২০১৭-২০১৮ ইরান আন্দোলন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
২০১৭-২০১৮ ইরান আন্দোলন
২০১৭-২০১৮ ইরান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী জনতার একাংশ
২০১৭-২০১৮ ইরান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী জনতার একাংশ
তারিখ ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৭ – ৭ জানুয়ারি ২০১৮
অবস্থান ইরান
কারণ অর্থনৈতিক দুরাবস্থা

সরকারের দূর্নীতি[১] আঞ্চলিক সংঘাতে ইরানীয় সরকারের অংশগ্রহনের বিরোধিতা[১] মানবাধিকার ইস্যু সরকার বিরোধিতা[২]

লক্ষ্যসমূহ ইরানের বর্তমান সরকারের পতন

আলি খামেনেই এর অপসারণ[৩][৪][৪][৫][৬][৭][৮]

প্রক্রিয়াসমূহ প্রতিবাদ, দাঙ্গা, অসহযোগ আন্দোলন
নাগরিক সংঘাতের দলসমূহ
আন্দোলনকারী ইরান সরকার
নেতৃত্ব দানকারীরা
কোন জ্ঞাত নেতা নেই

পিপল'স মুজাহেদিন অব ইরান ( আইআরজিসি এর ভাষ্যমতে) [৯]

আলি খামেনেই
হাসান রুহানি
আবদুলরেজা রহমান ফজলী
মোহাম্মদ আলী জাফারী

সংখ্যা
দশ হাজার (প্রায়)[১০]

ইরানের বাইরে বসবাসকারী হাজারো প্রবাসী ইরানী [৭][১১]

প্রায় হাজার (সরকার পক্ষের) জনগণ [১২][১৩][১৪][১৫][১৬]
ক্ষয়ক্ষতি
মৃত্যু২৩ মৃত্যু[১৪][১৭]
১ পুলিশ[১৫][১৬]
গ্রেপ্তার১০০০+ গ্রেফতার[১৮][১৯]

২০১৭ -১৮ ইরান আন্দোলন (ফার্সি: اعتراضات ۱۳۹۶ ایران‎‎) ইরান জুড়ে সংঘটিত একাধিক আন্দোলনের সমষ্টি। ২০১৭এর ২৮শে ডিসেম্বর, জনসংখ্যার দিয়ে ইরানের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর মাশবাদে এই আন্দোলনের পত্তন। গোড়াতে সরকারের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা দিয়ে শুরু হলেও, আন্দোলন দ্রুত সমগ্র দেশ জুড়ে বিভিন্ন্য ইস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিকভাবে ইরানের সুপ্রিম লীডার, আলি খামেনেই এর বিরুদ্ধে রূপ নেয়।[২০]

২০০৯ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের আন্দোলনের পর এই আন্দোলন এখন অব্দি ইরানের সরকারের প্রতি বড় রকমের চ্যালেঞ্জ স্বরূপ।[২১] অবশ্য, আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য, স্লোগান এবং অংশগ্রহণকারী দিক দিয়ে বিবেচনা করলে এই আন্দোলন  ২০০৯ সালে সংঘটিত ইরানীয় সবুজ আন্দোলন থেকে ভিন্ন।[২২][২৩] যদিও কিছু বিশ্লেষকের মতে, হাসান রুহানী গৃহীত অর্থনৈতিক কিছু পলিসি বর্তমান আন্দোলনের মূল কারণ। ভিন্ন বিশ্লেষকেরা বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর উচ্চ পর্যায়ের অসন্তোষের কারণ আঞ্চলিক পর্যায়ের অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরিতে সুপ্রিম লীডার, হাসান রুহানীর ভূমিকা মূল অবদান রাখছে এমনটা বলে মনে করছেন।[২][২৪][২৫] 

দেশের বেশ কিছু অংশে আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে।[২৬] আন্দোলনকারীরা পুলিশ স্টেশন, মিলিটারি সদস্যদের উপর আঘাত ও ক্ষেত্রবিশেষে ভাঙচুর ও আগুন জ্বালিয়েছে।[১৫][১৯] ২০১৮ সালের জানুয়ারির ২ তারিখ অব্দি, অন্তত ২১ জন আন্দোলঙ্কারী, ২ জন নিরাপত্তাকর্মী মারা গিয়েছেন। এছাড়াও প্রায় ১০০০ আন্দোলনকারী গ্রেফতার হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারির ৫ তারিখে,জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার হাই কমিশন থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরান সরকার আন্দোলনকারীদের ন্যযায় মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পূর্বক ইন্টারনেট থেকে বাধা উঠিয়ে নিতে আহবান জানানো হয়।[২৭]

এই আন্দোলনের বিপক্ষে, সরকারী পক্ষে অন্তত হাজার মানুষ ইরানের বিভিন্ন শহরে মিছিল করে।[২৮]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের ফলাফল হিসেবে বর্তমান সরকার ইরানের ক্ষমতায় আসে। যার দরুন, রুহুল্লাহ খামেনেই এর নেতৃত্বে পাহলভী ডাইনাস্টি থেকে খিলাফতীয় ইসলামী শাসনব্যবস্থা আত্মপ্রকাশ করে। তখন থেকেই ইরানের ধর্মীয় ও কনজারভেটিভ চিন্তাভাবনা আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ইস্যুতে পর্যবেক্ষন করা যায়। 

১৯৮৯ সাল থেকে খামেনেই ইরানের সুপ্রিম লীডার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের  দ্বিতীয় দীর্ঘকালীন শাসক (ওমানের সুলতান কাবুসের পরে) হিসেবে ক্ষমতায় থাকেন। তিনি গত শতকের, শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এর পর ইরানের দ্বিতীয় দীর্ঘকালীন শাসকও বটে।[২৯]  খামেনেই সাম্রাজ্য ২০১৩ সালের হিসেব মতে প্রায় ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের ছিল।[৩০]

২০০৬ সালের পারমানবিক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান আন্তর্জাতিক মন্ডলে রেষের উদ্রেক করে এবং দেশটির উপর আন্তর্জাতিক বাধা বহাল হয় ২০১৫ সালে কিছু চুক্তির মাধ্যমে দেশটির সাথে আন্তর্জাতিক শক্তির কিছু অর্থনৈতিক সাহায্য বিনিময়ের বোঝাপড়া হয়।

এই আন্তর্জাতিক বাধা ইরানের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। ইরানের মুদ্রাস্ফীতি, বেকার সমস্যা এবং দ্রব্যমূল্যের উচ্চমূল্য ইত্যাদি সমস্যা ইরানের জনগন এই আন্তর্জাতিক বাধার ফলে সৃষ্ট হিসেবেই বিবেচনা করে।[৩১] তবে ২০১৫ সালের চুক্তি সাধারণ ইরানের জগণের জীবনে কোন পরিবর্তন না আনায় তারা হতাশ হয়। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক দুরাবস্থা বর্তমান আন্দোলনের ভূমিকা রচনা করলেও তিলে তিলে তা বর্তমান সরকারের দূর্নীতির দিকেও আলোকপাত করতে শুরু করে।[৩২]

আন্দোলনকারীরা তাদের বিক্ষোভের কারণ হিসেবে ডিসেম্বরের মধ্যবর্তীতে প্রকাশিত ২০১৮ সালের বাজেট প্রস্তাবনায় ফুয়েলে ভর্তুকী সরিয়ে ফেলার বিপক্ষে উল্লেখ করেন।[৩৩] যদিও সরকার রেভলিউশনারি গার্ড, ইরানের আর্মির একটি শাখায় এই বাজেটের কোন প্রভাব পড়তে দেয় নাই এবং ২০১৮ সালের প্রস্থাবিত বাজেটেও যথেষ্ট অর্থায়ন করছে।[৩৪] এছাড়াও ধর্মীয় সংগঠনের নামে বিশাল অংকের অর্থ নিয়োগ করা হচ্ছে, যে সংগঠন কোন খাতে অর্থ খরচ করছে তা জবাবদাহিতা করতে বাধ্য নয়।

কারণ[সম্পাদনা]

ইরানের সাহিত্যিক মজি মোহাম্মদী এই আন্দোলনের তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন।[৩৫] সরকারি দূর্নীতি, অর্থনৈতিক দুরাবস্থা এবং ধর্মীয় স্বৈরাচার।তার মতে, ধর্মীয় স্বৈরাচার একটি নীরব লক্ষ্য।  ২০০৯ সালের ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিরোধী আন্দোলনের পর ২০১৭ সাল থেকে সংঘটিত বর্তমান আন্দোলন ইরানে সংঘটিত জনগন কর্তৃক সবচেয়ে বড় আন্দোলন।[২১]

জাতীয় ইরান আমেরিকান পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট তৃতা পারসি এর মতে, বর্তমান আন্দোলনে অংশ নেয়া আন্দোলনকারীরা ২০০৯ সালের আন্দোলনকারীদের চেয়ে ভিন্ন। পারসির মতে, বর্তমান আন্দোলনকারীরা রাজনৈতিক দল ইরান রিফর্মিস্ট (যারা ইরান নতুন করে গঠনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাদের বিপক্ষে থাকা জনতা। যারা ইরানের নতুন গঠনের পক্ষে তারা এই আন্দোলনে বিস্মিত এবং বর্তমান আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে না।[৩৬] সাংবাদিক, সম্পাদক ও রাজনীতি বিশ্লেষক ব্রেট স্টিফেন্স লিখেছেন, "সত্যিকারের গণতান্ত্রিকমননার জনতা নিজ সম্প্রদায়ের লোকেদের ভয়ে ভীত থাকে না।" ইন্টারনেটের বাধা ও আন্দোলনকারী জনগণের প্রতি আসা সহিংস আঘাতের ভিত্তিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার মতে, খামেনেই ২০১৩ সালের হিসাব মতে প্রায় ৯৫ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সাম্রাজ্যের দীর্ঘকালীন শাসক আর এই আন্দোলনের অন্যতম কারণ তার পদচ্যুতির দাবী।[৩৭] ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে, সরকার কর্তৃক প্রকাশিত সম্ভাব্য বাজেট ঘোষনায় ইরানের সাধারণ জনগণের জন্য আরোপিত ভর্তুকী বাতিল করে আয়াতুল্লাহ ফাউন্ডেশন ও রেভলিউশনারী গার্ড (ইরান সামরিক বাহিনীর একটি দল) এর প্রতি বাজেট বাড়ানো হয়েছে।[৩৮] যা সমগ্র দেশ জুড়ে ক্ষোভের সঞ্চার করে এবং অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ #pashimanam (আমরা আমাদের [রুহানীর পক্ষে] ভোটের জন্য অনুতপ্ত) ভাইরাল হয়।[৩৮] 

সরকারি প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

ইংরেজি ভাষা নিষিদ্ধকরণ[সম্পাদনা]

এই আন্দোলনের পরপরই সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পূর্বে খামেনেই ইংরেজি শিক্ষা ইরানে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।[৩৯][৪০]

ইন্টারনেট ও মিডিয়ায় হস্তক্ষেপ[সম্পাদনা]

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুলরেজা রহমানী ফজলী ইরানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের "দাঙা ও সঙ্ঘাত ছড়ানো"র দায় দেন। তিনি হুশিয়ারী দেন, ইন্টারনেটের এহেন অপব্যবহারকারীদের চূড়ান্তভাবে দেখে নেয়া হবে।[৪১] আন্দোলন ছড়ানোর সাথে সাথে দেশজুড়ে বেশী কিছু শহরে ইন্টারনেটে বাধা প্রয়োগ করা হয়।[৪২] ইন্টারনেট ছাড়াও টেলিফোনের লাইন কেটে দেয়া হয়েছিল বেশ কিছু জায়গায়।[৪৩] এমনকি ভিপিএনও বন্ধ করে দেয়াছিল।[৩৮] ওপেন ডিএনএস এর প্রকাশীত তথ্যমতে ইন্টারনেটের বাধা প্রায় ৫০% অব্দি পৌঁছায়।[৪৪][৪৫] এই সময়টাতে ইরানীদের মধ্যে টর এবং প্রক্সি ব্যবহারের হার বিপুলভাবে বৃদ্ধি পায়।[৪৬] ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে ২০১৮ এর ৮ই জানুয়ারি পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম সরকার বন্ধ রাখে।[৪৭][৪৮][৪৯][৫০]

ইরানের সরকারি টিভি চ্যানেলে এই আন্দোলন সংক্রান্ত কোন ধরনের খবর পরিবেশনে নিষেধাজ্ঞা বহাল হয়েছিল।[৫১] এহেন পরিস্থিতিতে আন্দোলনের তথ্য আদানপ্রদানে টেলিগ্রামের ব্যবহার শুরু হয়।[৫২] সরকার একটি বেসরকারী টেলিগ্রাম কোম্পানিকে তাদের সেবা বন্ধ রাখতে বলা হয়। কোম্পানিটি সরকারের আদেশ মেনে নিলে বিপুল বিতর্কের মুখে পড়ে।[৫৩] অন্য একটি সংস্থা সরকারের আহবানে সাড়া না দিলে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।[৫৪] ১৩ জানুয়ারি,২০১৮ তে অবশ্য সরকার কর্তৃক টেলিগ্রামের উপর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হয়।[৫৫][৫৬]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. Reuters (৩০ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Protests over alleged corruption and rising prices spread to Tehran"The Guardian। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  2. Gast, Phil; Andone, Dakin। "Here's why the Iran protests are significant"CNN। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  3. Erdbrink, Thomas (৩০ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Iran Confronts 3rd Day of Protests, With Calls for Khamenei to Quit"। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা – NYTimes.com-এর মাধ্যমে। 
  4. "Iranian protesters attack police stations, raise stakes in unrest"। ২ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ – Reuters-এর মাধ্যমে। 
  5. Smith-Spark, Laura; Andone, Dakin; Jennifer। "Iran warns against 'illegal' gatherings after protests"CNN। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭  অজানা প্যারামিটার |lalst3= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  6. Dehghan, Saeed Kamali; Graham-Harrison, Emma (৩১ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Iranians chant 'death to dictator' in biggest unrest since crushing of protests in 2009"। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ – www.theguardian.com-এর মাধ্যমে। 
  7. "گسترش واکنش‌های بین المللی همزمان با 'ادامه اعتراضات' در ایران"। ৬ জানুয়ারি ২০১৮ – www.bbc.com-এর মাধ্যমে। 
  8. "Iran deploys Revolutionary Guards to quell 'sedition' in protest hotbe"। ৩ জানুয়ারি ২০১৮ – Reuters-এর মাধ্যমে। 
  9. Iran's Revolutionary Guard says unrest fomented by foreign enemies defeated Archived ৭ জানুয়ারি ২০১৮, at the Wayback Machine., Reuters, 7 January 2018
  10. Crisis of expectations: Iran protests mean economic dilemma for government Archived ৩ জানুয়ারি ২০১৮, at the Wayback Machine., Reuters, 1 January 2018
  11. Tchekmedyian, Alene (৭ জানুয়ারি ২০১৮)। "Demonstrators flood Westwood to back anti-regime protests in Iran: 'Least we can do to show we're with them'" – LA Times-এর মাধ্যমে। 
  12. "Ahmadinejad arrested for 'inciting violence' in Iran: report"। ৭ জানুয়ারি ২০১৮। 
  13. 22 people died,"Archived copy"। ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৮  2 of which were security forces members,"Archived copy"। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ "Archived copy"। ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮  leaving a total of 20 protesters reported dead
  14. IranHumanRights.org। "A protester has died of "unknown causes" in Evin Prison's quarantine unit in Tehran on January 6, 2018, according the the Iranian Committee for the Detained in Nationwide Protests. Sina Ghanbari was 23 years old. #IranProtests2018 #IranProtests #IranProtestpic.twitter.com/Gc83WZFe0G"  line feed character in |শিরোনাম= at position 213 (সাহায্য)
  15. correspondent, Saeed Kamali Dehghan Iran; agencies (২ জানুয়ারি ২০১৮)। "Nine more reported dead in Iran as protests enter sixth day"The Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Guardian1" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  16. "Iranian policeman killed, three hurt in protests: police spokesman"। ১ জানুয়ারি ২০১৮। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ – Reuters-এর মাধ্যমে।  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "reuters.com1" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  17. 22 people died,[১] 2 of which were security forces members,[২][৩] leaving a total of 20 protesters reported dead
  18. "More than 1,000 detained in crackdown against Iran protests, rights groups say", Washington Post, 4 January 2018.
  19. "Ex-Iranian president, seen by some as moderate, condemns violence and US"। ২ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  20. "Five things you need to know about protests in Iran"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  21. Dehghan, Saeed Kamali; Graham-Harrison, Emma (৩০ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Iranians chant 'death to dictator' in biggest unrest since crushing of protests in 2009"। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা – www.theguardian.com-এর মাধ্যমে। 
  22. "Supreme leader blames 'enemies of Iran' as protests death toll hits 20"। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  23. Parsi, Trita (১ জানুয়ারি ২০১৮)। "بالاخره "بیداری ایرانیان"There's something different about these Iran protests"CNN (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ 
  24. "Five things you need to know about protests in Iran"। aljazeera। ২ জানুয়ারি ২০১৮ – aljazeera.com-এর মাধ্যমে। 
  25. جهان|TABNAK, سایت خبری تحلیلی تابناك|اخبار ایران و। "توکلی: اعتراضات خیابانی قابل پیش‌بینی بود"سایت خبری تحلیلی تابناك|اخبار ایران و جهان|TABNAK (ফার্সি ভাষায়)। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  26. ERDBRINK, THOMAS; agencies (২ জানুয়ারি ২০১৮)। "Deadly Iran Protests Prompt Warning of Harsher Response"The Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ 
  27. Laura Smith-Spark (জানুয়ারি ৫, ২০১৮)। "UN experts urge Iran to respect rights, end Internet crackdown"। CNN। 
  28. "Iran stages pro-government rallies, derides Trump 'blunder' at U.N."Reuters। Sat Jan 06 21:31:58 UTC 2018। সংগ্রহের তারিখ 2018-01-07  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  29. "The Supreme Leader - The Iran Primer"। ৩০ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৬ 
  30. Stephens, Bret (৬ জানুয়ারি ২০১৮)। "Opinion - Finding the Way Forward on Iran" – NYTimes.com-এর মাধ্যমে। 
  31. Economic protests in Tehran continue to challenge Iran's government Archived ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, at the Wayback Machine.
  32. Iran: Protesters Decry Economic Mismanagement, But Also Express Broader Frustrations Archived ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, at the Wayback Machine.
  33. "The Islamic Republic's Power Centers"cfr.org (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৮ 
  34. "Iran's working class, facing dim prospects, fuels unrest"। AP। ৬ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৮ 
  35. محمدی, مجید (৩০ ডিসেম্বর ২০১৭)। "بالاخره "بیداری ایرانیان" مقابل حکومت روحانیون"رادیو فردا (ফার্সি ভাষায়)। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  36. Parsi, Trita (১ জানুয়ারি ২০১৮)। "بالاخره "بیداری ایرانیان"There's something different about these Iran protests"CNN (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ 
  37. Stephens, Bret (৬ জানুয়ারি ২০১৮)। "Opinion - Finding the Way Forward on Iran"। ৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা – NYTimes.com-এর মাধ্যমে। 
  38. "Iran is in turmoil but the clerics and their allies remain entrenched"The Economist। ৪ জানুয়ারি ২০১৮। ৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা 
  39. "After mass protests, Iran bans English in schools to fight Western 'cultural invasion'" 
  40. "Iran Bans English in Primary Schools After Leaders' Warning"। Voanews.com। ৪ নভেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৮ 
  41. Brocchetto, Marilia; Andone, Dakin (৩১ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Iran restricts social media as protests enter 4th day"CNN। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ 
  42. Morris, David Z. (৩১ ডিসেম্বর ২০১৮)। "Iran Cuts Off Social Media and Some Internet Access as Protests Continue"। fortune.com। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা 
  43. Haaretz; Press, The Associated (২৮ ডিসেম্বর ২০১৭)। "'Islamic Revolution Was Our Mistake': Protests End in Arrests as Iranians March Against Corruption"। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা – Haaretz-এর মাধ্যমে। 
  44. "BGPStream Event #122241"BGPStream (লাতিন ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০১৮। ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  45. "BGPmon.net on Twitter"Twitter (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ নভেম্বর ২০১৭। ৭ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  46. "Users"TOR project (ইংরেজি ভাষায়)। ২ জানুয়ারি ২০১৮। ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  47. "Iran blocks Instagram, Telegram after protests"www.aljazeera.com। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা 
  48. "Iran restricts apps used by protesters"। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা – www.bbc.com-এর মাধ্যমে। 
  49. CNN, Marilia Brocchetto,। "CEO says Iran blocking messaging app after issuing warning to protesters"CNN। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  50. "Instagram restored as Iran stages more pro-government rallies"The National। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৪ 
  51. "Iran blocks internet on third night of protests"। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  52. "Protests in Iran fanned by exiled journalist, messaging app" (ইংরেজি ভাষায়)। Associated Press। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  53. Gambrell, Jon (৩১ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Protests in Iran fanned by exiled journalist, messaging app"। Associated Press। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  54. Durov, Pavel (৩১ ডিসেম্বর ২০১৭)। "Iranian authorities are blocking access to Telegram for the majority of Iranians after our public refusal to shut down t.me/sedaiemardom  and other peacefully protesting channels."@durov (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  55. "Iran unblocks Telegram messenger service shut down during country-wide protests - News - 14.01.2018"DW.COM। ২০১৮-০১-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৪ 
  56. "Iran lifts block on popular messaging app as protests wane"CBC News। ২০১৮-০১-১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৪