বিষয়বস্তুতে চলুন

সি.আই.ডি. (ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(C.I.D. (Indian TV series) থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সি.আই.ডি.
ধরন
  • ক্রাইম
  • সাসপেন্স
  • থ্রিলার
নির্মাতাবি. পি. সিং
পরিচালকবি. পি. সিং
দেশভারত
মূল ভাষাহিন্দি
মৌসুমের সংখ্যা
পর্বের সংখ্যা১,৫৮৭
নির্মাণ
প্রযোজকবি. পি. সিং
নির্মাণ স্থানমুম্বই,
মহারাষ্ট্র,
ভারত
স্থিতিকাল৪০–৪৫ মিনিট
নির্মাণ প্রতিষ্ঠানফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশন
পরিবেশকসনি পিকচার্স নেটওয়ার্ক
মুক্তি
নেটওয়ার্কসনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন
মুক্তি২১ জানুয়ারি ১৯৯৮ (1998-01-21) 
বর্তমান
সম্পর্কিত অনুষ্ঠান
সি.আই.ডি. কলকাতা ব্যুরো

সি.আই.ডি. হলো স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশনের একটি ধারাবাহিক। এ ধারাবাহিকে একদল গোয়েন্দা মুম্বইয়ের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। এ ধারাবাহিকের পরিচালক বি. পি. সিং। ভারতের মধ্যে এটি দীর্ঘতম চলমান টিভি ধারাবাহিক।[] প্রথম ভারতীয় গোয়েন্দা ভিত্তিক টিভি ধারাবাহিক সি.আই.ডি যা এখনও ভারতের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। ডিসিপি চিত্রলে, এসিপি প্রদ্যুমন, সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ, সিনিয়র ইন্সপেক্টর দয়া, ইন্সপেক্টর ফ্রেডরিকস এবং ডাক্তার সালুঁখে এ ধারাবাহিকের মূল চরিত্র। যেখানে ব্যুরোর প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন এসিপি প্রদ্যুমন এবং সর্বোচ্চ পদে রয়েছেন ডিসিপি চিত্রলে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সিআইডির পরিচালক বি. পি. সিং-ই ডিসিপি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সিআইডি শুধু ভারতে নয়, বাংলাদেশেও অনেক জনপ্রিয়। এটি ভারতে সবচাইতে জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশেও সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি ধারাবাহিকগুলোর একটি।

১৯৯৮ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে ফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশনের অধীনে সাপ্তাহিকভাবে এটি সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশনে সম্প্রচার শুরু হয়।[] সি.আই.ডি ধারাবাহিকটি ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আরেকটি রেকর্ড অর্জন করে যখন পরিচালক বি. পি. সিং কোনো রকমের বিরতি ছাড়াই ১১১ মিনিটের "দ্য ইনহেরিটেন্স/সি.আই.ডি. ১১১" নামে একটি পর্ব তৈরি করেন। ওই পর্বটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখায়।

বি. পি. সিংয়ের এক ইন্টারভিউর তথ্য অনুযায়ী তিনি ১৯৮৬ সালে দূরদর্শনে (ডিডি) সি.আই.ডি ছয় পর্ব তৈরি করেছিলেন সনি টেলিভিশনে করার আগে।

২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন এবং ফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশন মিলে প্রতিদিনের জন্য সি.আই.ডি. স্পেশাল ব্যুরো নামে ১৬৮ পর্ব তৈরি করেন। যা ২০০৬ সালের ২৭ এপ্রিল শেষ হয়।

২০০৬ সালের ৭ জুলাই থেকে ১ সেপ্টেম্বর "সি.আই.ডি অপরেশন তালাশ" নামের একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিলো সিআইডি টিমে নতুন অফিসার নেয়া। [] এ আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী বিবেক ভি মাশরুকে সিআইডিতে যুক্ত করা হয় যার চরিত্রের নাম বিবেক।[] সফল এ আয়োজনের পর "'সিআইডি"' প্রযোজক একটি অ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। "সিআইডি গ্যালেন্ট্রি অ্যাওর্য়াড" নামের এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি নিজেদের একযুগ পূর্তি পালন করে।

২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর সি.আই.ডি.'র প্রথম মৌসুম শেষ হয়।

২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সি.আই.ডি.'র দ্বিতীয় মৌসুম শুরু হয়।[][]

মৌসুম

[সম্পাদনা]
মৌসুমপর্বমূল সম্প্রচার
প্রথম সম্প্রচারশেষ সম্প্রচার
১,৫৪৭২১ জানুয়ারি ১৯৯৮ (1998-01-21)[]২৭ অক্টোবর ২০১৮ (2018-10-27)
৪০২১ ডিসেম্বর ২০২৪ (2024-12-21)ঘোষিত হবে

অভিনয়শিল্পী

[সম্পাদনা]

অফিসার

[সম্পাদনা]
চরিত্র পদবী মূল নাম সময়কাল তথ্য
প্রদ্যুমনএসিপিশিবাজী সাটম১৯৯৮–২০১৮; ২০২৪–বর্তমানপ্রথম তিনটি মামলায় দায়িত্ব পালন করেছেন ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত পাটকার এবং পরবর্তী তিনটি মামলায় দায়িত্বে ছিলেন এসিপি পৃথ্বিরাজ। পরবর্তী থেকে শুরু করে এখনও দলনেতা হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন সবকিছুর আগে নিজের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে নিজের সন্ত্রাসী পুত্র নকুলকে নিজ হাতে গুলি করে মেরে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেননি। তবে তিনি নিজের সকল অফিসারকেই নিজের সন্তানের মতোই দেখেন। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, এই ধারাবাহিকের প্রতি এপিসোডে অভিনয়ের জন্য শিবাজীর পারিশ্রমিক ৫ লক্ষ টাকা।
অভিজিৎসিনিয়র ইন্সপেক্টরআদিত্য শ্রীবাস্তব১৯৯৯–২০১৮; ২০২৪–বর্তমানমূলত দলে যোগ দিয়েছেন ইন্সপেক্টর ভিরেনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে। আরেক সিনিয়র ইন্সপেক্টর দয়ার সাথে তার গভীর বন্ধুত্ব। বেশ বড় কিছু বিপদে দয়া তার জীবন বাঁচিয়েছেন। অফিসারদের মধ্যে তিনি সেরা একজন যিনি যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং সৎ সিআইডি অফিসার। তিনি সিআইডি সদস্যদের মধ্যে সেরা একজন শ্যুটার যিনি চোখ বন্ধ করে আওয়াজ শুনে নিখুঁত নিশানায় গুলি করতে পারেন। ফরেনসিক ল্যাবের সহকারী ডা. তারিকার প্রতি আলাদা দূর্বলতা আছে তার। অভিজিৎ চরিত্রে অভিনয়ের পূর্বে ১৯৯৮ সালে একটি পর্বে তিনি ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রতি এপিসোডে অভিনয় করতে আদিত্য শ্রীবাস্তব নেন ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা।
দয়াসিনিয়র ইন্সপেক্টরদয়ানন্দ শেট্টি১৯৯৮–২০১৮; ২০২৪–বর্তমানমূলত দলে যোগ দিয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে। তিনি সেরা পুরুষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে ২০০২ সালে ইন্ডিয়ান টেলিভিশন থেকে পুরস্কার জিতেছেন। পাশাপাশি তিনি সিআইডি অফিসারদের মধ্যে শক্তিশালী একজন অফিসার যিনি ভিলেনদের থাপ্পড় দেওয়া এবং লাথি মেরে দরজা ভাঙ্গার কাজটি করে বেশ জনপ্রিয়। সিআইডির আরেক অফিসার অভিজিতের সাথে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক অনেক গভীর এবং অনেকবার তার জীবন রক্ষা করেছেন। এই অভিনেতা প্রতি এপিসোডে অভিনয় করতে ১ লক্ষ টাকা নেন।
ফ্রেডরিক্স (ফ্রেডি)ইন্সপেক্টরদীনেশ ফড়নিস১৯৯৮–২০১৮দলে যোগ দিয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সিরিয়াস চরিত্রে অভিনয় করলেও তিনি কমিডিয়ান চরিত্রের জন্য বেশ জনপ্রিয়। ব্যক্তিগত ভাবে তিনি বেশ নরম-হৃদয়ের অধিকারী যিনি তার স্ত্রীকে মনিষাকে খুব পছন্দ করেন। আত্মা নাম শুনলেই তার ঘাম ঝরতে শুরু করে এবং এই জন্য তিনি এসিপি সাহেবের কাছে বকাও খেয়েছেন। তার মজার ব্যক্তিত্ব বরাবরই স্ট্রেস রিলিভার। দীনেশ প্রতি পর্বের জন্য নেন ৭০-৮০ হাজার টাকা।
পূরবীসাব-ইন্সপেক্টরআনশা সায়েদ২০১১–২০১৮; ২০২৪–বর্তমান‘সিআইডি’র কঠোর অফিসার পূরবী। আগে ছিলেন পুলিশ অফিসার কিন্তু পরে সিআইডি তে যোগ দেন। সাহসী অফিসারদের মধ্যে একজন। প্রতি পর্বে রোজগার করেন ৪০ হাজার টাকা।
শ্রেয়াসাব-ইন্সপেক্টরজাহ্নবী ছেড়া২০১২–২০১৮৮৪২ নং এপিসোডে (রাজ সার ঔর হাত কা) সাব-ইন্সপেক্টর বিনীতের সাথে সিআইডি টিমে জয়েন করেন শ্রেয়া। প্রথমে তাদের দেখে এসিপি প্রদ্যুমন ছাড়া কেউই চিনতে পারেনি এবং ফ্রেডরিক্স বলেও দেন যে তারা প্রমাণ লোপাট করতে এসেছে।
রজতসিনিয়র ইন্সপেক্টরবিকাশ কুমার২০১২–২০১৮শ্রেয়া ও বিনীত এর আগের পর্বেই সিআইডি টিমে সিনিয়র ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগ দেন রজত। সিআইডি-র কঠোর অফিসারদের মধ্যে অন্যতম। 'খুনি পানি' নামক এপিসোডে তিনি দলে যোগ দেন এবং খুব চালাকির সাথে অপরাধীকে ধরেন। মিথ্যা কথা শুনলে এনার মাথা এতটাই গরম হয়ে যায় যে নিজেকে সামলাতে পারেন না। তখন তিনি ইন্সপেক্টর দয়ার মত থাপ্পড় মারতে থাকেন অপরাধীদের।

পূর্বের অফিসারবৃন্দ

[সম্পাদনা]

৪ বছর বা তার বেশি সময় ধরে থাকা অফিসারদের গাঢ় রঙ দেয়া হলো

চরিত্র পদবী মূল নাম সময়কাল তথ্য
ভিরেন্দ্র (ভিরেন)ইন্সপেক্টরআশুতোষ গৌয়ারকার১৯৯৮-১৯৯৯ট্রান্সপার
আশাইন্সপেক্টরঐশ্বিনি কালেশকার১৯৯৮-২০০৪সিআইডির একজন সেরা মহিলা অফিসার হিসেবে দীর্ঘ সময় সিআইডি টিমে থাকা অফিসারদের মধ্যে একজন।
কে.সুধাকরসাব-ইন্সপেক্টরধনঞ্জয় মান্দ্রেকর১৯৯৮–২০০৫সিআইডিতে কাজ করেছেন এবং ফ্রেডরিকের ভালো বন্ধু হিসেবে পরিচিত
দাকশইন্সপেক্টরমানব গহিল২০০৪-২০০৫ভাইয়ের খুনিকে ধরার কাজে জড়িত হতে গিয়ে সিআইডিতে যোগ দেন। এক সময়ে এসিপির গুলিতে নিহত হওয়া সন্ত্রাসী ছেলে নকুলের কাছে সিআইডির কিছু গোপন তথ্য প্রকাশ করে দেন।
অদিতিসাব-ইন্সপেক্টরস্মিতা বানসাল২০০৪-২০০৫তিনি একজন সাহসী এবং বুদ্ধিমান অফিসার। তবে তার বোন ছিলেন একজন সন্ত্রাসী। ২০০৫ সালের ১২-১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক পর্বে তিনি মারা যান।
প্রিয়াংকাসাব-ইন্সপেক্টরসাই দেবদর২০০৫হাতে নানা ধরনের কাজে দক্ষতা ছিলো। তবে ২০০৫ সালের ২১ অক্টোবর এবং ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর দুটি পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি এসিপি প্রাদিউমানকে একজন খুনি হিসেবে মনে করেন।
আনুস্কাসাব-ইন্সপেক্টরকবিতা কৌশিক২০০৫-২০০৬ট্রান্সফার
মুসকানসাব-ইন্সপেক্টরঅলকা বর্মা২০০৬-২০০৭সিআইডি দলের মধ্যে তিনি ছিলেন সেরা স্মার্ট একজন নারী অফিসার। ট্রান্সপার
বিবেকসাব-ইন্সপেক্টরবিবেক ভি মাশরু২০০৬–২০১২তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সিআইডি প্রোডাকশন আয়োজিত 'অপারেশন তালাশ' নামের একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা হয়ে। ২০০৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো সিআইডিতে অভিনয় করেন।
দীপিকাসাব- ইন্সপেক্টরমেঘা গুপ্ত২০০৭–২০০৮২০০৭ সালের ১০ আগস্ট একটি পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। এসিপি প্রাদিউমান শুরু থেকেই তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ভাবতেন এ কাজের জন্য তিনি যোগ্য নন। ২০০৭ সালের ৩১ আগস্ট এক পর্বে নিজের যোগ্যতা বলে একটি মামলায় দারুণ ভাবে তথ্য উদ্ধার করেন তিনি এবং নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেন।
কাবেরিসাব-ইন্সপেক্টরপরিণিতা শেঠ২০০৮২০০৮ সালের ২১ মার্চ আরেক অফিসার লাবণ্যের সাথে একটি পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। কিছুটা আবেগপ্রবণ এ অফিসার একটি পর্বে আহত হন।
লাবণ্যসাব-ইন্সপেক্টরজিমি কুনাল নন্দা২০০৮-২০০৯২০০৮ সালের ২১ মার্চ প্রথম একটি পর্বে যোগ দেন।
তাশাসাব-ইন্সপেক্টরবৈশ্বভি ধনরাজ২০০৯-২০১০২০০৯ সালের ২৯ মে 'এক রহস্যময় লাশ' নামক পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যুক্ত হন। শুরুতে তার বহনকৃত ব্যাগে মাদক দ্রব্য পাওয়া গিয়েছিল তখন তিনি সিআইডি দলে যোগ দেওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হন। পরবর্তীতে এসিপি উক্ত মাদক পরীক্ষা করে দেখেন তা আসল নয় এবং পরবর্তীতে তাকে সিআইডিতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। মামলার ক্ষেত্রে চালাক হিসেবে তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা ছিলো। ২০১০ সালের ৪ ডিসেম্বর এক পর্বে ডিউটি থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় অফিসার বৈষ্ণবী ধনরাজও প্রতি পর্বে নেন ৪০ হাজার টাকা। []
ডা. সোনালী বারোইফরেনসিক এক্সপার্টমানিনি মিশ্রা২০১০-২০১১২০১০ সালের ২১ মে রহস্যময় দরজা শীর্ষক পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। গল্পের তথ্য অনুযায়ী ডা. সোনালী এবং ডা. সালোংকি একই কলেজে পড়তেন।
কাজলসাব-ইন্সপেক্টরজসভীর কাউর২০১০ –২০১২শুরুতে সিআইডিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি পাননি। তার ভাই রাহুল নিহত হন ভিলেনদের হাতে এবং সেই ভিলেনদের ধরতেই তিনি সিআইডিতে যোগ দিতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ ছিলো। তবে পরবর্তীতে নিজের কাজের মাধ্যমে সেরাটা দেখিয়ে সিআইডি দলে জায়গা করে নেন।
শচীনইন্সপেক্টরহৃষিকেশ পাণ্ডে২০১০ –২০১৬সিআইডি দলে যোগ দেন ২০১০ সালের ৭মে অনুষ্ঠিত একটি পর্ব থেকে। পরবর্তীতে তিনি বেশ কিছু পর্বে সাদা পোশাকে বেশ কিছু মামলায় কাজ করেন। এক সময়ে সেরা নানা ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন সিআইডি অফিসার হিসেবে। শুরুতে তিনি সিদ্ধার্থ নামে যোগ দিলেও পরবর্তীকালে শচীন নামে কাজ শুরু করেন।

ফরেনসিক এক্সপার্ট

[সম্পাদনা]
চরিত্র মূল নাম সময়কাল তথ্য
ডা. আর পি সালুঁখে নরেন্দ্র গুপ্তা১৯৯৮–২০০৩
২০০৭–২০১৮; ২০২৪–বর্তমান
১৯৯৮ সালে তিনি ডা. বর্মা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শুরু থেকে কয়েক বছর কাজ করলেও মাঝে কয়েক বছর চুল প্রতিস্থাপনের জন্য সিআইডি টিমের বাইরে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৭ থেকে নিয়মিত হন। তদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি এসিপি প্রদ্যুমন, ডা. সোনালী এবং অভিজিৎতের সাথে যুক্তিতর্ক করেন। তবে সিআইডি টিমের প্রতি তার রয়েছে বিশেষ দরদ। এসিপি প্রদ্যুমন এর মুখে সালুঁখে-র সম্পর্কে শোনা যায়, "লোকটার কথা একটু ট্যারা হলেও ট্যালেন্ট আছে" কিন্তু এগুলো শুধুমাত্র সালুঁখে কে রাগানোর জন্যই বলা হয়।
ডা. তারিকা/সারিকাশ্রদ্ধা মুসলে২০০৭-২০১৮২০০৭ সালের ১০ আগস্ট দ্য ডন'স ফাইনাল রিভেঞ্জ মামলার মাধ্যমে সিআইডিতে আসেন। ডা. সালুঁখের সহকারী হিসেবে ফরেনসিক ল্যাবে কাজ করছেন। সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ তার প্রতি দুর্বল এবং একইভাবে সারিকাও অভিজিতের উপর দুর্বল।

পুরস্কার

[সম্পাদনা]
ভারতীয় টেলি পুরস্কার
বছর পুরস্কার শ্রেণী মনোনীত ব্যক্তি স্থিতি সূত্র
২০০২ ভারতীয় টেলি পুরস্কার সেরা ধারাবাহিক টিভি প্রোগ্রাম ফায়ারওয়ার্ক্স প্রডাকশনবিজয়ী []
২০০২ প্রধান চরিত্রে সেরা অভিনেতা শিবাজী সতমবিজয়ী [১০]
২০০৩ [১১]
২০০৪ সেরা থ্রিলার প্রোগ্রাম বিপি সিং, প্রদীপ উপপুর
(ফায়ারওয়ার্ক্স প্রডাকশন)
বিজয়ী []
২০০৬ সেরা সাপ্তাহিক সিরিয়াল
২০০৭ সেরা থ্রিলার প্রোগ্রাম
২০০৯ সেরা সাপ্তাহিক সিরিয়াল
২০১০ সেরা থ্রিলার প্রোগ্রাম
২০১২ সেরা থ্রিলার প্রোগ্রাম
২০১৩ সেরা সাপ্তাহিক সিরিয়াল
ভারতীয় টেলিভিশন একাডেমি পুরস্কার
বছর পুরস্কার শ্রেণী মনোনীত ব্যক্তি স্থিতি সূত্র
২০০০ ভারতীয় টেলিভিশন একাডেমি পুরস্কার সেরা থ্রিলার/হরর সিরিয়াল বিপি সিং, প্রদীপ উপপর
(ফায়ারওয়ার্ক্স প্রডাকশন)
বিজয়ী
২০০২ নাটকবিজয়ী [১২]
২০০৪ সেরা টেলিপ্লে রজত অরোরাবিজয়ী [১৩]
নাটক বিপি সিংবিজয়ী [১৪]
সেরা ভিডিওগ্রাফি
২০০৫ নেতিবাচক চরিত্রে সেরা অভিনেতা মকরন্দ দেশপান্ডেবিজয়ী [১৫]
২০০৭ সেরা থ্রিলার/হরর সিরিয়াল বিপি সিং, প্রদীপ উপপর
(ফায়ারওয়ার্ক্স প্রডাকশন)
বিজয়ী
২০০৯ [১৪]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "What makes this TV show such a hit with Indians?"। Movies.rediff.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১০
  2. "Indian Entertainment Channel - Indian Television Shows - Sony TV Live - Bollywood Movie Channel"। SET India। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১০
  3. "> News >CID Operation Talaash is on!"। Tellychakkar.com। ৭ জুলাই ২০০৬। ৬ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১০
  4. "Another hero enters CID - Entertainment - DNA"। Dnaindia.com। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১০
  5. "CID 2 is all set to arrive on TV! When and where to catch ACP Pradyuman, Inspector Daya in action"The Economic Times। ২৩ নভেম্বর ২০২৪। আইএসএসএন 0013-0389। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  6. "CID Season 2 Date Out: The Powerful Cop Daya Announces His Arrival In Signature Style"News18 (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  7. "The best CID episodes, as explained by their writers"Film Companion। ২০ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  8. সিআইডি অভিনেতাদের প্রতি এপিসোড রোজগার কত
  9. 1 2 "The Winners of The Indian Telly Awards 2002"Indian Television। ২৮ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮
  10. "ITA Awards 2002 Winner list", Indian Telly Awards, ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৫
  11. "ITA Awards 2003 Winner list", Indian Telly Awards, ১৬ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৮
  12. "Hero Honda Indian Television Academy Awards 2002"Indian Television Academy। ২৯ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  13. "ITA Award 2004 winners list", ITA Awards, ২৬ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  14. 1 2 "The Indian Television Academy Awards 2009"। IndianTelevisionAcademy.com। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১২
  15. "The Hero Honda Indian Television Academy Awards 2005"Indian Television Academy। ৪ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।