পেঁপে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পেঁপে
কাঁচা পেঁপে গাছে ধরে আছে
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Rosids
বর্গ: Brassicales
পরিবার: Caricaceae
গণ: Carica
প্রজাতি: C. papaya
দ্বিপদী নাম
Carica papaya
L.

প্রচলিত নাম :পেঁপে। ইউনানী নাম:পাপিতা, আরানড খরবূযা। আয়ুর্বেদিক নাম:অমৃততুম্বী। একটি সব্জি। (Carica papaya) যা সারাবছর পাওয়া যায়।

পরিচিতি[সম্পাদনা]

এটি একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বো‍টাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাচাঁ ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাঁচা পাকা দু ভাবেই খাওয়া যায়, তরে কাঁচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাঁচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারন করে।

১০০ গ্রাম পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ[সম্পাদনা]

উপাদান পরিমাণ
প্রোটিন ০.৬ গ্রাম
ফ্যাট ০.১ গ্রাম
মিনারেল ০.৫ গ্রাম
ফাইবার ০.৮ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেড ৭.২ গ্রাম
খাদ্যশক্তি ৩২ কিলোক্যালরি
ভিটামিন সি ৫৭ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম ৬.০ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম
আয়রন ০.৫ মিলিগ্রাম

[১]

প্রাপ্তিস্থান[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের সর্বত্রই সবজি এবং ফলের জন্য চাষ করা হয়।

রাসায়নিক উপাদান[সম্পাদনা]

পাতা ও অপক্ক ফল তরুক্ষীর সমৃদ্ধ। এই তরুক্ষীর প্রচুর পরিমাণের হজমকারী এনজাইম পেপেন বিদ্যমান। পাতায় অ্যালকালয়েড, গ্লুকোসাইড এবং ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আছে।

ব্যবহার্য অংশ[সম্পাদনা]

তরুক্ষীর, পাতা, ফল ও বীজ

গুনাগুন[সম্পাদনা]

রক্ত কাসে, রক্তার্শে, মূত্রনালীর ক্ষতে, দাদ ও সোরিয়াসিস-এ, কোষ্ঠকাঠিণ্যে এবং কৃমিতে হিতকর। পাকা পেঁপে অর্শরোগ ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে হিতকর।

বিশেষ কার্যকারিতা[সম্পাদনা]

রক্তার্শে, কৃমিতে, একজিমায়, দাদে কার্যকরী

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]