "Sheikh Abdullah bin Nasser bin Khalifa Al Thani"Ministry of Interior। ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৩ 
রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
হামাদ বিন জসিম
কাতারের প্রধানমন্ত্রী
২০১৩-২০২০
উত্তরসূরী
খালিদ বিন খলিফা