আউগসবুর্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আউগসবুর্গ
Augsburg - Markt.jpg
Maximilianmuseum.jpg
Gasse in der Fuggerei, Augsburg.JPG
Der Hohe Dom zu AugsburgDSC 2136.jpg
উপর থেকে: Perlachturm (বামে) এবং আউগসবুর্গের টাউন হলঘর(ডানে)
ম্যাক্সিমিলিয়ান যাদুঘর, Fuggerei এবং আউগসবুর্গ ক্যাথিড্রাল
আউগসবুর্গের সিটি হলঘর
আউগসবুর্গ পতাকা
পতাকা
আউগসবুর্গ প্রতীক
প্রতীক
আউগসবুর্গ জার্মানি-এ অবস্থিত
আউগসবুর্গ
আউগসবুর্গ
স্থানাঙ্ক: ৪৮°২২′০″ উত্তর ১০°৫৪′০″ পূর্ব / ৪৮.৩৬৬৬৭° উত্তর ১০.৯০০০০° পূর্ব / 48.36667; 10.90000স্থানাঙ্ক: ৪৮°২২′০″ উত্তর ১০°৫৪′০″ পূর্ব / ৪৮.৩৬৬৬৭° উত্তর ১০.৯০০০০° পূর্ব / 48.36667; 10.90000
দেশ জার্মানি
প্রদেশBavaria
প্রশাসনিক অঞ্চলশ্‌ভাবেন
জেলাক্রাইসফ্রাইয়ে ষ্টাট
সরকার
 • ওবারবুর্গারমাইস্টারকুর্ট গ্রিব্‌ল
আয়তন
 • মোট১৪৬.৯৩ বর্গকিমি (৫৬.৭৩ বর্গমাইল)
উচ্চতা৪৪৬-৫৬১ মিটার (−১,৩৯৫ ফুট)
জনসংখ্যা (2009-01-01)
 • মোট২,৬৩,৩১৩
 • জনঘনত্ব১,৮০০/বর্গকিমি (৪,৬০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলসিইটি/সিইডিটি (ইউটিসি+১/+২)
ডাক কোড৮৬১৫০–৮৬১৯৯
ফোন কোড০৮২১
যানবাহন নিবন্ধন
আউগসবুর্গের মিশ্র সাম্রাজ্যর শহর

১২৭৬–১৮০৩
আউগসবুর্গের Coat of arms of Augsburg before 1985
Coat of arms of Augsburg
before 1985
অবস্থাশহর
রাজধানীAugsburg
সরকারগণতন্ত্র
ঐতিহাসিক যুগমধ্যযুগ
• বিসহোপ্রিক স্থাপিত
৪র্থ শতাব্দী

প্রায় ৮৮৮ ১২৭৬
• শহর লাভ
    Reichsfreiheit

১২৭৬

১৫৩০

১৫৩৭
• আউগসবুর্গের শান্তি
১৫৫৫
১৬৩২–৩৫ ১৮০৩
১৮০৩
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
Prince-Bishopric of Augsburg
Kingdom of Bavaria

আউগসবুর্গ (ইউকে: /ˈɡzbɜːrɡ/ OWGZ-burg,[১] ইউএস: /ˈɔːɡz-/ AWGZ--,[২] জার্মান: [ˈʔaʊksbʊʁk] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন); অস্ট্র-বাভারিয়ান: Augschburg) জার্মানির বায়ার্ন বা বাভারিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন শহর। আড়াই লক্ষেরও বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট আউগসবুর্গ বায়ার্নের ৩য় বৃহত্তম শহর। কেবল মিউনিখ ও নুরেমবুর্গ এর চেয়ে বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট। [৩] ১৯০৬ সালে এটি গ্রোসষ্টাট (Großstadt) বা বড় শহরের মর্যাদা পায়। শহরটি ভেরটাখ ও লেখ নদীর তীরে অবস্থিত একটি শিল্পকেন্দ্র। এটি মিউনিখ শহরের ৫২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। ২০১৯ সালে ইউনেস্কো আউগসবুর্গের পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। [৪]

খ্রিস্টপূর্ব ১৫ অব্দে রোমান সম্রাট আউগুস্তুস শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন, তার নাম থেকেই শহরের নাম আউগসবুর্গ হয়েছে। আউগুস্তুস শহরটির নাম দিয়েছিলেন আউগুস্তা ভিন্দেলিকোরুম (Augusta Vindelicorum.)। এটি ট্রিয়ার শহরের পরে জার্মানির ২য় প্রাচীনতম শহর। ১২৭৬ সালে শহরটি একটি স্বাধীন শহরে পরিণত হয়। এখানে ১৫শ ও ১৬শ শতকে ক্ষমতাধর ফুগার ও ভেলসার পরিবার বাস করতেন। এসময় আউগসবুর্গ ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থবাজারে (money market) পরিণত হয়। এখানে প্রায় আরাই হাজারের মত ক্ষুদ্রশিল্পকারখানাতে লিনেন ও লিনেন-সদৃশ ফুস্টিয়ান কাপড় তৈরি ও রপ্তানি করা হত। শহরটি শিল্পকলার জন্যও বিখ্যাত ছিল।

আউগসবুর্গে উৎপাদিত দ্রব্যের মধ্যে আছে টেক্সটাইল, যন্ত্রপাতি, মোটরযান এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদি। এখানে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত আউগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত।

দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে সাধু উলরিশ ও সাধু আফ্রা-র গির্জা, ১৭শ শতকে নির্মিত টাউনহল, যাতে জমকালো সোনালী হলটিও অন্তর্ভুক্ত; সেন্ট ম্যারির ক্যাথিড্রাল, যার বেদীতে শিল্পী হান্স হলবাইনের শিল্পকর্ম ও বিশ্বের প্রাচীনতম রঙিন কাচের কাজ দেখতে পাওয়া যায়; শেৎসলার প্রাসাদ, যাতে জার্মান শিল্পীদের অনেকগুলি গ্যালারি আছে; এবং মোৎসার্ট জাদুঘর, যা ছিল ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্টের বাবা লেওপোল্ড মোৎসার্টের জন্মস্থল। আউগসবুর্গে জন্ম নেওয়া অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন চিত্রশিল্পী হান্স বুর্কমাইর, প্রকৌশলী রুডল্‌ফ ডিজেল, বিমান নকশাকারক ও নির্মাতা ভিল্লি মেসারশ্মিট এবং নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেশ্‌ট

পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা আউগসবুর্গে অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিশ বছরের যুদ্ধে (১৬১৮-১৬৪৮) শহরটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮০৬ সালে শহরটি বায়ার্নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মেসারশ্মিট কারখানা ও মেশিন কারখানার উপর মিত্রশক্তি গোলাবর্ষণ করলে শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Augsburg"লেক্সিকো ইউকে ডিকশনারি (ইংরেজি ভাষায়)। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৯ 
  2. "Augsburg"মেরিয়াম-ওয়েবস্টের ডিকশনারি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৯ 
  3. "Und-wieder-5000-Menschen-mehr-Augsburg-waechst-und-waechst"। www.augsburger-allgemeine.de। ২০১৫-০২-১৭। 
  4. ""Great honor": Augsburg water management system recognized as a World Heritage"tellerreport.com। ৬ জুলাই ২০১৯। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]