প্রাক-সক্রেতীয় দর্শন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

প্রাক-সক্রেতীয় দর্শন বলতে সক্রেটিসের পূর্বে জন্মগ্রহণকারী দার্শনিকদের দর্শনকে বোঝায়। প্রাক-সক্রেটীয় শব্দটি অবশ্য অনেক পরে ব্যবহৃত হয়েছে। ১৯০৩ সালে প্রকাশিত Die Fragmente der Vorsokratiker (The Fragments of the Pre-Socratics) গ্রন্থে প্রথমবারের মত "প্রাক-সক্রেটীয়" শব্দটির উল্লেখ পাওয়া যায়। এই বইয়ের লেখক হলেন Hermann Alexander Diels।

সক্রেটিসের পূর্বে বিখ্যাত দার্শনিকদের সবাই গুরুত্বপূর্ণ সব বই লিখে গেছেন। কিন্তু তাদের কোন রচনাই অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এ কারণে, তাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য অনেক সময়ই অজানা রয়ে গেছে। তাদের সম্পর্কে আমরা জানতে পেরেছি পরবর্তী দার্শনিকদের ভাষ্য থেকে। এদের অনেকেই অবশ্য প্রাক-সক্রেটীয়দের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরেছেন।

প্রাক-সক্রেটীয় দার্শনিকেরা প্রথাগত পৌরাণিক ব্যাখ্যাগুলো প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রকৃতির ঘটনাগুলো ব্যাখ্যার জন্যই আদিম যুগের মানুষেরা পুরাণের জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু এই দার্শনিকরা সেগুলো নিজের বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তারা সবাইকে প্রশ্ন করেছিলেন:

  • সবকিছু কোথা একে এলো?
  • সবকিছু কি থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
  • প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল জিনিসের বহুবচনের ব্যাখ্যা কি?
  • প্রকৃতিতে গাণিতিকভাবে কিভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?

এ ধরনের প্রশ্ন করার পাশাপাশি তারা অনেকগুলো মৌলিক সমস্যা এবং হেঁয়ালি নিয়ে চিন্তা করেছেন। এই চিন্তাধারাগুলোই পরবর্তী যুগের গণিত, বিজ্ঞানদর্শনের ভিত রচনা করে দিয়ে গেছে। সন্দেহ নেই, তাদের বিশ্বতাত্ত্বিক চিন্তাধারায় গলদ ছিল যেগুলো পরবর্তীকালে সংশোধিত হয়েছে। কিন্তু, সার্বিক বিচারে সে যুগের দর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাক-সক্রেতীয় দার্শনিকবৃন্দ[সম্পাদনা]

সে যুগের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]