সৈয়দা খাতুন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কাউন্সিলর
সৈয়দা খাতুন
এমবিই
টিপটন গ্রীন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৬ মে ১৯৯৯
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মসৈয়দা আমিনা খাতুন
(1969-01-10) ১০ জানুয়ারি ১৯৬৯ (বয়স ৫০)
পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
জাতীয়তাব্রিটিশ
রাজনৈতিক দললেবার পার্টি(যুক্তরাজ্য)
সম্পর্কমুনির আলী(ভাই)
সন্তান
বাসস্থানটিপটন, স্যান্ডওয়েল, ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস, ইংল্যান্ড
পেশাযুবকর্মী
জীবিকারাজনীতিবিদ
ধর্মইসলাম

সৈয়দা আমিনা খাতুন(জন্মঃ ১০ জানুয়ারি ১৯৬৯) হচ্ছেন ব্রিটিশ লেবার পার্টি এর রাজনীতিবিদ, স্যান্ডওয়েল মেট্রোপলিটন ব্ররগ কাউন্সিল এর টিপটন গ্রিন এর কাউন্সিলর এবং মন্ত্রিসভার শিক্ষা উপদেষ্টা। ১৯৯৯ সাকে প্রথম বাংলাদেশি মহিলা হিসাবে মিডল্যান্ডস অঞ্চলে নির্বাচিত হন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

খাতুন সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৫ সালের অক্টোবরে পিতা-মাতার সাথে ইংল্যান্ড এ স্থানান্তরিত হন। [১][২][৩]

পেশাজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে, খাতুন প্রথম চাকরি শুরু করেন গবেষক হিসাবে শিক্ষা বিভাগে এবং পরবর্তিতে ভাষা সহায়ক শিক্ষক হন।[২][৩]

১৯৮০ দশকের মাঝামাঝি থেকে, খাতুন বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক সংস্থা পরিচালনা করেন। সে মিডল্যান্ডে সাহায্য, পরিচালনা এবং এমনকি মহিলা সংগঠন চালু করে যেমন বাংলাদেশি ওম্যান এ্যাসোসিয়েশন, লকাল ইয়াং ওম্যান। সে অসংখ্য তরুণ সংগঠন তৈরিতে অবদান রাখে। এছাড়াও সে পরিবেশ উন্নয়নের একজন প্রচারক।[২][৩]

১৯৯৫ সাল থেকে খাতুন তরুণ কর্মি হিসাবে এবং তার সাথে প্রকল্প পরিচালক হিসাবে আঞ্চলিক দল “আশা প্রজেক্ট” এ কাজ করে।সে রোওলি রেজিস এবং টিপটন প্রাইমারী কেয়ার ট্রাস্টের একজন অ-নির্বাহি পরিচালক।সে স্যান্ডওয়েল মেট্রোপলিটন কাইন্সিলের মন্ত্রিসভার শিক্ষা উপদেষ্টা তারই সাথে ইউরোপ পরিষদের বিকল্প সদস্য। এছাড়াও সে টিপটন শহরের চেয়ারম্যান।[২][৩][৪]

১৯৯৯ সালের মে তে স্যান্ডওয়েল মেট্রোপলিটন ব্ররগ কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি মহিলা হিসাবে টিপটন গ্রীনের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন[২][৩] এবং প্রথম মুসলিম মহিলা যে স্যান্ডওয়েল মেট্রোপলিটন ব্ররগ কাউন্সিলে একটি আসন লাভ করে।[১]

পুরুস্কার এবং স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

২০০৪ সালে খাতুনকে স্যান্ডওয়েল উন্নয়নে তার সেবার জন্য তাকে অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার এর সদস্য হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। [৫] ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সে সমাজ সেবার জন্য একটি পুরুস্কার গ্রহণ করেন বার্মিংহাম বাংলাদেশী লীগের পক্ষ থেকে। [৬]

ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

খাতুন একজন মুসলিম।[১] ১৫ বছর বয়সে তার এক আয়োজিত বিবাহ হয় এবং তার দুটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে আছে যারা ১৯৮৫ এবং ১৯৯৫ এর মধ্যে জন্মগ্রহণ করে।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Swingler, Peter; Jones, David (৭ মে ১৯৯৯)। "Syeda takes a place in history; SANDWELL" (ইংরেজি ভাষায়)। বার্মিংহাম: বার্মিংহাম মেইল। পৃষ্ঠা 5। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৫ 
  2. করিম, মোহাম্মেদ আব্দুল; করিম, Shahadoth (জুলাই ২০০৮)। British Bangladeshi Who's Who (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। ব্রিটিশ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ। পৃষ্ঠা 125। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. করিম, মোহাম্মেদ আব্দুল; করিম, Shahadoth (অক্টোবর ২০০৯)। British Bangladeshi Who's Who (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। ব্রিটিশ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ। পৃষ্ঠা 79। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  4. "Syeda Amina Khatun" (ইংরেজি ভাষায়)। Councillor Info। ৩ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১২ 
  5. "New Years Honours 2003, Order of the British Empire, Civil, MBE" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্যা গার্ডিয়ান। ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  6. Brady, Poppy (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Awards to recognise Bangladeshi community" (ইংরেজি ভাষায়)। Birmingham: বার্মিংহাম মেইল। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]