দলিত
| উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল | |
|---|---|
| ২০.১৪ কোটি[১] (২০১১) | |
| ৬৫ লাখ[২] (২০১০) | |
| ৫০ লাখ[৩] (২০১১) | |
| ৫০ লাখ[৪] (২০১১) | |
| ৩০ লাখ (২০১১) | |
| ৫ লাখ[৫] (২০১৩) | |
| অজানা (২০১৩) | |
| ২.৫ লাখ[৬] (২০১৩) | |
| অজানা (২০১৩) | |
| অজানা (২০১৩) | |
| ভাষা | |
| দক্ষিণ এশিয়ার ভাষা | |
| ধর্ম | |
| হিন্দু · শিখ · বৌদ্ধ · খ্রিস্টান · ইসলাম | |
| সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী | |
| ইন্দো আর্য, দ্রাবিড়, মুন্ডা | |
দলিত শব্দের দ্বারা ভারত-এর এমন কিছু জাতিগত গোষ্ঠীকে বোঝানো হয় যারা সচরাচর নিপীড়িত এবং অনগ্রসর জাতিরূপে চিহ্নিত।[৭] সংস্কৃত এবং হিন্দী ভাষায় দলিত শব্দের অর্থ হচ্ছে "ভগ্ন" বা "ছিন্নভিন্ন"। দলিতদের অনেকে হিন্দু ধর্মের চারি বর্ণ ব্যবস্থা থেকে আলাদা বলে এবং পঞ্চম বর্ণ হিসাবে দেখায়, যা পঞ্চমা নামেও পরিচিত। দলিতদের বেশিরভাগ বর্তমানে হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এছাড়া তারা বৌদ্ধ ধর্ম, শিখ ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম এবং বিভিন্ন লোকধর্ম সহ বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসকে বিশ্বাস করে। ভারতের ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে দলিতদের সংখ্যা ২০ কোটি যা ভারতের জনসংখ্যার ১৬%।[৮]
দলিত শব্দটি ১৯৩৫ সালের আগেকার ব্রিটিশ রাজ-এর জনগণনার শ্রেণিবিভাজনের সময়ের অবহেলিত শ্রেণী বা ডিপ্রেসড ক্লাসের অনূদিত রূপ। অর্থনীতিবিদ এবং সংস্কারক ভীমরাও রামজি আম্বেডকর (১৮৯১-১৯৫৬) দলিত শব্দটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেন। তিনি জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত শোকগ্রস্ত লোককে দলিত সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করেন।[৯] তার গঠন করা "লেবার পার্টি"-তে সমাজের নিম্ন শ্রেণীর সমস্ত লোককে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন যাদের মধ্যে মহিলা, ক্ষুদ্র কৃষক তথা অনগ্রসর শ্রেণীর লোকরা ছিল। আম্বেদকর নিজে একজন নিম্ন বর্ণের মহর সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন। ১৯৭০ দশকে "দলিত" শব্দের ব্যবহার আবার জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন যখন 'দলিত পেন্থার' সমাজকর্মী গোষ্ঠী এর ব্যবহার করেছিল। ক্রমে ক্রমে রাজনৈতিক দলসমূহও নিজেদের লাভালাভের জন্য এই শব্দের ব্যবহার আরম্ভ করে। কানহাইয়া কুমার-এর মতে "দলিত" শব্দের সংজ্ঞা অধিক ব্যাপক, একজন ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কৃষক যিনি অতি কষ্টে জীবন নির্বাহ করছেন তিনিও "দলিত" শ্রেণীতে পড়েন।[১০][১১]
ভারতের অনুসূচীত জাতির জাতীয় আয়োগে দলিত শব্দের সরকারি ব্যবহারকে "অসাংবিধানিক" আখ্যা দেন এবং 'অনুসূচীত জাতি' শব্দের ব্যবহারকে প্রধান্য দেন। পরে কিছু সূত্র অনুসারে দলিত শব্দ এমন কিছু জনগোষ্ঠীকে নিয়েছে যাদের সাংবিধানিকভাবে অনুসূচীত জাতির স্বীকৃত দেয়া হয়নি এবং সাধারণত একটি ভারতের নিপীড়িত লোকদের বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। নেপালেও এমন একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মহাত্মা গান্ধী ১৯৩৩ সালে সমাজে অস্পৃশ্য বলে বিবেচনা করা লোকদের হরিজন নামে নামকরণ করে।[১২] হরিজনের অর্থ হচ্ছে হরি বা ভগবানের লোক। হরিজন শব্দটিকে ও পরে মর্যাদাহানিকর (derogatory) এবং অনুপালক (patronising) বলে অনেকে বিবেচনা করে । সেজন্য এই শব্দটি বর্তমানে তেমন ব্যবহার করা হয় না।[১৩] দলিত শব্দ ব্যবহারও কেরালা রাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।[১৪]
পরিভাষা
[সম্পাদনা]দলিত শব্দটি তাদের বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যাদেরকে আগে "অস্পৃশ্য" বলা হতো এবং যারা ঐতিহ্যগত হিন্দু জাতি-ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন।[১৫][১৬] অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক বিমরাও রামজি আম্বেদকর (১৮৯১–১৯৫৬) মত দেন যে অস্পৃশ্যতা প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় সমাজে প্রবেশ করে, যখন বৌদ্ধধর্ম ও ব্রাহ্মণ্যবাদ-এর মধ্যে প্রাধান্য বিস্তারের সংগ্রাম চলছিল।[১৭] কিছু হিন্দু পুরোহিত অস্পৃশ্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতেন এবং এর ফলে নিজেরাই নিম্নবর্ণে অবনমিত হন। একনাথ, যিনি এক সময়ে সমাজচ্যুত ব্রাহ্মণ ছিলেন, ভক্তি যুগে অস্পৃশ্যদের অধিকার রক্ষায় লড়াই করেন।[১৮]
১৮৮০-এর দশকের শেষ দিকে জ্যোতিরাও ফুলে মারাঠি ভাষায় 'দলিত' শব্দটি ব্যবহার করেন সমাজচ্যুত ও অস্পৃশ্যদের জন্য, যারা হিন্দু সমাজে নিপীড়িত ও ভগ্ন ছিল।[১৯] দলিত শব্দটি সংস্কৃত 'दलित' (দলিত) থেকে এসেছে, যার অর্থ "ভাগ করা, চূর্ণ, ভগ্ন, ছড়ানো"। প্রাচীন সংস্কৃতে এ শব্দের অর্থ ছিল ভিন্ন, কিন্তু ঊনবিংশ শতকে এর নতুন ব্যবহার দাঁড়ায় "যে ব্যক্তি চারটি বর্ণের অন্তর্ভুক্ত নয়"।[২০] সমাজ সংস্কারক জ্যোতিরাও ফুলে সম্ভবত প্রথম এ অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেন, অস্পৃশ্য জাতিগোষ্ঠীর উপর হিন্দু সমাজের নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে।[২১] ১৯৩৫ সালের আগে ভারতীয় জনগণনার "অবদমিত শ্রেণি"র অনুবাদ হিসেবেও দলিত শব্দটি ব্যবহৃত হয়। পরে আম্বেদকর এ শব্দটি জনপ্রিয় করে তোলেন।[২২] তিনি শুধু এক বিশেষ জাতিকে নয়, বরং সব নিপীড়িত শ্রেণিকে দলিত হিসেবে চিহ্নিত করেন।[২৩] যারা হিন্দুধর্মের চার-বর্ণ প্রথার বাইরে ছিলেন, তারা নিজেদেরকে পঞ্চম বর্ণ বা পঞ্চম হিসেবে পরিচিত করতেন।[২৪] ১৯৭০-এর দশকে দলিত প্যান্থারস আন্দোলনের মাধ্যমে এ শব্দটির ব্যবহার নতুনভাবে জোরদার হয়।[১৫]
সামাজিক-আইনি গবেষক অলিভার মেন্ডেলসন এবং অর্থনীতিবিদ মারিকা ভিজসিয়ানি ১৯৯৮ সালে মন্তব্য করেন যে দলিত শব্দটি "তীব্র রাজনৈতিক" রূপ নিয়েছে। তাদের মতে, এ শব্দটি অস্পৃশ্য রাজনীতির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করলেও এটি সকল অস্পৃশ্য জনগোষ্ঠীকে একত্রিত রাজনৈতিক অবস্থানে বাধ্যতামূলকভাবে দাঁড় করানোর ঝুঁকি বহন করে।[২১] আনন্দ তেলতুম্বড়েও বলেন, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বৌদ্ধদের মধ্যে অনেকেই দলিত পরিচয় অস্বীকার করেন, কারণ তারা মনে করেন বৌদ্ধ হিসেবে আর দলিত পরিচয়ে আবদ্ধ নন।[২৫]
ধর্ম ও এশীয় অধ্যয়নের অধ্যাপক জেমস লোখটেফেল্ড ২০০২ সালে উল্লেখ করেন যে দলিত শব্দের গ্রহণ ও প্রসার তাদের মধ্যে আত্মসচেতনতার বৃদ্ধি এবং সাংবিধানিক অধিকারের দাবিতে তাদের দৃঢ়তার প্রতিফলন ঘটায়।[২৬]
অন্যান্য পরিভাষা
[সম্পাদনা]সরকারি পরিভাষা
[সম্পাদনা]ভারতের অনুসূচিত জাতি কমিশন (এনসিএসসি) সরকারি নথিতে দলিত শব্দকে "অসাংবিধানিক" বলে মনে করে, কারণ আধুনিক আইন অনুযায়ী সরকারি ব্যবহারযোগ্য শব্দ হলো অনুসূচিত জাতি। তবে কিছু সূত্র মতে, দলিত শব্দটি অনুসূচিত জাতি-র তুলনায় আরও বিস্তৃত জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং কখনো কখনো এটি সমগ্র ভারতের নিপীড়িত জনগণকে বোঝাতে ব্যবহার হয়। অনুরূপ পরিস্থিতি নেপাল-এও দেখা যায়।[২৭][২৮]
অনুসূচিত জাতি শব্দটিকে সরকারি স্বীকৃত পরিভাষা হিসেবে ধরে ভারতের জাতীয় কমিশন ফর স্কেজুলড কাস্টস (এনসিএসসি)। তাদের মতে, আধুনিক আইন দলিত শব্দ ব্যবহার করে না, তাই সরকারি নথিতে এটি "অসাংবিধানিক"। ২০০৪ সালে এনসিএসসি লক্ষ্য করে যে কিছু রাজ্য সরকার নথিতে দলিত ব্যবহার করছে এবং তাদের তা বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানায়।[২৯]
কিছু সূত্র মতে, দলিত শব্দটি সরকারি অনুসূচিত জাতি সংজ্ঞার তুলনায় অধিক জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে ভ্রাম্যমাণ উপজাতি এবং ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ রাজ-এর প্রবর্তিত ইতিবাচক বৈষম্য আইনে অন্তর্ভুক্ত আরেকটি সরকারি শ্রেণি, অর্থাৎ অনুসূচিত উপজাতি-ও পড়ে।[৩০] কখনো কখনো এটি ভারতের সমগ্র নিপীড়িত জনগণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়,[৩১] এবং নেপালেও এ অর্থে ব্যবহার হয়।[৩২] অনুসূচিত জাতি শব্দের একটি সীমাবদ্ধতা হলো ভারতীয় আইনে এদের শুধু বৌদ্ধ, হিন্দু বা শিখ ধর্মাবলম্বী হিসেবে গণ্য করা হয়,[৩৩] অথচ খ্রিস্টান ও মুসলিম সম্প্রদায়েরও অনেকেই নিজেদেরকে দলিত খ্রিস্টান বা দলিত মুসলিম হিসেবে দাবি করেন।[৩৪] আবার উপজাতীয় জনগণ প্রায়শই লোকায়ত ধর্ম পালন করেন।[৩৫]
হরিজন
[সম্পাদনা]হরিজন শব্দের অর্থ 'ঈশ্বরের সন্তান'। এটি নরসিংহ মেহতা, গুজরাটি ভক্তি ধারার কবি-সাধক, সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন ভক্তদের বোঝাতে, জাতি, লিঙ্গ বা শ্রেণি নির্বিশেষে।[৩৬] মহাত্মা গান্ধী, যিনি মেহতার ভক্ত ছিলেন, ১৯৩৩ সালে প্রথম দলিতদের পরিচয়ে হরিজন শব্দ ব্যবহার করেন। কিন্তু আম্বেদকর এ নামটি পছন্দ করেননি, কারণ এতে দলিতদের আলাদা সম্প্রদায় হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর হিন্দু জাতির অধীন সন্তান হিসেবে দেখা হয়। অনেক দলিতও শব্দটিকে অবমাননাকর ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যসূচক মনে করেন এবং দাবি করেন, এর প্রকৃত অর্থ আসলে দেবদাসীদের সন্তান।[৩৭][৩৮] ভারতের স্বাধীনতার পর অস্পৃশ্যতা নিষিদ্ধ হলে, হরিজন শব্দের ব্যবহার অন্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বাড়ে, কিন্তু দলিতরা নিজেরা খুব কমই এটি ব্যবহার করেন।[৩৯]
আঞ্চলিক পরিভাষা
[সম্পাদনা]দক্ষিণ ভারতে, দলিতদের কখনো আদি দ্রাবিড়, আদি কর্ণাটক, এবং আদি আন্ধ্র বলা হয়। এর অর্থ যথাক্রমে প্রথম দ্রাবিড়, কর্ণাটকীয় এবং আন্ধ্র। এ শব্দগুলো ১৯১৭ সালে দক্ষিণের দলিত নেতারা প্রবর্তন করেন, যারা বিশ্বাস করতেন যে তারা ভারতের আদি অধিবাসী।[৪০] এগুলো তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, এবং আন্ধ্র প্রদেশ/তেলেঙ্গানা রাজ্যে ব্যবহার হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
মহারাষ্ট্রে, ইতিহাসবিদ ও নারী অধ্যয়ন বিশেষজ্ঞ শৈলজা পাইকের মতে, দলিত শব্দটি প্রধানত মাহার জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যবহৃত হয়, যেখানে আম্বেদকরের জন্ম হয়েছিল। অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের নিজস্ব জাতি নাম ব্যবহার করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।[৪১]
নেপালে, হরিজন বা দলিত ছাড়াও হারিস (মুসলমানদের মধ্যে), অচ্ছুত, আউটকাস্ট, এবং নীচ জাতি শব্দ ব্যবহার হয়।[৪২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Half of India's dalit population lives in 4 states - Times of India"। The Times of India। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "The Dalits In Bangladesh"। দ্য ডেইলি স্টার। 19 जन॰ 2016। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=,|তারিখ=, এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Pasic, Damir। "Nepal"। International Dalit Solidarity Network। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Pasic, Damir। "Sri Lanka"। International Dalit Solidarity Network। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Experiences of caste prejudice in UK"। BBC News। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "About"। 2 मार्च 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 1 मार्च 2019।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এবং|আর্কাইভের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "From Buddhist texts to East India Company to now, 'Dalit' has come a long way - Times of India"। The Times of India।
- ↑ "India: Official Dalit population exceeds 200 million"। idsn.org। ২৯ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Independent labour party: 19th July (1937) in Dalit History – Dr. Ambedkar took oath as the member of Bombay Legislative Council"। drambedkarbooks.com/। Dr. Ambedkar Books। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Venu, M.K. (১০ নভেম্বর ২০১৬)। "Kanhaiya Kumar - the journey from Bihar to Tihar"। The Wire। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Ali, Salim (১১ নভেম্বর ২০১৭)। "Jaggernaut: From Bihar to Tihar - Kanhaiya Kumar, a discussion (11 November 2017)"। Kanhaiya Kumar Official website (on you tube)।
- ↑ अछूत कोन और कैसे : डॉ. भीमराव अम्बेडकर, 1949
- ↑ Ananya, Vajpeyi (১৪ আগস্ট ২০১৮)। "How to move a mountain"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Kerala government bans use of the words "harijan" and "dalit""। Outlook India। ১৭ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- 1 2 Kaminsky; Long, Roger D. (২০১১)। India Today: An Encyclopedia of Life in the Republic। ABC-CLIO। পৃ. ১৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১৩-৩৭৪৬৩-০ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Kanmony, Jebagnanam Cyril (২০১০)। Dalits and Tribes of India। Mittal Publications। পৃ. ১৯৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৩২৪-৩৪৮-৩ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ "Top RSS leader misquotes Ambedkar on untouchability"। হিন্দুস্তান টাইমস। ১৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Eknath | Marathi Poet, Bhakti Movement & Maharashtra"। www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৩।
- ↑ Robinson, Rowena (২০০৩)। Christians of India। নয়াদিল্লি: Sage Publications। পৃ. ১৯৩–৯৬। আইএসবিএন ০৭৬১৯৯৮২২৫ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ "Dalit, n." OED Online. Oxford University Press, June 2016. Web. 23 August 2016.
- 1 2 Mendelsohn, Oliver; Vicziany, Marika (১৯৯৮)। The Untouchables: Subordination, Poverty and the State in Modern India। Cambridge University Press। পৃ. ৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫৫৬৭১-২।
- ↑ Katuwal, Shyam Bahadur (২০০৯)। "The Issues and Concerns of Dalit Labourers in Nepal"। Mohanty, Panchanan; Malik, Ramesh C.; Kasi, Eswarappa (সম্পাদকগণ)। Ethnographic Discourse of the Other: Conceptual and Methodological Issues। Cambridge Scholars Publishing। পৃ. ১১৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪৩৮-০৮৫৬-৯ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ "Independent labour party: 19th July (1937) in Dalit History – Dr. Ambedkar took oath as the member of Bombay Legislative Council"। drambedkarbooks.com/। Dr. Ambedkar Books। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Sagar, S.; Bhargava, V. (২০১৭)। "Dalit Women in India: Crafting Narratives of Success"। Chaudhary, Nandita; Hviid, Pernille; Marsico, Giuseppina; Villadsen, Jakob Waag (সম্পাদকগণ)। Resistance in Everyday Life: Constructing Cultural Experiences। Springer। পৃ. ২২। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-৮১১০৩-৫৮১-৪ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Teltumbde, Anand (২০১৬)। Dalits: Past, present and future। Routledge। পৃ. ১০–১১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৫৫২-৬৪৩-০ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Lochtefeld, James G. (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M। The রোজেন পাবলিশিং গ্রুপ। পৃ. ১৬৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৭৯-৮ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ "Why Dalits want to hold on to Dalit, not Harijan, not SC"। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "What's in a name?: on the use of the term 'Dalit'"। দ্য হিন্দু (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Dalit word un-constitutional says SC"। এক্সপ্রেস ইন্ডিয়া। ১৮ জানুয়ারি ২০০৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- ↑ Zelliot, Eleanor (২০১০)। "India's Dalits: Racism and Contemporary Change"। Global Dialogue। ১২ (2)। ৩০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;kaminsky2নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Kanmony2নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;2011Censusনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Fuller, C. J. (মার্চ ১৯৭৬)। "Kerala Christians and the Caste System"। Man। New series। ১১ (1): ৫৩–৭০। ডিওআই:10.2307/2800388। জেস্টোর 2800388।
- ↑ "Tribal Religions"। ইউ.এস. কংগ্রেস গ্রন্থাগার। কংগ্রেস গ্রন্থাগার কান্ট্রি স্টাডিজ। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭।
- ↑ Ramabadran, Sudharshan; Paswan, Guru (২০২১)। Makers of Modern Dalit History। পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া। পৃ. xv। আইএসবিএন ৯৭৮-০১৪৩৪৫১৪২৬।
- ↑ "Stop calling Dalits 'Harijan': SC calls the term abusive, as we remain ignorant and insensitive"। দ্য নিউজ মিনিট। ২৭ মার্চ ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ Omvedt, Gail (২০০৮)। Ambedkar: towards an enlightened India। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। আইএসবিএন ৯৭৮-০১৪৩০৬৫৯০৬।
- ↑ Perez, Rosa Maria (২০০৪)। Kings and untouchables : a study of the caste system in western India। নয়াদিল্লি: ক্রনিকল বুকস। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৮-১৮০২৮-০১৪-৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৭ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Mendelsohn, Oliver; Vicziany, Marika (১৯৯৮)। The Untouchables: Subordination, Poverty and the State in Modern India। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃ. ৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১৫৫-৬৭১-২ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Paik, Shailaja (সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Mahar–Dalit–Buddhist: The history and politics of naming in Maharashtra"। Contributions to Indian Sociology। ৪৫ (2): ২১৭–২৪১। ডিওআই:10.1177/006996671104500203। এস২সিআইডি 144346975।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;katuwal2নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি