উদরাময়
|
An electron micrograph of rotavirus, the cause of nearly 40% of hospitalizations from diarrhea in children under 5[১] |
|
| ICD-10 | A09., K59.1 |
|---|---|
| ICD-9 | 787.91 |
| DiseasesDB | 3742 |
| eMedicine | ped/583 |
| MeSH | D003967 |
উদারাময় বা ডায়রিয়া পৌষ্টিক তন্ত্রের একটি রোগ যাতে মলের সাথে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে উদারাময় হতে পারে। এগুলোর কিছু সংক্রামক এবং কিছু সংক্রামক নয়। সংক্রামিত ডায়ারিয়া হতে পারে বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া ও কৃমি দ্বারা। অসংক্রমিত ডায়ারিয়া হতে পারে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, তেজস্ক্রিয়তা, ঔষধ ঘটিত, অল্যার্জিক অথবা বংশগতির বিভিন্ন সমস্যার জন্য।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ডায়ারিয়ার কারণ[সম্পাদনা]
ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া যেমন, সালমোনেলা (Salmonella, শিগেলা (Shigella flexneri), ব্যাসিলাস (Bacillus cereus) , ইশ্চেরিচিয়া কোলাই (Escherichia coli), ভিব্রিও (Vibrio )ইত্যাদি ডায়ারিয়া ঘটাতে পারে।
ভাইরাস ঘটিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
রোটাভাইরাস, হেপাটাইটিস-এ ভাইরাস ডায়ারিয়া ঘটাতে পারে।
ছত্রাক ঘটিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
কৃমি ঘটিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
প্রোটোজোয়া ঘটিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
জিয়ার্ডিয়া, এন্টামিবা জাতীয় প্রোটোজোয়া ডায়ারিয়ার জন্য দায়ী।
অসংক্রমিত ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
অজানা কারণের ডায়ারিয়া[সম্পাদনা]
অনেক সময়ই কোন এলাকায় বা ব্যক্তির ডায়ারিয়ার কারণ জানা যায় না। দেখা যায় কোন কারণ না থাকা সত্ত্বেও (Unknown etiology) ডায়ারিয়া ঘটেছে। এরুপ একটি ঘটনার উদাহরন ব্রেইণার্ড ডায়ারিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মেনিসোটার ব্রেইণার্ড নামক অঞ্চলে এই ডায়ারিয়ার প্রোকোপ দেখা যায়। কোন ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, প্রোটোজোয়া বা অন্য কোন কারণই খুঁজে পাওয়া যায় নাই।
ডায়ারিয়া কিভাবে ঘটে?[সম্পাদনা]
ডায়ারিয়া প্রতিরোধ ও প্রতিকার[সম্পাদনা]
সাধারণ ডায়ারিয়া ঘটলে এটা নিজে নিজেই সেরে যায়। রোগ যতদিন চলে তত দিন রোগীকে স্যালাইন খাওয়াতে হয়। স্যালাইন শরীরে পানিশুন্যতা রোধ করে। কলেরা জীবানু দ্বারা ডায়ারিয়া হলে প্রতিদিন শরীর থেকে ২০-৩০ লিটার পানি বের হয়ে যায়। যা শরীরের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর। তার যত দিন রোগ চলে ততদিন রোগীকে খাওয়ার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়ারিয়া প্রতিরোধের জন্য ভ্যাক্সিন আবিস্কার হয়েছে। এরমধ্যে সবথেকে উল্লেখ্যযোগ্য হল কলেরা ভ্যাক্সিন। রোটাভাইরাসের বিরুদ্ধেও ভ্যাক্সিন আবিস্কার হয়েছে।
খাওয়ার স্যালাইন[সম্পাদনা]
বাজারে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি কর্তৃক সরবরাহকৃত স্যালাইন পাওয়া যায়। আবার ঘরে চিনি (না থাকলে গুড়) ও তিন আঙ্গুলের এক চিমটা লবন এক মগ পানিতে মিশিয়ে স্যালাইন তৈরি করা যায়।
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ
<ref>ট্যাগ;WHO2010aনামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
|
|||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||