পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম
COLLECTIE TROPENMUSEUM Rivierschildpad (Trionyx cartilagineus) die alleen op de oever komt om eieren te leggen TMnr 10006462.jpg
সংরক্ষণ অবস্থা
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Animalia
পর্ব: Chordata
উপ-পর্ব: Vertebrata
শ্রেণী: Reptilia
বর্গ: Testudines
পরিবার: Trionychidae
গণ: Amyda
প্রজাতি: A. cartilaginea
দ্বিপদী নাম
Amyda cartilaginea
(Boddaert, 1770)
প্রতিশব্দ[২]
  • Testudo cartilaginea Boddaert, 1770
  • Testudo membranacea Blumenbach, 1779
  • Testudo boddaerti Schneider, 1787
  • Testudo bodderti Schneider, 1787 (ex errore)
  • Amyda javanica Schweigger, 1809 (nomen nudum)
  • Trionyx javanicus Geoffroy Saint-Hilaire, 1809
  • Trionyx stellatus Geoffroy Saint-Hilaire, 1810(nomen novum)
  • Aspidonectes javanicus Wagler, 1830
  • Gymnopus javanicus A.M.C. Duméril & Bibron, 1835
  • Gymnopus cartilaginea Cantor, 1847
  • Trionyx cariniferus Gray, 1856
  • Trionyx ornatus Gray, 1861
  • Aspilus cariniferus Gray, 1864
  • Aspilus ornatus Gray, 1864
  • Aspilus punctulatus Gray, 1864
  • Potamochelys stellatus Gray, 1864
  • Trionyx phayrei Theobald, 1868
  • Trionyx jeudi Gray, 1869
  • Aspilus javanicus Gray, 1873
  • Ida ornata Gray, 1873
  • Trionyx ephippium Theobald, 1875
  • Trionyx cartilagineus Boulenger, 1889
  • Trionyx phayrii Boulenger, 1889 (ex errore)
  • Aspidonectes cartilagineus Baur, 1893
  • Aspidonectes phayrei Baur, 1893
  • Potamochelys cartilagineus O.P. Hay, 1904
  • Potamochelys javanicus O.P. Hay, 1904
  • Amyda cartilaginea Barbour, 1912
  • Amyda phayrii Barbour, 1912
  • Trionyx boddaertii Bourret, 1941 (ex errore)
  • Trionyx carinifera Bourret, 1941
  • Trionyx cartilagneus Thelwall, 1971 (ex errore)
  • Testudo boddaerta Auffenberg, 1974 (ex errore)
  • Trionyx cartilaginosis Auffenberg, 1974 (ex errore)
  • Trionyx cartilaginosus Auffenberg, 1974 (ex errore)
  • Tryonyx cartilageneus Nutaphand, 1979 (ex errore)
  • Trionyx cartilageneus Nutaphand, 1979
  • Trionyx cartlageneus Nutaphand, 1979 (ex errore)
  • Trionyx nakornsrithammarajensis Nutaphand, 1979
  • Trionyx cartilaginous Chkhikvadze, 1987 (ex errore)
  • Amyda nakornsrithammarajensis Ernst & Barbour, 1989
  • Amyda nakornsrithammarajensis Stubbs, 1989
  • Trionyx cartilageneus nakorn Nutaphand, 1990
  • Trionyx cartilageneus cartilageneus Nutaphand, 1990
  • Amyda cartilaginae Nöllert, 1992 (ex errore)
  • Trionyx cartilagineus nakorn Obst, 1996
  • Trionix cartilagineus Richard, 1999

পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Amyda cartilaginea) Trionychidae (ট্রায়োনিকিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Amyda (অ্যামিডা) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির নরম খোলের মাঝারি আকারের কাছিম। এর ইংরেজি নাম Asiatic Softshell Turtle। ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে পিটের বোদ্যারত এ প্রজাতির প্রথম বৈজ্ঞানিক নামকরণ করেন Testudo cartilaginea। স্বভাবে এটি নিশাচর[৩] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই আশঙ্কাজনক হারে কমছে। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে সংকটাপন্ন বলে ঘোষণা করেছে।[১]

বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম ভারতের মিজোরামমায়ানমার থেকে শুরু করে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া (সুমাত্রা, জাভাবোর্নিও), সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই পর্যন্ত বিস্তৃত।[১][৩] ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রেমাক্রি খালে প্রথমবারের মত এটির সন্ধান পাওয়া যায়।[৪]

Amyda cartilaginea (Trionyx cartilagineus), সেন্ট পিটার্সবার্গ জাদুঘর

বিবরণ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের মিঠাপানিজাত ধুম কচ্ছপ এবং কালুয়া কচ্ছপের মতো দেখতে হলেও পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম আকারে বেশ ছোট ও চ্যাপ্টা আকৃতির। এর দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৮৩ সেন্টিমিটার। খোলসের ওপরের অংশের সামনের প্রান্তে অবস্থিত এক সারি গোলাকার গুটিকা (টিউবারকল) এবং সরু ও লম্বা নাক দেখে সহজেই অন্য সব কাছিম প্রজাতি থেকে একে আলাদা করে চেনা সম্ভব। পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিমের ওপরের অংশ ধূসর থেকে জলপাই রং হয়ে থাকে; নিচের অংশ সাদা অথবা হালকা ধূসর হয়ে থাকে। কম বয়সী কাছিমের ওপরের অংশে অনেক কালো ও হলদে ফোটা এবং উঁচু উঁচু লম্বাটে দাগ থাকে। এই দাগ কালক্রমে ধীরে ধীরে খোলসের ওপরের ত্বকের সঙ্গে মিশে যায়।[৪] পুরুষ কাছিমের খোলকের নিচের অংশ সাদা, স্ত্রী কাছিমের ধূসর।[৩]

স্বভাব[সম্পাদনা]

পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিমের প্রধান খাদ্য পাহাড়ি নদী ও জলাশয়ের মাছ, ব্যাঙ, ব্যাঙাচি, চিংড়ি ও বিভিন্ন প্রকার জলজ পোকামাকড়।[৩] এরা নদী বা জলাশয়ের ধারে গর্ত খুঁড়ে বছরে তিন-চারবার ডিম পাড়ে। ডিমের সংখ্যা ৫ থেকে ৩০টি। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে সময় লাগে ১৩০ দিনে থেকে১৪০ দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ৪ থেকে ৫ মাস।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ "Amyda cartilaginea"। The IUCN Red List of Threatened Species। সংগৃহীত 2013-04-10 
  2. Fritz, Uwe; Peter Havaš (2007)। "Checklist of Chelonians of the World"Vertebrate Zoology 57 (2): 303–305। ISSN 18640-5755। আসল থেকে 2010-12-17-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 29 May 2012  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ ৩.৩ Das, Indraneil. 2006. A Photographic Guide to Snakes and Other Reptiles of Borneo. Ralph Curtis Books. Sanibel Island, Florida. 144 pp. ISBN 0-88359-061-1. (Amyda cartilaginea, p. 135.)
  4. ৪.০ ৪.১ ৪.২ মনিরুল খান (২৩-১২-২০১১)। "নতুন প্রজাতির কাছিম"। ঢাকা। দৈনিক প্রথম আলো। সংগৃহীত ১৫ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]