অনিলকুমার দাস
এই নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা প্রয়োজন। এই নিবন্ধটি ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়েছে। নিবন্ধটি যদি ইংরেজি ভাষার ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়ে থাকে তবে, অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি ঐ নির্দিষ্ট ভাষার উইকিপিডিয়াতে তৈরি করুন। অন্যান্য ভাষার উইকিপিডিয়ার তালিকা দেখুন এখানে। এই নিবন্ধটি পড়ার জন্য আপনি গুগল অনুবাদ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম দ্বারা অনুবাদকৃত লেখা উইকিপিডিয়াতে সংযোজন করবেন না, কারণ সাধারণত এই সরঞ্জামগুলোর অনুবাদ মানসম্পন্ন হয় না। |
অনিলকুমার দাস | |
|---|---|
অধ্যাপক অনিলকুমার দাস | |
| জন্ম | ১ ফেব্রুয়ারি ১৯০২ |
| মৃত্যু | ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১ (বয়স ৫৯) |
| মাতৃশিক্ষায়তন |
|
| পরিচিতির কারণ |
|
| পুরস্কার |
|
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ |
|
| উচ্চশিক্ষায়তনিক উপদেষ্টা | |
| স্বাক্ষর | |
অনিলকুমার দাস এফআরএস, এফএনআই (১ ফেব্রুয়ারি ১৯০২ - ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১) ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি জ্যোতির্বিজ্ঞানী। আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক বর্ষে (১ জুলাই ১৯৫৭ হতে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৮) মাদ্রিদ ও ম্যানিলাস্থিত মানমন্দিরগুলির সাথে দক্ষিণ ভারতের কোড়াইকানাল সৌর মানমন্দির সৌর প্রভাব নিরীক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে অন্যতম অধিকর্তা হিসাবে তিনি ১২ মিটার ব্যাসের সোলার টানেল টেলিস্কোপ স্থাপন করেন এবং তিনিই প্রথম এর সাহায্যে সূর্যের পৃষ্ঠদেশ তথা কাঠামো ও গতিসম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধানে (helioseismology) সক্ষম হন।[১] চন্দ্র পৃষ্ঠের দূরবর্তী এক গর্ত তথা ক্রেটারের নামকরণ তার পদবী অনুসারে দাস গহ্বর রাখা হয়।
জীবনী
[সম্পাদনা]
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও এম.এসসি পাশের পর প্যারিসের সর্বণে চার্লস ফ্যাব্রি'র সাথে স্পেকট্রোস্কোফি তথা বর্ণালি সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণা করেন। ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করার পর জার্মানির গটিনজেনে ইনস্টিটিউট অব থিওরেটিকাল ফিজিক্সে নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স বর্নের সাথে এবং পরবর্তীকালে জিওফিসিকালিস্চ ইনস্টিটিউটে গুস্তাভ অজেনহিস্টারের সাথে এবং কেমব্রিজের সোলার ফিজিক্স অবজারভেটরিতে অল্প সময়ের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি এরপর ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের আবহাওয়া বিভাগে যোগ দেন। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে কোডাইকানাল সৌর মানমন্দিরে প্রথমে সহকারী অধিকর্তা ও পরে অধিকর্তার পদে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহণ করেন।[২][৩]
বৈজ্ঞানিক অবদান
[সম্পাদনা]সৌর পদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রে মূলতঃ spectrophotometric অধ্যয়ন Sunspots এবং বর্ণমণ্ডলে তার বেশিরভাগ অবদান ছিল। তিনি কোডাইকানাল অবজারভেটরিতে সরঞ্জামগুলির উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখেন এবং অসংখ্য তরুণ গবেষকের উন্নতির জন্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন।[২]
পুরস্কার এবং সম্মান
[সম্পাদনা]- রয়্যাল অ্যাষ্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির ফেলো (১৯৩৫)
- ভারতের জাতীয় বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ফেলো (১৯৪৩)
- আইএইউ তথা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন দ্বারা চন্দ্রপৃষ্ঠের এক গর্তের তথা লুনার ক্রেটারের নামকরণ হয় তার নামে - 'দাস'
- ভারত সরকারের বেসামরিক সম্মান - পদ্মশ্রী[৩] (১৯৬০)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Bappu, M.K.V. (জুন ২০০০)। "The Kodaikanal Observatory - A Historical Account"। Indian Academy of Sciences: ১০৫। ডিওআই:10.1007/bf02702374।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - 1 2 Mitra, S.N. (জুলাই ১৯৬১)। "Obituary: Dr. A.K. Das (1902-1961)" (পিডিএফ): ১–৬।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - 1 2 Bappu, M.K.V (মার্চ ১৯৬১)। "Obituary notices: Anil Kumar Das" (পিডিএফ): ২৭৮–২৭৯।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)