হাঁটা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কম্পিউটার সিমুলেসনে মানুষের হাঁটার চক্র। এই মডেলে, মাথা সর্বদা একই স্তরের রাখে, যখন একটি নিতম্ব ভুজ বক্ররেখা অনুসরণ করে।

হাঁটা (টহল দেওয়া হিসাবেও পরিচিত) হল পাবিশিষ্ট প্রাণীর গমনের প্রধান চলনভঙ্গি। হাঁটা সাধারণত দৌঁড়ানো ও অন্যান্য চলনভঙ্গির থেকে ধীর গতির। "ইনভারটেড পেনডুলাম"(inverted pendulum) চলনভঙ্গি দ্বারা হাঁটাকে সজ্ঞায়িত করা হয় যখন কেউ নিজের শরীর একটি হাত বা উভয় হাত দ্বারা ভারসাম্য রক্ষা করে পায়ের পেশিগুলো নমনীয় করে উল্লম্ফন দিয়ে বা লাঠি ভর দিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। এটি প্রবাহের সংখ্যাবিহীন, এমনকি আর্থপোড, ছয়টি, আট বা ততোধিক অঙ্গভঙ্গি সহকারে প্রযোজ্য।

দৌড়াঁনো ও হাঁটার মধ্যে পার্থক্য[সম্পাদনা]

১৯৮৭ সালের বিশ্ব দৌড়ঁ প্রতিযোগিতায় দৌড়ঁবিদরা

ইংরেজি শব্দ 'walk'(হাঁটা) পুরানো ইংরেজি শব্দ 'to roll' থেকে অবতীর্ণ হয়েছে বাংলায় যার অর্থ "গড়িয়ে যাওয়া"। মানুষ ও অন্যান্য দ্বিপদ প্রানীর মধ্যে, দৌড়াঁনো থকে হাঁটা সতন্ত্রভাবে আলাদা, হাঁটার সময় মাটি থকে একবারে শুধু একটি পা ওঠে এবং দ্বিগুন সমর্থন পাওয়া যায়। অপরদিকে, দৌড়াঁনোর সময় প্রতি পদক্ষেপে মাটি থেকে দুই পা-ই উঠে যায়।

হাঁটার উপকারিতা[সম্পাদনা]

হাঁটা একদম সহজে করা যায় এমন একটি কাজ এবং বিশেষত এটি বাতজনিত লোকদের প্রচুর সুবিধা দেয়। হাঁটা মানসিক অবক্ষয়কে ধীর করে দেয়।সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দ্বারা সম্পাদিত ৬৫ বা তার অধিক বয়স্ক ৬,০০০ মহিলাদের নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে যে বয়স-সম্পর্কিত স্মৃতি হ্রাস তাদের মধ্যে কম ছিল যারা বেশি হাঁটেন।