আন্দালিব রহমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আন্দালিব রহমান পার্থ
সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২০০৪ – চলমান
পূর্বসূরীনাজিউর রহমান মঞ্জু
ভোলা-১ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০৮ – ২০১৪
পূর্বসূরীমোশারেফ হোসেন শাহজাহান
উত্তরসূরীতোফায়েল আহমেদ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1974-04-20) ২০ এপ্রিল ১৯৭৪ (বয়স ৪৬)
ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশি
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয় পার্টি - বিজেপি
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
চার দলীয় জোট
দাম্পত্য সঙ্গীশেখ শায়রা রহমান
সম্পর্কশেখ-ওয়াজেদ পরিবার দেখুন
সন্তান৩ জন
পিতামাতানাজিউর রহমান মঞ্জু (পিতা)
শেখ রেবা রহমান (মাতা)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীলন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়
লিঙ্কনস ইন
পেশাআইনজীবী ও রাজনীতিবিদ

আন্দালিব রহমান পার্থ (জন্ম: ২০ এপ্রিল ১৯৭৪) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবি ও সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি, ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য[১] এবং ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ স্কুল অব ল এর অধ্যক্ষ।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

রহমানের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তার মা শেখ রেবা রহমান বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের ভাইঝি ও শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বোন।[২] নাজিউর রহমান মঞ্জুর একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আন্দালিব এলএলবি করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার আগে প্রথমে সেন্ট জোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৯৭ সালে লিংকনস ইন থেকে বার পরীক্ষায় পাস করেন। এরপর দেশে ফিরে আসেন এবং ব্যারিস্টার রফিকুল হকের তত্ত্বাবধানে একজন শিক্ষানবিশ হিসেবে যোগদান করেন এবং ৩ বছর তার সাথে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন এবং ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ স্কুল অব ল এর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন।[৩]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০০ সাল থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।[৪] তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন।[৫] তিনি ঢাকা-১৭ ও ভোলা-১ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Constituency 115"www.parliament.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১২-২৩ 
  2. "আত্মীয়তার বন্ধনে বাংলাদেশের রাজনীতি!"www.poriborton.com। ২০১৮-০৭-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১২-২৩ 
  3. "BSL - BSL Team Administration"bslbd.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১২-২৩ 
  4. "৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন" (PDF)বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ২৮ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১৮ 
  5. "ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১২-২৩