বিষয়বস্তুতে চলুন

৪৬তম স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(৪৬তম স্বাধীন পদাতিক ব্রিগেড থেকে পুনর্নির্দেশিত)
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড
ব্রিগেডের চিহ্ন
সক্রিয়১৯৭২-বর্তমান
দেশ বাংলাদেশ
আনুগত্য বাংলাদেশ
শাখা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ধরনব্রিগেড
গ্যারিসন/সদরদপ্তরঢাকা সেনানিবাস
কমান্ডার
বর্তমান
কমান্ডার
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মফিজুল ইসলাম রাশেদ[]
উল্লেখযোগ্য
কমান্ডার
মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউল্লাহ
লেঃ কর্নেল (অব.) জিয়াউদ্দিন
মেজর জেনারেল (অব.) মইনুল হোসেন চৌধুরী
কর্নেল (অব.) শাফায়াত জামিল

৪৬তম স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ঐতিহাসিক সেনাদল। এই সেনাদলটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।[] এই ব্রিগেডটি ঢাকা সেনানিবাসের একমাত্র পদাতিক ব্রিগেড।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

এই ব্রিগেড আনুষ্ঠানিক ভাবে গঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি, এবং এই ব্রিগেডের প্রথম কমান্ডার ছিলেন লেঃ কর্নেল কে এম শফিউল্লাহ[] যিনি পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হয়েছিলেন। ব্রিগেডটির দ্বিতীয় কমান্ডার ছিলেন লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন; জিয়াউদ্দিনের পরে লেঃ কর্নেল (পরে মেজর জেনারেল হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত) মইনুল হোসেন চৌধুরী এই ব্রিগেডের কমান্ডার হয়েছিলেন যিনি এই ব্রিগেডের কমান্ডার থাকাকালীন পূর্ণ কর্নেল পদবীতে উন্নীত হয়েছিলেন।[] কর্নেল শাফায়াত জামিল ছিলেন এই ব্রিগেডের চতুর্থ কমান্ডার। শাফায়াত জামিল ব্রিগেড কমান্ডার থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ এর সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।

৪৬ পদাতিক ব্রিগেড খালেদ মোশাররফকে ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর সমর্থন দেয়। এই ব্রিগেডের ক্যাপ্টেন হাফিজের বিরুদ্ধে জেনারেল জিয়াউর রহমানকে আটকের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।[] ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের সময় এই ব্রিগেডকে কাজে না লাগানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার সমালোচিত হয়।[]

হোলি আর্টিজান হামলার সময় ব্রিগেডটি মোতায়েন করা হয়েছিল। অপারেশন থান্ডারবোল্ট নামে পরিচিত এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ব্রিগেডের কমান্ডার মজিবুর রহমান। হামলার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ব্রিগেডিয়ার রহমান অভিযানটি সমাপ্ত ঘোষণা করেন। এই অভিযানের মাধ্যমে ১৩ জন জিম্মিকে উদ্ধার করা হয় এবং ৫ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়, ঐসময় ষষ্ঠ সন্ত্রাসীকে জীবিত আটক করা হয়।[][][১০][১১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Brig Gen Imran Hamid Inaugurates Bangabandhu Sheikh Mujib Dhaka Marathon"Daily Sun (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  2. "Shock, surprise unfolded"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৭
  3. "Of the helpless chiefs of army, air, navy"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৭
  4. সৈনিক জীবনঃ গৌরবের একাত্তর রক্তাক্ত পঁচাত্তর - মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমেদ। প্রথমা। ২০২০। পৃ. ১১৫। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৪৩৬৫৩৯
  5. এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্য - মেজর জেনারেল (অব.) মইনুল হোসেন চৌধুরী। মাওলা ব্রাদার্স। ২০০০। পৃ. ৪৭, ৫৭। আইএসবিএন ৯৮৪৪১০১৭৫১
  6. "It's not me, but Captain Hafiz went to arrest Zia: Maj Hafiz"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ নভেম্বর ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৭
  7. "Neither Forgiven nor Forgotten"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মার্চ ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৭
  8. "Dhaka cafe standoff: At least 13 hostages rescued as siege ends"CNN। ২৪ নভেম্বর ২০২৩।
  9. "Bangladesh PM Hasina says 13 hostages rescued alive from Gulshan café"Bdnews24.com
  10. "eadly Dhaka siege (Afternoon Lead) Six terrorists killed, 13 hostages rescued after deadly Dhaka siege (Afternoon Lead)"Business Standard
  11. "Police to face challenge with courage: DMP Commissioner"Jagonews24.com