অভিকর্ষজ বল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নাসার GRACE অভিযানের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথিবীর অভিকর্ষজ বলের মাত্রা।

অভিকর্ষজ বল হলো পৃথিবী তার কেন্দ্রাভিমুখে উপরসস্থ সকল বস্তুকে যে বলে আকর্ষণ করে সেই বল।সর্বপ্রথম নিউটন অভিকর্ষজ বল সম্পর্কে ধারণা দেন।কথিত আছে,একদিন নিউটন আপেল গাছের নিচে বসে ভাবছিলেন এমন সময় তার মাথায় একটি আপেল এসে পড়ে।আপেলটি কেন মাটিতে পড়ল এই নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেই তিনি অভিকর্ষ বা মহাকর্ষ বল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।এই সৌরজগতের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষন বল কাজ করে তাকে মহাকর্ষীয় বল বলে।আর এই দুটি বস্তুর মধ্যে একটি যদি পৃথিবী হয় তখনি এই বলকে অভিকর্ষজ বল বলে।অভিকর্ষজ বল “মাধ্যাকর্ষণ শক্তি” নামেও সাধারণের কাছে পরিচিত,যদিও বলশক্তি এক জিনিস নয়।সুতরাং অভিকর্ষ বল মহাকর্ষ বলের একটি অংশ।বিশ্বে যে চার প্রকারের মৌলিক বল রয়েছে তার মধ্যে একটি হল মহাকর্ষীয় বল।

পৃথিবী, সূর্য, চাঁদ, গ্রহ এবং প্লুটোর তুলনামূলক অভিকর্ষ[সম্পাদনা]

কাঠামো পৃথিবী অভিকর্ষের
মালটিপল
মি./সে.
সূর্য ২৭.৯০ ২৭৪.১
বুধ গ্রহ ০.৩৭৭০ ৩.৭০৩
শুক্র গ্রহ ০.৯০৩২ ৮.৮৭২
পৃথিবী ১ (সংজ্ঞা মধ্যে) ৯.৮২২৬[১]
চাঁদ ০.১৬৫৫ ১.৬২৫
মঙ্গল গ্রহ ০.৩৮৯৫ ৩.৭২৮
বৃহস্পতি গ্রহ ২.৬৪০ ২৫.৯৩
Io ০.১৮২ ১.৭৮৯
Europa ০.১৩৪ ১.৩১৪
Ganymede ০.১৪৫ ১.৪২৬
ক্যালিস্টো ০.১২৬ ১.২৪
শনি গ্রহ ১.১৩৯ ১১.১৯
Titan ০.১৩৮ ১.৩৫৮
ইউরেনাস গ্রহ ০.৯১৭ ৯.০১
Titania ০.০৩৯ ০.৩৭৯
Oberon ০.০৩৫ ০.৩৪৭
নেপচুন গ্রহ ১.১৪৮ ১১.২৮
Triton ০.০৭৯ ০.৭৭৯
প্লুটো ০.০৬২১ ০.৬১০
এরিস ~০.০৮১৪ ~০.৮

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. This value excludes the adjustment for centrifugal force due to Earth’s rotation and is therefore greater than the 9.80665 m/s² value of standard gravity.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]