নিস
|
নিস |
||
|
নীতিবাক্য: Nicæa civitas. |
||
|
|
||
| পতাকা | প্রতীক | |
| প্রশাসন | ||
|---|---|---|
| দেশ | ||
| অঞ্চল | ||
| বিভাগ | Alpes-Maritimes | |
| জেলা | নিস | |
| Intercommunality | নিস-কোত্ দাজ্যুর | |
| মেয়র | Christian Estrosi (২০০৮–১৪) |
|
| পরিসংখ্যান | ||
| ভূমি এলাকা1 | ৭১.৯২ km2 (২৭.৭৭ বর্গ মাইল) | |
| জনসংখ্যা২ | ৩৪৪৮৭৫ (২০০৮) | |
| - স্থান | ফ্রান্সে ৫ম | |
| - ঘনত্ব | ৪,৭৯৫ বর্গকিলোমিটার (১২,৪২০ /sq mi) | |
| ১ ফ্রান্সের ভূমি রেজিস্টার তথ্য, যার ভেতর হ্রদ, পুকুর, হিমবাহ > ১ বর্গকি.মি. (০.৩৮৬ বর্গ মাইল বা ২৪৭ একর) এবং নদীর মোহনা অন্তর্ভূক্ত নয়। | ||
| ২ দ্বিগুণ গণন জনসংখ্যা ছাড়া: একাধিক কমুনসমূহের বাসিন্দাদের (উদাহরণস্বরূপ, ছাত্র ও সামরিক ব্যক্তিরা) শুধুমাত্র একবার ধরা হয়েছে। | ||
স্থানাঙ্ক: 43°42′12″N 7°15′59″E / 43.7034°উ 7.2663°পূ
নিস (ইংরেজি: Nice); হচ্ছে ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত একটি শহর। এর অবস্থান ভূমধ্যসাগরের উপকূলে, ফ্রান্সের মার্সেইলি শহর ও ইতালির জেনোয়া শহরের মধ্যবর্তী স্থানে। ২০০৬ সালে হিসাব অনুযায়ী এখানকার বসবাসকৃত মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার (প্রায়)। এই শহরটি ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরার একটি অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। ঐতিহাসিকভাবে এটি কান্ট্রি অফ নিস (Comté de Nice)-এর রাজধানী।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
ভিত্তি [সম্পাদনা]
নিসে মানুষের পদার্পণ প্রায় চার লক্ষ বছর আগে বলে ধারণা করা হয়।[১] টিয়েরা আমাতা' নামক প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলে প্রাপ্ত আগুন এবং ঘরবাড়ির যে নির্মাণ কাঠামো দেখা গেছে, তা প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার পূর্বের বলে অনুমান করা হয়।[২] নিসের (নিসেইয়া) গোড়াপত্তন সম্ভবত মাসেইলা অঞ্চলে বসবাসকারী গ্রিকদের দ্বারা, এবং তখন তার নাম দেওয়া হয়েছিলো নিকাইয়া (Νικαία বা "Nikaia")। প্রতিবেশী লিগুরিয়ানস নাইকদের সাথে বিজয়কে উপলক্ষ করে এই নাম দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই নাইক হচ্ছে গ্রিক পুরাণে বিজয়ের দেবী। এরপর শীঘ্রই এই শহর লিগুরিয়ান উপকূলের সবচেয়ে ব্যস্তময় বন্দর হয়ে ওঠে। অপরদিকে এর একটি অন্যতম বিদ্রোহী শহর ছিলো সিমেনেলাম, যা ছিলো রোমানদের করায়ত্ব। লমবার্ডদের আগমনের আগ পর্যন্ত সিমেনেলাম একটি আলাদা শহর হিসেবেই পরিচালিত হতো। সিমেনেলাম ধ্বংস হয় সিমিয়েজ শহরে, যা আস নিসেরই একটি জেলা।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ "Le Nouveau venu" (in French)। Musée de Paléontologie Humaine de Terra Amata। http://www.musee-terra-amata.org/francais/prehistoire/origine4.htm। সংগৃহীত 2009-03-05।
- ↑ A. G. Wintle; M. J: Aitken (July 1997)। "Thermoluminescence dating of burnt flint: application to a Lower Paleolithic site, Terra Amata"। Archaeometry 19 (2): 111-130। ডিওআই:10.1111/j.1475-4754.1977.tb00189.x। http://www.bcin.ca/Interface/openbcin.cgi?submit=submit&Chinkey=51437।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Official website (ফরাসি)
- নিস - উন্মুক্ত নির্দেশিকা প্রকল্প