অ্যাকনড্রাইট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

অ্যাকনড্রাইটকে বাংলায় পাথুরে উল্কা বলে অভিহিত করা হয়। এটি এমন ধরনের উল্কাকে নির্দেশ করে যারা কোন গ্রহ বা গ্রহাণু থেকে জন্মলাভ করেছে। জাগতিক কৃষ্ণশিলা এবং প্লুটোনীয় শিলা দ্বারা এর মূলভাগ গঠিত হয়। কনড্রাইটের সাথে তুলনা করলে দেখা যায় এগুলো উল্কার মূলদেহের মধ্যে বা তার উপরেই ক্ষুদ্র বা মাঝেমধ্যে বৃহৎ পরিসরে বিশেষ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারে ছিন্নায়িত এবং প্রক্রিয়াজাত। এর কারণ হিসেবে গলন এবং পুনঃকেলাসায়নকে দায়ী করা হয়। এর ফলশ্রুতিতে অ্যাকনড্রাইটের অনন্য এক ধরনের বিন্যাস এবং খনিজ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আগ্নেয় পদ্ধতিকে সুস্পষ্টভাবেই নির্দেশ করে।

প্রাচুর্য[সম্পাদনা]

শতকরা প্রায় আট ভাগ উল্কাকে অ্যাকনড্রাইট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশই হল এইচইডি উল্কা যারা ৪ ভেস্তা নামক গ্রহাণুর শক্ত উপরিভাগ থেকে উৎপত্তি লাভ করে। অ্যাকনড্রাইটের মাধ্যমে ব্যখা করা যায় এমন অন্যান্য ধরনের কিছু ইল্কার মধ্যে রয়েছে মঙ্গল গ্রহ এবং চন্দ্রের উল্কাসমূহ যারা অচিহ্নিত কিছু উল্কা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। কোন গ্রহাণু থেকে এরা উৎপত্তি লাভ করেছে তার ভিত্তিতে এদেরকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণীবিভাগ উৎপাদক গ্রহাণুস্থিত Fe এবং Mn এর পরিমাণের অণুপাত এবং অক্সিজেনের ১৭ ও ১৮ ভরসংখ্যাবিশিষ্ট আইসোটোপসমূহের পরিমাণের অণুপাতের উপর নির্ভর করে।

শ্রেণীবিভাগ[সম্পাদনা]

অ্যাকনড্রাইটসমূহকে নিম্নোক্ত শ্রেণীসমূহে ভাগ করা হয়:

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]