হরিপদ হরিবোল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হরিপদ হরিবোল
হরিপদ হরিবোল চলচ্চিত্রের পোস্টার.jpg
হরিপদ হরিবোল চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকসুবীর সাহা
চিত্রনাট্যকারঅমল চক্রবর্তী
কাহিনিকারঅমল চক্রবর্তী
শ্রেষ্ঠাংশেদীপঙ্কর দে
সম্পূর্ণা লাহিড়ী
দোলন রায়
রজতাভ দত্ত
সুমিত সমাদ্দার
দেবদূত ঘোষ
সৌমিতা
বিক্রম আদিত্য অর্জুন
সঞ্জয় বিশ্বাস
ভিকি
শর্মিষ্ঠা নাগ
সরসী ঘোষ
শিপ্রা পাল
চিত্রগ্রাহকঅসীম বসু
সম্পাদকসৌমিত্র খাঁড়া
প্রযোজনা
কোম্পানি
রঘু ইন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড
মুক্তি
  • ১৮ আগস্ট ২০১৭ (2017-08-18)
দৈর্ঘ্য১০৪ মিনিট
দেশভারত
ভাষাবাংলা

হরিপদ হরিবোল ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় বাংলা ভাষার একটি হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্রসুবীর সাহা পরিচালিত এই ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন রজতাভ দত্ত। এই ছবিটি মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য হাস্যরসময় চলচ্চিত্র।

কাহিনী[সম্পাদনা]

হরিপদ একজন মধ্যবিত্ত কৃপন চাকুরিজীবি। কিন্তু রাস্তায় ধাক্কা লাগা একটি মেয়ে সুচীর মাধ্যমে তার এই কৃপনতা নামক বদ অভ্যাসের অবসান ঘটে। বদলে যায় তার চল-চরণ ও কৃপণতা। হরিপদের আকস্মিক রুপ বদলের কারণ উন্মোচিত হয় সিনেমার শেষের দিকে। সে এতটাই কৃপন যে বাজার করতে গিয়ে খরচের ভয়তে পঁচা শাক-সবজি কিনে আনত। এর জন্য বউয়ের কাছে কম ঝারিও খেতে হয়নি। প্রতিদিন তাড়াহুড়ো করে বাসে চড়ে তাকে অফিসে যেতে হতো। হঠাৎ একদিন তাড়াহুড়ো করে অফিসে যাবার তার সাথে এক অল্পবয়সী মেয়ে সূচির সাথে ধাক্কা লাগে। পরদিন আবার ঐ মেয়েটির সাথে হরিপদর দেখা হলে মেয়েটি তাকে লিফট দেয়। এভাবে প্রতিদিন চলতে থাকে। মেয়েটি একসময় প্রেমের প্রস্তাব দিলে হরিপদ বয়সের পার্থক্য কারণে বাহানা করলেও একসময় সে সুচীর প্রেমে পরে যায়। এভাবে দুজনার ভালই বোঝাপরা চলতে থাকে। অন্য দিকে হরিপদের মেয়ে অফিসের এক কলিকের সাথে তার মেয়ের প্রেম চলতে থাকে। হরিদপ ও সুচির মধ্যকার সম্পর্কটি যে একটা অভিনয় ছিল তা বুঝতে পারে হরি।

চরিত্র[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]