স্যাকারিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
স্যাকারিন[১]
Saccharin.svg
Saccharin-from-xtal-3D-balls.png
নামসমূহ
ইউপ্যাক নাম
1,1-dioxo-1,2-benzothiazol-3-one [২]
অন্যান্য নাম
Benzoic sulfimide
শনাক্তকারী
ত্রিমাত্রিক মডেল (জেমল)
সিএইচইবিআই
সিএইচইএমবিএল
কেমস্পাইডার
ইসিএইচএ ইনফোকার্ড ১০০.০০১.২০২
ইসি-নম্বর
ই নম্বর E৯৫৪ (গ্লেজিং এজেন্ট, ...)
কেইজিজি
ইউএনআইআই
বৈশিষ্ট্য
C7H5NO3S
আণবিক ভর ১৮৩.১৮ g·mol−১
বর্ণ White crystalline solid
ঘনত্ব 0.828 g/cm3
গলনাঙ্ক ২২৮.৮ থেকে ২২৯.৭ °সে (৪৪৩.৮ থেকে ৪৪৫.৫ °ফা; ৫০১.৯ থেকে ৫০২.৮ K)
1 g per 290 mL
অম্লতা (pKa) 1.6[৩]
সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা ছাড়া, পদার্থসমূহের সকল তথ্য-উপাত্তসমূহ তাদের প্রমাণ অবস্থা (২৫ °সে (৭৭ °ফা), ১০০ kPa) অনুসারে দেওয়া হয়েছে।
N যাচাই করুন (এটি কি YesYN ?)
তথ্যছক তথ্যসূত্র

স্যাকারিন হলো চিনির থেকে ৩০০-৫০০ গুণ মিষ্টি একটি রাসায়নিক। এর রাসায়নিক নাম সোডিয়াম স্যাকারিন অথবা বেনজো-সালফিমাইড।[৪] এটি একটি কৃত্রিম মিষ্টি যার কার্যকরভাবে কোনও খাদ্যশক্তি নেই। নানারকম পানীয়, ক্যান্ডি, কুকিজ, ওষুধ প্রভৃতি উপকরণগুলির মিষ্টতা আনতে স্যাকারিন ব্যবহৃত হয়।

ধর্ম[সম্পাদনা]

স্যাকারিনের সোডিয়াম লবণের গুঁড়ো

তাপ দিলেও স্যাকারিন স্থিতিশীল থাকে।[৫] এটি অন্যান্য খাদ্য উপাদানের সাথে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে না। এটিকে ভাল করে সংরক্ষণ করা যায়। অন্য মিষ্টিকারী ( sweetener ) রাসায়নিকের ধর্মের পরিবর্তন ও উন্নতি করতে স্যাকারিন মেশানো হয়।

আম্লিক অবস্থায় স্যাকারিন জলে দ্রবণীয় নয়। তাই স্যাকারিনের সোডিয়াম লবণই ব্যবহার করা হয়।[৬] কখনও কখনও স্যাকারিনের ক্যালসিয়াম লবণও ব্যবহার করা হয়, বিশেষতঃ যে সব লোকেদের খাবারের তালিকায় সোডিয়াম লবণের গ্রহণ সীমাবদ্ধ থাকে। দুই ধরনের লবণই জলে বেশ দ্রবণীয়। সাধারণ তাপমাত্রায় জলে এর দ্রবণীয়তা হলো ০.৬৭ গ্রাম / মিলি।[৭]

সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যে প্রভাব[সম্পাদনা]

১৯৭০এর দশকে পরীক্ষাগারে ইঁদুরের উপর গবেষণায় বিজ্ঞানীরা স্যাকারিন বেশি মাত্রা প্রয়োগের সঙ্গে মূত্রাশয়ের ক্যান্সারের বিকাশের একটি মিল খুঁজে পেয়েছিলেন।[৮]

রসায়ন[সম্পাদনা]

প্রস্তুতি[সম্পাদনা]

স্যাকারিন নানা উপায়ে তৈরি করা যায়।[৯] স্যাকারিন প্রস্তুতের আদি পদ্ধতি হলো রেমসেন এবংফলবার্গের পদ্ধতি।এক্ষেত্রে কাঁচামাল হলো টলুইন। অন্য পদ্ধতির কাঁচামাল হলো অর্থো-ক্লোরোটলুইন।[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Merck Index (11th সংস্করণ)। পৃষ্ঠা 8282। 
  2. "IUPAC-Name"। PubChem। ২০১৭-০৮-২৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; BellHigginson নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. "Saccharin (Inactive Ingredient)"। drugs.com। ২০১৭-১২-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  5. "Sweetener Comparisons"Food Ingredient Series। NCSU। ২০০৬। ২০১৯-০১-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  6. Chattopadhyay, S.; Raychaudhuri, U.; Chakraborty, R. (এপ্রিল ২০১৪)। "Artificial sweeteners – a review"Journal of Food Science and Technology51 (4): 611–621। ডিওআই:10.1007/s13197-011-0571-1পিএমআইডি 24741154পিএমসি 3982014অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  7. Fahlberg, C.; Remsen, I. (১৮৭৯)। "Über die Oxydation des Orthotoluolsulfamids" [On the oxidation of orthotoluenesulphamide]। Berichte der Deutschen Chemischen Gesellschaft zu Berlin12: 469–473। ডিওআই:10.1002/cber.187901201135। ২০১৩-০৫-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  8. "Artificial Sweeteners and Cancer"National Cancer Institute। ২০০৫-০৮-১৮। ২০১৫-১২-০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  9. Ager, D. J.; Pantaleone, D. P.; Henderson, Scott A.; Katritzky, A. R.; Prakash, I.; Walters, D. E. (১৯৯৮)। "Commercial, Synthetic Nonnutritive Sweeteners"। Angewandte Chemie International Edition37 (13–24): 1802–1823। ডিওআই:10.1002/(SICI)1521-3773(19980803)37:13/14<1802::AID-ANIE1802>3.0.CO;2-9 
  10. Bungard, G. (১৯৬৭)। "Die Süßstoffe" [Sweeteners]। Der Deutscher Apotheker19: 150।