বর্ণান্ধতা
বর্ণান্ধতা বা বর্ণান্ধত্ব বা বর্ণবৈকল্য[১] (ইংরেজি: Color Blindness) হলো মানুষের, কতিপয় রঙ দেখার বা সনাক্ত করার অক্ষমতাজনিত এক প্রকার শারীরিক বৈকল্য।
[সম্পাদনা] কারণ ও বিবরণ
মানুষের চোখের ভিতরের রেটিনায় কোনস নামের এক প্রকারের কোষ রয়েছে, এবং কোনস তিন ধরণের। আর এই তিন ধরণের কোনস লাল (R), সবুজ (G) ও নীল (B) -এই তিনটি মৌলিক রং সনাক্ত করতে পারে। চোখের রেটিনায় এই কোনসের ত্রুটিই হলো বর্ণান্ধতার মূল কারণ। কোনো ব্যক্তির সবগুলো কোনসই যদি ত্রুটিযুক্ত হয়, তাহলে তিনি সব রংকেই ধুসর দেখেন। বর্ণান্ধতা জন্মগত কিংবা অর্জিতও হতে পারে। জন্মগত বর্ণান্ধতার কারণে লাল ও সবুজ রঙয়েই বেশি সমস্যা হয়, আর অর্জিত বর্ণান্ধতার কারণে নীল ও হলুদ রঙ সনাক্ত করতে সমস্যা হয়।[১] বর্ণান্ধতা এমনই মারাত্মক হয় যে, কোনো ব্যক্তি লাল রঙের রক্ত দেখলেও তা যে রক্ত, তা সনাক্ত করতে পারে না।[২]
বর্ণান্ধতা যদি কৈশরেই নির্ণয় করা যায়, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে তা সুস্থ করা সম্ভব হয়। জাপানে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের সময় ছাত্রছাত্রীদের বর্ণদৃষ্টি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।[১]
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ "বর্ণান্ধতা:কৈশরেই নির্ণয় প্রয়োজন", ডা. মো: শফিকুল ইসলাম; দৈনিক প্রথম আলো, স্বাস্থ্য কুশল; ১ মে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ। পরিদর্শনের তারিখ: ১ মে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ।
- ↑ "চোখ আলো ও রঙ", মুহম্মদ জাফর ইকবাল; একটুখানি বিজ্ঞান, ফেব্রুয়ারি ২০০৭; কাকলী প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ৮৩; ISBN 984-437-352-2। পরিদর্শনের তারিখ: ২৬ মার্চ ২০১১ খ্রিস্টাব্দ।