খাজা নাজিমুদ্দিন
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
খাজা নাজিমুদ্দিন (জুলাই ১৯, ১৮৯৪ - ১৯৬৪) পাকিস্তানের দ্বিতীয় গভর্নর -জেনারেল ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রীও হন। খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকার নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে তিনি বৃটেনের ডান্সটেবল গ্রামার স্কুলে ও তারপর আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। অতঃপর তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের টৃনিটি হলেও শিক্ষা করেন। ১৯৩০ এর দিকে দেশে ফিরে এসে তিনি বাংলায় রাজনীতিতে যোগ দেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতার পূর্বে তিনি অবিভক্ত বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ও পরে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের দ্বিতীয় গভর্ণর জেনারেল হন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকা কালীন ১৯৫২ সালে পূর্ব-পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলন হয়। এতে কয়েকজন ছাত্র ও জনতা নিহত হয়। সামরিক শাসক আইয়ুব খানকে অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদলীয় ঐক্যজোট সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) গঠিত হয়। ১৯৬৪তে 'কপ' গঠনে আইয়ুব-বিরোধী মুসলিম লীগ নেতা খাজা নাজিমুদ্দিন প্রধান ভূমিকা রাখেন।
খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যু বরণ করেন। তাঁকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সমাহিত করা হয়।
|
|||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |