সৌদি আরবের প্রধান মুফতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

সৌদি আরবের প্রধান মুফতির পদটি দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃত্বধারী। স্বয়ং বাদশাহ উক্ত পদে একজনকে নিয়োগ প্রদান করেন। পদাধিকার বলে প্রধান মুফতি দেশের ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির স্থায়ী সদস্য হন।

ভূমিকা[সম্পাদনা]

প্রধান মুফতি সৌদি আরবের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। তার প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন আইনি ও সামাজিক বিষয়ে ফতোয়া প্রদান করা।[১] সৌদি আরবের আদালত ব্যাবস্থা তার এই ফতোয়ার দ্বারা ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৫৩ সালে বাদশাহ আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের জন্য প্রধান মুফতির পদ সৃষ্টি করেন। তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আশ-শেখ কে উক্ত পদে নিয়োগ দেন। তিনিই প্রথম প্রধান মুফতি।[৩] সাধারণত আশ-শেখ বংশ থেকেই প্রধান মুফতি নির্বাচিত হয়ে থাকে। এই বংশটিতেই মুহাম্মদ ইবনে আব্দ আল-ওয়াহাব জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।[৪] তবে ইবনে বায এই বংশের সদস্য না হয়েও প্রধান মুফতি হয়েছিলেন।[৫] ১৯৬৯ সালে বাদশাহ ফয়সাল প্রধান মুফতির পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং এর পরিবর্তে বিচারপতি মন্ত্রক চালু করেন। এরপর ১৯৯৩ সালে ইবনে বায কে প্রধান মুফতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে আবার পদটি চালু হয়।[৬] ইবনে বাযের মৃত্যুর পর বাদশাহ ফাহাদ বর্তমান মুফতি আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখ কে নিযুক্ত করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্তদের তালিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Baamir, Abdulrahman Yahya (২০১০)। Shari'a Law in Commercial and Banking Arbitration। পৃ: ২৮। আইএসবিএন 9781409403777 
  2. Baamir, Abdulrahman Yahya (২০১০)। Shari'a Law in Commercial and Banking Arbitration। পৃ: ২৯। আইএসবিএন 9781409403777 
  3. Hatina, Meir (২০০৮)। Guardians of faith in modern times: ʻulamaʼ in the Middle East। পৃ: ২২১। আইএসবিএন 978-90-04-16953-1 
  4. Federal Research Division (২০০৪)। Saudi Arabia A Country Study। পৃ: 232–233। আইএসবিএন 978-1-4191-4621-3 
  5. AbuKhalil, Asʻad (২০০৪)। The battle for Saudia Arabia: royalty, fundamentalism, and global power। পৃ: ৬৬। আইএসবিএন 978-1-58322-610-0 
  6. Watson, Mark (২০০৮)। Prophets and princes: Saudi Arabia from Muhammad to the present। পৃ: ৩২৮। আইএসবিএন 978-0-470-18257-4