সি.আই.ডি. (ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সি.আই.ডি. (টেলিভিশন ধারাবাহিক) থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
সি.আই.ডি
সি.আই.ডি. (ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক) লোগো.png
ফরম্যাট অ্যাকশন (ফিকশন
নির্মাতা বি.পি.সিং
প্রদীপ উপার
পরিচালক বি.পি.সিং
অভিনয়ে সি.আই.ডি (টিভি সিরিজ)
প্রস্তুতকারক দেশ ভারত
মূল ভাষা হিন্দী, ইংরেজি ভাষা
মৌসুমের সংখ্যা
পর্বের সংখ্যা ১২১৫ (as of 12 April 2015)[১]
নির্মাণ
প্রযোজক প্রদীপ উপার
বি.পি. সিং
দৈর্ঘ্য ২০-২২ মিনিট(২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ - ৩ মার্চ, ২০০৬)
৪০-৪৩ মিনিট(১০ মার্চ, ২০০৬ - ১৭ জুলাই, ২০০৯)
৪৬-৪৯ মিনিট(২৪ জুলাই, ২০০৯ - ৫ মার্চ, ২০১০)
৫৮-৬০ মিনিট(১২ মার্চ, ২০১০ - বর্তমান)
প্রোডাকশন কোম্পানি ফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশন
সম্প্রচার
মূল চ্যানেল সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন (ভারত)
ছবির ফরম্যাট ৪৮০আই (এসডিটিভি)
মূল প্রদর্শনী – বর্তমান
বহিঃসংযোগ
ওয়েবসাইট

সি.আই.ডি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশনের একটি সিরিজ। এ সিরিজে একদল গোয়েন্দা মুম্বাইয়ের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। এ সিরিজের পরিচালক শিভাজী সত্যম। ভারতের মধ্যে এটি সবচেয়ে লম্বা টিভি সিরিজ। [২] প্রথম ভারতীয় গোয়েন্দা ভিত্তিক টিভি সিরিজ সি.আই.ডি যা বর্তমানে ভারতের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এসিপি প্রদিউমান, সিনিয়র ইন্সপেক্টর দায়া সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ, ইন্সপেক্টর ফ্রেডরিকস এবং ডাক্তার সালোংকি এ সিরিজের মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন।

১৯৯৮ সালের ২১ জানুয়ারি এটি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন এবং ফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশন সাপ্তাহিক ভাবে গোয়েন্দা সিরিজ সি.আই.ডি চালু করে।[৩] সি.আই.ডি সিরিজটি ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আরেকটি রেকর্ড অর্জন করে যখন পরিচালক বি পি সিং কোন রকমের বিরতি ছাড়াই ১১১ মিনিটের "The Inheritance" / C.I.D. 111 সি.আই.ডি'র পর্ব তৈরী করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজেদের নাম তুলে নেয়।

বি.পি সিংয়ের এক ইন্টারভিউর তথ্য অনুযায়ী তিনি ১৯৮৬ সালে দূরদর্শন (ডিডি) তে সি.আই.ডি ছয় পর্ব তৈরী করেছিলেন সনি টেলিভিশনে করার আগে।

২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন এবং ফায়ারওয়ার্কস প্রোডাকশন মিলে প্রতিদিনের জন্য সি.আই.ডি স্প্যাশাল ব্যুরো নামে ১৬৮ পর্ব তৈরী করেন। যা ২০০৬ সালের ২৭ এপ্রিল শেষ হয়।

২০০৬ সালের ৭ জুলাই থেকে ১ সেপ্টেম্বর "সি.আই.ডি অপরেশন তালাশ" নামের একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিলো সিআইডি টিমে নতুন অফিসার নেয়া। [৪] এ আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী বিবেক বি মাশরুকে সিআইডিতে যুক্ত করা হয় যার চরিত্রের নাম বিবেক।[৫] সফল এ আয়োজনের পর "'সিআইডি"' প্রযোজক একটি অ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। "সিআইডি গ্যালেন্ট্রি অ্যাওর্য়াড" নামের এ পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি নিজেদের একযুগ পূর্তি পালন করে।

বর্তমানে সিআইডি টিমের অফিসার হিসেবে আছেন এসিপি প্রাদিউমান, সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ, সিনিয়র ইন্সপেক্টর দায়া, ইন্সপেক্টর ফ্রেডরিক্স, ইন্সপেক্টর শচীন, সাব-ইন্সপেক্টর বিবেক, সাব-ইন্সপেক্টর কাজল এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ডা.সালোঙ্কি এবঙ ডা. তারিকা।

অফিসার[সম্পাদনা]

চরিত্র পদবী মূল নাম সময়কাল তথ্য
প্রাদিউমান এসিপি সিভাজি সত্তম ১৯৯৮ – বর্তমান প্রথম তিনটি মামলায় দায়িত্ব পালন করেছেন ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত পাটকার এবং পরবর্তী তিনটি মামলায় দায়িত্বে ছিলেন এসিপি পৃথ্বিরাজ। পরবর্তী থেকে শুরু করে এখনও দলনেতা হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন সবকিছুর আগের নিজের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে নিজের সন্ত্রাসী পুত্র নকুলকে নিজ হাতে গুলি করে মেরে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেননি। তবে তিনি নিজের সকল অফিসারকেই নিজের সন্তানের মতোই দেখেন। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, এই ধারাবাহিকের প্রতি এপিসোডে অভিনয়ের জন্য শিবাজির পারিশ্রমিক ৫ লক্ষ টাকা।
অভিজিৎ সিনিয়র ইন্সপেক্টর আদিত্য শ্রীবাস্তব ১৯৯৯ – বর্তমান মূলত দলে যোগ দিয়েছেন ইন্সপেক্টর ভিরেনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে। ১৯৯৮ সালের এক মামলায় কাজ করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং নিজের আগের সব তথ্য ভুলে যান। আরেক সিনিয়র ইন্সপেক্টর দায়ার সাথে তার গভীর বন্ধুত্ব। বেশ বড় কিছু বিপদে দায়া তার জীবন বাচিয়েছেন। অফিসারদের মধ্যে তিনি সেরা একজন যিনি যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং সৎ সিআইডি অফিসার। পাশাপাশি তিনি সিআইডি সদস্যদের মধ্যে সেরা একজন শুট্যার যিনি চোখ বন্ধ করে আওয়াজ শুনে নিখুত নিশানায় গুলি করতে পারেন। ফরেনসিক ল্যাবের সহকারী ডা. তারিকার প্রতি আলাদা দূর্বলতা আছে তার। অভিজিৎ চরিত্রে অভিনয়ের পূর্বে ১৯৯৮ সালে একটি পর্বে তিনি ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রতি এপিসোডে অভিনয় করতে আদিত্য শ্রীবাস্তব নেন ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা।
দায়া সিনিয়র ইন্সপেক্টর দায়ানন্দ শেঠি ১৯৯৮ – বর্তমান মূলত দলে যোগ দিয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে। তিনি সেরা পুরুষ ব্যাক্তিত্ব হিসেবে ২০০২ সালে ইন্ডিয়ান টেলিভিশন থেকে পুরস্কার জিতেছেন। পাশাপাশি তিনি সিআইডি অফিসারদের মধ্যে শক্তিশালী একজন অফিসার যিনি ভিলেনদের থাপ্পড় দেওয়া এবং লাথি মেরে দরজা ভাঙ্গার কাজটি করে বেশ জনপ্রিয়। সিআইডির আরেক অফিসার অভিজিৎয়ের সাথে তার বন্ধুত্ব সম্পর্ক অনেক গভীর এবং অনেকবার তার জীবন রক্ষা করেছেন। এই অভিনেতা প্রতি এপিসোডে অভিনয় করতে ১ লক্ষ টাকা নেন।
ফ্রেডরিক্স (ফ্রেডি) ইন্সপেক্টর দিনেশ পাদনিশ ১৯৯৮ – বর্তমান দলে যোগ দিয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সিরিয়াস চরিত্রে অভিনয় করলেও তিনি কমিডিয়ান চরিত্রের জন্য বেশ জনপ্রিয়। ব্যক্তিগত ভাবে তিনি বেশ নরম-হৃদয়ের অধিকারী যিনি তার স্ত্রীকে মনিষাকে খুব পছন্দ করেন। তাঁর মজার ব্যক্তিত্ব বরাবরই স্ট্রেস রিলিভার। দীনেশ প্রতি পর্বের জন্য নেন ৭০-৮০ হাজার টাকা।
পূর্বী সাব-ইন্সপেক্টর আনশা সায়েদ ২০১১- বর্তমান ‘সিআইডি’র কঠোর অফিসার আশা সইদ। প্রতি পর্বে রোজগার করেন ৪০ হাজার টাকা।

পূর্বের অফিসারবৃন্দ[সম্পাদনা]

৪ বছর বা তার বেশি সময় ধরে থাকা অফিসারদের গাঢ় রঙ দেয়া হলো

চরিত্র পদবী মূল নাম সময়কাল তথ্য
ভিরেন্দ্র (ভিরেন) ইন্সপেক্টর আশুতোষ গৌয়ারকার ১৯৯৮-১৯৯৯ ট্রান্সপার
আশা ইন্সপেক্টর ঐশ্বিনি কালেশকার ১৯৯৮-২০০৪ সিআইডির একজন সেরা মহিলা অফিসার হিসেবে দীর্ঘ সময় সিআইডি টিমে থাকা অফিসারদের মধ্যে একজন।
কে.সুধাকর সাব-ইন্সপেক্টর ধনঞ্জয় মান্দ্রেকর ১৯৯৮–২০০৫ সিআইডিতে কাজ করেছেন এবং ফ্রেডরিকের ভালো বন্ধু হিসেবে পরিচিত
দাকাশ ইন্সপেক্টর মানব গহিল ২০০৪-২০০৫ ভাইয়ের খুনিকে ধরার কাজে জড়িত হতে গিয়ে সিআইডিতে যোগ দেন। এক সময়ে এসিপির গুলিতে নিহত হওয়া সন্ত্রাসী ছেলে নকুলের কাছে সিআইডির কিছু গোপন তথ্য প্রকাশ করে দেন।
অদিতি সাব-ইন্সপেক্টর স্মিতা বানসাল ২০০৪-২০০৫ তিনি একজন সাহসী এবং বুদ্ধিমান অফিসার। তবে তার বোন ছিলেন একজন সন্ত্রাসী। ২০০৫ সালের ১২-১৯ আগষ্ট অনুষ্ঠিত এক পর্বে তিনি মারা যান।
প্রিয়াংকা সাব-ইন্সপেক্টর সাই দেবদর ২০০৫ হাতে নানা ধরনের কাজে দক্ষতা ছিলো। তবে ২০০৫ সালের ২১ অক্টোবর এবং ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর দুটি পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি এসিপি প্রাদিউমানকে একজন খুনি হিসেবে মনে করেন।
আনুস্কা সাব-ইন্সপেক্টর কবিতা কৌশিক ২০০৫-২০০৬ ট্রান্সফার
মুসকান সাব-ইন্সপেক্টর অলকা ভার্মা ২০০৬-২০০৭ সিআইডি দলের মধ্যে তিনি ছিলেন সেরা স্মার্ট একজন নারী অফিসার। ট্রান্সপার
বিবেক সাব-ইন্সপেক্টর বিবেক ভি মাশরু ২০০৬–২০১২ তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সিআইডি প্রোডাকশন আয়োজিত 'অপারেশন তালাশ' নামের একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা হয়ে। ২০০৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো সিআইডিতে অভিনয় করেন।
দিবিয়ানা সাব- ইন্সপেক্টর মেঘা গুপ্ত ২০০৭–২০০৮ ২০০৭ সালের ১০ আগষ্ট একটি পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। এসিপি প্রাদিউমান শুরু থেকেই তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ভাবতেন এ কাজের জন্য তিনি যোগ্য নন। ২০০৭ সালের ৩১ আগষ্ট এক পর্বে নিজের যোগ্যতা বলে একটি মামলায় দারুন ভাবে তথ্য উদ্ধার করেন তিনি এবং নিজের যোগ্যতার প্রমান দেন।
কাবেরি সাব-ইন্সপেক্টর পরিণিতা শেঠ ২০০৮ ২০০৮ সালের ২১ মার্চ আরেক অফিসার লাবণ্যের সাথে একটি পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। কিছুটা আবেগপ্রবণ এ অফিসার একটি পর্বে আহত হন।
লাবণ্য সাব-ইন্সপেক্টর জিমি কুনাল নান্দা ২০০৮-২০০৯ ২০০৮ সালের ২১ মার্চ প্রথম একটি পর্বে যোগ দেন।
তাশা সাব-ইন্সপেক্টর বৈশ্বভি ধনরাজ ২০০৯-২০১০ ২০০৯ সালের ২৯ মে 'খুন কি রাজ..এক আওয়াজ' নামক পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যুক্ত হন। শুরুতে তার বহনকৃত ব্যাগে মাদক দ্রব্য পাওয়া গিয়েছিল তখন তিনি সিআইডি দলে যোগ দেওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হন। পরবর্তীতে এসিপি উক্ত মাদক পরীক্ষা করে দেখেন তা আসল নয় এবং পরবর্তীতে তাকে সিআইডিতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। মামলার ক্ষেত্রে চালাক হিসেবে তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা ছিলো। ২০১০ সালের ৪ ডিসেম্বর এক পর্বে ডিউটি থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় অফিসার বৈষ্ণবী ধনরাজও প্রতি পর্বে নেন ৪০ হাজার টাকা। [৬]
ডা. সোনালী বারোই ফরেনসিক এক্সপার্ট মানিনি মিশ্রা ২০১০-২০১১ ২০১০ সালের ২১ মে রহস্যময় দরজা শীর্ষক পর্বের মাধ্যমে সিআইডিতে যোগ দেন। গল্পের তথ্য অনুযায়ী ডা. সোনালী এবং ডা. সালোংকি একই কলেজে পড়তেন।
কাজল সাব-ইন্সপেক্টর জাসভীর খের ২০১০ –২০১২ শুরুতে সিআইডিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি পাননি। তার ভাই রাহুল নিহত হন ভিলেনদের হাতে এবং সেই ভিলেনদের ধরতেই তিনি সিআইডিতে যোগ দিতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ ছিলো। তবে পরবর্তীতে নিজের কাজের মাধ্যমে সেরাটা দেখিয়ে সিআইডি দলে জায়গা করে নেন।
শচীন ইন্সপেক্টর ঋষিকেশ পান্ডে ২০১০ –২০১৬ সিআইডি দলে যোগ দেন ২০১০ সালের ৭মে অনুষ্ঠিত একটি পর্ব থেকে। পরবর্তীতে তিনি বেশ কিছু পর্বে সাদা পোশাকে বেশ কিছু মামলায় কাজ করেন। এক সময়ে সেরা নানা ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন সিআইডি অফিসার হিসেবে। শুরুতে তিনি সিদ্ধার্থ নামে যোগ দিলেও পরবর্তীকালে শচীন নামে কাজ শুরু করেন।

ফরেনসিক এক্সপার্ট[সম্পাদনা]

চরিত্র মূল নাম সময়কাল তথ্য
ডা. আর পি সালোংকি নীরেন্দ্র গুপ্ত ১৯৯৮–২০০৩
২০০৭–বর্তমান
১৯৯৮ সালে তিনি ডা. ভার্মা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শুরু থেকে কয়েক বছর কাজ করলেও মাঝে কয়েক বছর চুল প্রতিস্থাপনের জন্য সিআইডি টিমের বাইরে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৭ থেকে নিয়মিত হন। তদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি এসিপি প্রাদিউমান, ডা. সোনালী এবং অভিজিৎতের সাথে যুক্তিতর্ক করেন। তবে সিআইডি টিমের প্রতি তার রয়েছে বিশেষ দরদ।
ডা. সারিকা শ্রাদ্ধ মুশলি ২০০৭-বর্তমান ২০০৭ সালের ১০ আগষ্ট দ্য ডন ফাইনাল রিভেঞ্জ মামলার মাধ্যমে সিআইডিতে আসেন। ডা. সালোংকির সহকারী হিসেবে ফরেনসিক ল্যাবে কাজ করছেন। সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ তার প্রতি দুর্বল এবং একই ভাবে সারিকাও অভিজিৎয়ের উপর দুর্বল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "CID - Golden Eye Gang - सी ई डी - Episode 1215 - 12th April 2015"Setindia। ১২ এপ্রিল ২০১৫। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১৫ 
  2. "What makes this TV show such a hit with Indians?"। Movies.rediff.com। সংগৃহীত ২০১০-০৮-০৬ 
  3. "Indian Entertainment Channel - Indian Television Shows - Sony TV Live - Bollywood Movie Channel"। SET India। সংগৃহীত ২০১০-০৮-০৬ 
  4. "> News >CID Operation Talaash is on!"। Tellychakkar.com। ২০০৬-০৭-০৭। সংগৃহীত ২০১০-০৮-০৬ 
  5. "Another hero enters CID - Entertainment - DNA"। Dnaindia.com। ২০০৬-০৯-১৫। সংগৃহীত ২০১০-০৮-০৬ 
  6. সিআইডি অভিনেতাদের প্রতি এপিসোড রোজগার কত