হুকের সূত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী রবার্ট হুক (১৬৩৫-১৭০৩) পরীক্ষার সাহায্যে দেখান স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে কোন বস্তুর বিকৃতি তার ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক। তার পরীক্ষালব্ধ এই ফলাফলকে তিনি ১৬৭৬ সালে পত্রিকায় প্রকাশ করেন। এই সূত্র হুকের সূত্র নামে পরিচিত।

সূত্রের বিবৃতি[সম্পাদনা]

হুকের সূত্রের বিবৃতি হলো, "as the extension, so is the force", যার অর্থ বাংলায়,স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর পীড়ন এর বিকৃতির সমানুপাতিক।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৬৭৬ সালে রবার্ট হুক বস্তুর পীড়ন আর বিকৃতি এর মধ্যে একটি সম্পর্ক খুঁজে পান। তিনি তার সেই সূত্রটি আমেরিকার একটি খবরের কাগজে ল্যাটিন ভাষায় একটি ধাঁধার মাধ্যমে প্রকাশ করেন, ধাঁধাটি ছিল এইরকম, "cciiinosststuv", তিনি বলেন এই শব্দটিকে ভালোভাবে সাজালে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য পাওয়া যায়। অনেকে এই ধাঁধা সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবশেষে ১৬৯৪ সালে, প্রায় ১৮ বছর পর তিনি নিজেই ধাঁধা পুনরুদ্ধার করে দিলেন। সমাধানটি ছিলো এরকম, "ut tensio,sic vis"। ইংরেজিতে যার অর্থ, "as the extension, so is the force"। বাংলায় বস্তুর সম্প্রসারণ প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক। এখান থেকেই হুকের সূতের বিবৃতি নেওয়া হয়েছে অর্থাৎ "স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক। "

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]