বিষয়বস্তুতে চলুন

সি. এস. লিউইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সি. এস. লিউইস
Monochrome head-and-left-shoulder photo portrait of 50-year-old Lewis
৪৮ বছর বয়সে সি. এস. লিউইস
জন্মক্লাইভ স্টেপলস লিউইস
(১৮৯৮-১১-২৯)২৯ নভেম্বর ১৮৯৮
বেলফাস্ট, আয়ারল্যান্ড
মৃত্যু২২ নভেম্বর ১৯৬৩(1963-11-22) (বয়স ৬৪)
অক্সফোর্ড, ইংল্যান্ড
ছদ্মনামএন. ডব্লিউ. ক্লার্ক
পেশাঔপন্যাসিক, গবেষক, সম্প্রচারক
ধরনখ্রিস্টীয় আপোলজেটিকস, ফ্যান্টাসি, কল্পবিজ্ঞান, শিশুসাহিত্য
উল্লেখযোগ্য রচনাদ্য ক্রনিকলস্ অব নার্নিয়া
মেয়ার খ্রিস্টিয়ানিটি
দি অ্যালিগরি অফ লভ
দ্য স্ক্রেউটেপ লেটারস
দ্য স্পেস ত্রয়ী
টিল উই হ্যাভ ফেসেস
সারপ্রাইজড বাই জয়: দ্য শেপ অফ মাই আর্লি লাইফ
দাম্পত্যসঙ্গীজয় ডেভিডম্যান (বি. ১৯৫৬; মৃ. ১৯৬০)
পূর্ব বেলফাস্টের দ্য লায়ন, দ্য উইচ এবং ওয়ার্ডরোব বইটি থেকে রস উইলসনের সিএস লুইসের স্ট্যাচুটি ওয়ারড্রোবের সামনে

ক্লাইভ স্টেপলস লিউইস (২৯ নভেম্বর, ১৮৯৮ – ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৩) ছিলেন একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, কবি, আকাদেমিক, মধ্যযুগ-বিশেষজ্ঞ, সাহিত্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক, লে ধর্মতাত্ত্বিক, সম্প্রচারক, অধ্যাপক ও খ্রিস্টীয় অ্যাপোলজেটিস্ট। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (ম্যাগডালেন কলেজ, ১৯২৫-৫৪) ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে (ম্যাগডালেন কলেজ ১৯৫৪-৬৩) আকাদেমিক পদ অলংকৃত করেছিলেন। তিনি তার কথাসাহিত্য (বিশেষত দ্য স্ক্রিউটেপ লেটারস, দ্য ক্রনিকলস্ অব নার্নিয়াদ্য স্পেস ত্রয়ী) এবং খ্রিস্টীয় আপোলজেটিকস-সংক্রান্ত গদ্যসাহিত্যের (যথা মেয়ার খ্রিস্টিয়ানিটি, মিরাকলস, ও দ্য প্রবলেম অফ পেইন) জন্য সমধিক পরিচিত।

লিউইস ও তার সহকর্মী ঔপন্যাসিক জে. আর. আর. টলকেইন ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা দুজনেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন এবং ইংলিংগস নামে পরিচিত একটি অ-বিধিবদ্ধ অক্সফোর্ড সাহিত্য গোষ্ঠীতে সক্রিয় ছিলেন। লিউইসের স্মৃতিকথা সারপ্রাইজড বাই জয় অনুসারে, তার দীক্ষা (ব্যাপ্টিজম) হয়েছিল চার্চ অফ ইংল্যান্ডে। কিন্তু কৈশোরে তিনি বিশ্বাসচ্যুত হন। ৩২ বছর বয়সে টলকেইন ও অন্যান্য বন্ধুবর্গের প্রভাবে তিনি আংলিক্যান কমিউনিয়নে প্রত্যাবর্তন করেন এবং “চার্চ অফ ইংল্যান্ডের একজন অযাজক অনুগামীতে” পরিণত হন।[] তার ধর্মবিশ্বাস তার রচনাকর্মের উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং যুদ্ধের সময় খ্রিস্টধর্ম বিষয়ে তার বেতার সম্প্রচারগুলি প্রভূত প্রশংসা লাভ করেছিল।

১৯৫৬ সালে তিনি আমেরিকান লেখিকা জয় ডেভিডম্যানকে বিবাহ করেন। বিবাহের চার বছর পরে ৪৫ বছর বয়সে কর্কটরোগে আক্রান্ত হয়ে ডেভিডম্যান প্রয়াত হন। ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর লিউইস তার ৬৫তম জন্মদিনের এক সপ্তাহ পূর্বে বৃক্ক বিকলতায় তার মৃত্যু ঘটে। ২০১৩ সালে তার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের পোয়েটস’ কর্নারে একটি বিশেষ স্মারকের মাধ্যমে তাকে সম্মানিত করা হয়।

লিউইসের রচনাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং তার লক্ষাধিক কপি বিক্রিত হয়েছে। তার সর্বাধিক বিক্রীত বইটি হল দ্য ক্রনিকল অফ নার্নিয়া। এই বইখানি নাট্যমঞ্চ, টেলিভিশন, বেতার ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে। কানাডা প্রভৃতি যে সকল দেশে লেখকের মৃত্যুর ৫০ বছর পর গ্রন্থসত্ব লুপ্ত হয়, সেই সকল দেশে তার রচনা ২০১৪ সালে স্বত্বমুক্ত হয়েছে।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]
  • মারিয়ন ই. ওয়েড সেন্টার, হোয়েটন কলেজ – এখানে লিউইস রচিত এবং লিউইস-সংক্রান্ত গ্রন্থাবলির বিশ্বের বৃহত্তম সংগ্রহটি রয়েছে।
  • কোর্টলি লাভ
  • জোহান হুইজিংগা
  • ডি. ডব্লিউ. রবার্টসন, জুনিয়র

গ্রন্থতালিকা

[সম্পাদনা]

সম্পর্কিত গ্রন্থাবলি

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. Lewis 1997, পৃ. 6।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:সি. এস. লিউইস