বিষয়বস্তুতে চলুন

সার্স করোনাভাইরাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস
সার্স ভাইরাস কণার ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ চিত্র
ভাইরাসের শ্রেণীবিন্যাস e
অপরিচিত শ্রেণী (ঠিক করুন): Sarbecovirus
প্রজাতি: গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি-সম্পর্কিত করোনাভাইরাস
প্রতিশব্দ
  • সার্স করোনাভাইরাস
  • সার্স-সম্পর্কিত করোনাভাইরাস
  • সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপায়ারেটরি সিন্ড্রোম করোনাভাইরাস[]

গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস (SARS-CoV বা SARS-CoV-1)[][] করোনাভাইরাসের একটি স্ট্রেন যার কারণে গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি (সার্স)[] নামক রোগাবস্থার সৃষ্টি হয়। এটি একটি আবৃত, ধনাত্মক দিকমুখী, একক-সূত্রবিশিষ্ট আরএনএ ভাইরাস যা ফুসফুসের এপিথেলিয়াল কোষগুলিকে সংক্রমিত করে।[] অ্যাঞ্জিওটেনসিন-রূপান্তরকারী এনজাইম 2 (ACE2) রিসেপ্টর এর মাধ্যমে ভাইরাসটি হোস্ট কোষে প্রবেশ করে[] এটি মানুষ, বাদুড় এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সংক্রমিত করে।[][]

২০০৩ সালের ১৬ই এপ্রিল, এশিয়ায় সার্সের প্রাদুর্ভাব এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে গৌণভাবে রোগটির প্রাদুর্ভাবের পর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলে যে বেশ কয়েকটি গবেষণাগার দ্বারা করোনাভাইরাসের চিহ্নিতকরণ সার্স-এর আনুষ্ঠানিক কারণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং কানাডার ন্যাশনাল মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি (এনএমএল) ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে সার্স-কোভ-১ (SARS-CoV-1) জিনোমটি শনাক্ত করে।[][১০] নেদারল্যান্ডের রটারডামের ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে সার্স করোনাভাইরাস রবার্ট কচের মৌলিক নীতি পূরণ করেছে যার ফলে এটিকে তাঁরা করোনাভাইরাসের মাধ্যম হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায়, ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ম্যাককের মধ্যে (একজাতের ছোটো লেজওয়ালা বাঁদর) মানব সার্স আক্রান্তদের মত একই উপসর্গ বিকশিত হয়।[১১]

২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে একই ধরনের ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২ (SARS-COV-2) নামে এই ভাইরাসটি চলমান করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (COVID-19) মহামারীর কারণমূলক জীবাণু।[১২]

সার্স (SARS)

[সম্পাদনা]
SARS coronavirus genomic RNA

গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি, সার্স-কোভ-১ (SARS-CoV-1) দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি প্রায়শই গুরুতর অসুস্থতার কারণ হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের উপসর্গ[১৩] প্রধানত কাশি, ডিস্পনিয়া এবং নিউমোনিয়া শুরু হওয়ার ২-১৪ দিনের মধ্যে এই রোগটিকে প্রাথমিকভাবে পেশী ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং জ্বরের লক্ষণ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। সার্স রোগীদের রক্তে ছড়িয়ে থাকা লিম্ফোসাইটের সংখ্যা হ্রাস হয়।[১৪]

২০০৩ সালের সার্স মহামারীতে, সার্স-কোভ-১ সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯% রোগী মারা যান।[১৫] ৬০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের মৃত্যুর হার অনেক বেশি, এই সাবসেটের রোগীদের জন্য মৃত্যুর হার ৫০% এর কাছাকাছি।[১৫]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
সার্স ভাইরাসগুলির স্ক্যানিং ইলেকট্রন মাইক্রোগ্রাফ

২০০৩ সালের ১৭ই মার্চ, হু সার্স-এর কারণমূলক মাধ্যম সনাক্তকরণে সহযোগিতা করার জন্য নেতৃস্থানীয় গবেষণাগারগুলির একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক স্থাপন করে। প্রথমদিকে, নেটওয়ার্কের গবেষণাগারগুলি প্যারামিক্সোভাইরাস এবং করোনাভাইরাস পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনুসন্ধান সীমাবদ্ধ করেছিল। গবেষণাগারগুলি দ্বারা ভাগ করা প্রাথমিক ফলাফলগুলি ক্রমবর্ধমান ধারাবাহিকতার সাথে করোনভাইরাসের দিকে ইঙ্গিত করে। ২১শে মার্চ হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি নতুন ভাইরাসকে আলাদা করার ঘোষণা করেন যা কে সার্স-এর কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়।[১৬]

১২ই এপ্রিল ভ্যানকুভারের মাইকেল স্মিথ জিনোম সায়েন্সেস সেন্টারে কর্মরত বিজ্ঞানীরা একটি করোনাভাইরাসের জেনেটিক সিকোয়েন্স ম্যাপিং শেষ করেন যা সার্স-এর সাথে যুক্ত বলে বিশ্বাস করা হয়। এই দলটির নেতৃত্ব মার্কো মারা করেছিলেন এবং তিনি ব্রিটিশ কলম্বিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ও ম্যানিটোবার উইনিপেগে ন্যাশনাল মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরির সহযোগিতায় কাজ করেছিলেন আর ব্যবহার করা হয়েছিল টরন্টোর আক্রান্ত রোগীদের নমুনা। এই ম্যাপিং কে সার্স-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা জিএসসি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে (নীচে দেখুন)। টরন্টোর মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের ডোনাল্ড লো এই আবিষ্কারকে "অভূতপূর্ব গতিতে" করা হয়েছে বলে বর্ণনা করেছিলেন।[১৭] পরবর্তীকালে সার্স- করোনাভাইরাসের সিকোয়েন্সটি অন্যান্য স্বাধীন গ্রুপ দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আণবিক মহামারীবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে ২০০২-২০০৩ সালের দক্ষিণ চীনের ভাইরাস এবং ২০০৩ সালের শেষের দিকে একই এলাকার থেকে প্রাপ্ত ভাইরাস ভিন্ন এবং ২০০৪ সালের শুরুর ভাইরাসও আলাদা, যা পৃথক প্রজাতির ক্রসিংয়ের ইঙ্গিত দেয়।[১৮] প্রাদুর্ভাবের স্ট্রেনের ফাইলোজেনি (প্রজাতির বিবর্তনের ইতিহাস) দেখায় যে মানব সার্স-কোভ-১ ইউন্নান, কুয়েইচৌ এবং কুয়াংশি-সহ দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশগুলিতে অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় ভাল, তবে ভাইরাসগুলির বিবর্তন পোষকের মিথস্ক্রিয়া এবং বিশেষত্বের ফলাফল স্বরুপ হয়।[১৯]

২০০৩ সালের মে মাসের শেষের দিকে চীনের কুয়াংতুংয়ের স্থানীয় বাজারে খাদ্য হিসেবে বিক্রি করা বন্য প্রাণীর নমুনাগুলি থেকে প্রাপ্ত গবেষণায় পাম সিভেট (এক ধরনের বিড়াল) এর থেকে সার্স করোনাভাইরাসের একটি স্ট্রেনকে আলাদা করা হয়েছে , কিন্তু এই প্রাণীরা সবসময় ক্লিনিক্যাল লক্ষণ দেখায় না। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল যে সার্স ভাইরাস পাম সিভেট থেকে মানুষের জেনোগ্রাফিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে, এবং তার ফলস্বরুপ কুয়াংতুং প্রদেশে ১০,০০০ এর ও বেশি পাম সিভেটকে হত্য়া করা হয়। পরবর্তীতে ভাইরাসটি রাকুন কুকুর, ফেরেট ব্যাজার এবং গার্হস্থ্য বিড়ালের মধ্যে পাওয়া যায়। ২০০৫ সালে, দুটি গবেষণায় চীনা বাদুড়গুলিতে বেশ কয়েকটি সার্স-জাতীয় করোনভাইরাস চিহ্নিত করা হয়েছিল।[২০][২১] যদিও বাদুড়-সার্স ভাইরাস সেল কালচারে প্রতিলিপি তৈরি করতে পারেনি, ২০০৮ সালে আমেরিকান গবেষকরা[২২] উভয় বাদুড় এবং ইঁদুরের ক্ষেত্রেই মানব রিসেপ্টর বাইন্ডিং ডোমেন এর সাথে বাদুড়-সার্স ভাইরাসের জিনগত কাঠামো পরিবর্তন করেছিলেন যা প্রমাণ করেছিল যে বিবর্তনে কীভাবে জুনোসিস (একটি সংক্রামক রোগ যা একটি অমানব প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়) ঘটতে পারে।[২৩] এই ভাইরাসের ফিলোজেনেটিক বিশ্লেষণ একটি উচ্চ সম্ভাবনা নির্দেশ করে যে সার্স করোনাভাইরাস বাদুড়ের মধ্যে উৎপন্ন হয় এবং সরাসরি বা চীনা বাজারে আক্রান্ত প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বাদুড়ের মধ্যে এই রোগের কোন দৃশ্যমান লক্ষণ দেখা যায়নি, কিন্তু এরা সম্ভবত সার্স-জাতীয় করোনভাইরাসগুলির প্রাকৃতিক আধার। ২০০৬ সালের শেষের দিকে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র এবং কুয়াংচৌ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রে বিজ্ঞানীরা সিভেট (এক জাতীয় বিড়াল) এবং মানুষের মধ্যে আবির্ভূত সার্স করোনাভাইরাসের মধ্যে একটি বংশাণুগত যোগসূত্র স্থাপন করেন, যা নিশ্চিত করে যে এই ভাইরাস এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতিতে সংক্রমিত হতে পারে।[২৪]

ভাইরাসবৈজ্ঞানিক আলোচনা

[সম্পাদনা]
স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে জৈব বাহক হিসেবে সার্স-কোভ-১ সঞ্চালন

সার্স-কোভ-১ করোনভাইরাস উপপরিবারের সাধারণ প্রতিরূপ কৌশল অনুসরণ করে। এই ভাইরাসের প্রাথমিক মানব গ্রাহক হচ্ছে অ্যাঞ্জিওটেনটিন-রূপান্তরকারী এনজাইম ২ এবং হেমাগ্লুটিনিন,[২৫] যা প্রথম ২০০৩ সালে সনাক্ত করা হয়।[২৬][২৭]

মানব সার্স-কোভ-১ এর মধ্যে বিভিন্ন পশুর দ্বারা হোস্ট করা বংশানুক্রমিক করোনভাইরাসগুলির পুনঃসংযোগের একটি জটিল ইতিহাস ছিল বলে মনে করা হয়।[২৮][২৯] পুনঃসংযোগের জন্য অন্তত দুটি সার্স-কোভ-১ জিনোম একই হোস্ট কোষে উপস্থিত থাকতে হবে। জিনোম প্রতিলিপির সময় পুনঃসংযোগ ঘটতে পারে যখন আরএনএ পলিমারেজ এক টেমপ্লেট থেকে অন্য টেমপ্লেটে পরিবর্তিত হয়।[২৯]

করোনাভাইরাস দস্তা বা জিঙ্কের প্রতি অত্যন্ত আকৃষ্ট হয়। ফুসফুসে প্রচুর দস্তা আছে। এই ভাইরাস প্রাথমিকভাবে ফুসফুস এবং কৈশিকনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কারণ এখানে দস্তা-সমৃদ্ধ উৎসেচক পাওয়া যায়।[৩০]

মানুষকে সংক্রামিত করার জন্য সাতটি পরিচিত করোনভাইরাসগুলির মধ্যে একটি হল সার্স-কোভ-১। অন্য ছয়টি হল[৩১]

  • মানব করোনভাইরাস ২২৯ই
  • মানব করোনভাইরাস এনএল৬৩
  • মানব করোনভাইরাস ওসি৪৩
  • মানব করোনভাইরাস এইচকিউ১
  • মধ্যপ্রাচ্যের শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২
  • গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২

চিকিৎসা

[সম্পাদনা]

বর্তমানে আরও গবেষণা চলছে।

সম্ভাবনাময় চিকিৎসার উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে গ্লিসাইরিহিজিন (লিকোরিস),[৩২][৩৩][৩৪][৩৫] ফাভিপাবীর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "ICTV Taxonomy history: Severe acute respiratory syndrome-related coronavirus"International Committee on Taxonomy of Viruses (ICTV) (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৯
  2. "International Committee on Taxonomy of Viruses (ICTV)"International Committee on Taxonomy of Viruses (ICTV) (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২০
  3. van Doremalen, Neeltje; Bushmaker, Trenton; Morris, Dylan H.; Holbrook, Myndi G.; Gamble, Amandine; Williamson, Brandi N.; Tamin, Azaibi; Harcourt, Jennifer L.; Thornburg, Natalie J. (১৭ মার্চ ২০২০)। "Aerosol and Surface Stability of SARS-CoV-2 as Compared with SARS-CoV-1"The New England Journal of Medicineডিওআই:10.1056/NEJMc2004973আইএসএসএন 0028-4793। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২০
  4. Coronaviruses : molecular and cellular biology। Thiel, Volker.। Norfolk, UK: Caister Academic Press। ২০০৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০৪৪৫৫-১৬-৫ওসিএলসি 154685347{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  5. Fehr, Anthony R.; Perlman, Stanley (২০১৫)। Maier, Helena Jane; Bickerton, Erica; Britton, Paul (সম্পাদকগণ)। Coronaviruses: Methods and Protocols। Methods in Molecular Biology (ইংরেজি ভাষায়)। New York, NY: Springer। পৃ. ১–২৩। ডিওআই:10.1007/978-1-4939-2438-7_1আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৯৩৯-২৪৩৮-৭পিএমসি 4369385পিএমআইডি 25720466{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  6. Ge, Xing-Yi; Li, Jia-Lu; Yang, Xing-Lou; Chmura, Aleksei A.; Zhu, Guangjian; Epstein, Jonathan H.; Mazet, Jonna K.; Hu, Ben; Zhang, Wei (নভেম্বর ২০১৩)। "Isolation and characterization of a bat SARS-like coronavirus that uses the ACE2 receptor"Nature (ইংরেজি ভাষায়)। ৫০৩ (7477): ৫৩৫–৫৩৮। ডিওআই:10.1038/nature12711আইএসএসএন 1476-4687পিএমসি 5389864পিএমআইডি 24172901{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  7. Wong, Antonio C. P.; Li, Xin; Lau, Susanna K. P.; Woo, Patrick C. Y. (ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "Global Epidemiology of Bat Coronaviruses"Viruses (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ (2): ১৭৪। ডিওআই:10.3390/v11020174পিএমসি 6409556পিএমআইডি 30791586{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  8. "Receptor recognition and cross-species infections of SARS coronavirus"Antiviral Research (ইংরেজি ভাষায়)। ১০০ (1): ২৪৬–২৫৪। ১ অক্টোবর ২০১৩। ডিওআই:10.1016/j.antiviral.2013.08.014আইএসএসএন 0166-3542পিএমসি 3840050পিএমআইডি 23994189{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  9. "Remembering SARS: A Deadly Puzzle and the Efforts to Solve It | About | CDC"www.cdc.gov (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২০
  10. "WHO | Coronavirus never before seen in humans is the cause of SARS"WHO। ১২ আগস্ট ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২০
  11. Fouchier, Ron A. M.; Kuiken, Thijs; Schutten, Martin; van Amerongen, Geert; van Doornum, Gerard J. J.; van den Hoogen, Bernadette G.; Peiris, Malik; Lim, Wilina; Stöhr, Klaus (২০০৩)। "Koch's postulates fulfilled for SARS virus"Nature৪২৩ (6937): ২৪০। ডিওআই:10.1038/423240aআইএসএসএন 0028-0836
  12. Lau, Susanna K.P.; Luk, Hayes K.H.; Wong, Antonio C.P.; Li, Kenneth S.M.; Zhu, Longchao; He, Zirong; Fung, Joshua; Chan, Tony T.Y.; Fung, Kitty S.C. (জুলাই ২০২০)। "Possible Bat Origin of Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2"Emerging Infectious Diseases২৬ (7): ১৫৪২–১৫৪৭। ডিওআই:10.3201/eid2607.200092আইএসএসএন 1080-6040
  13. Chan‐Yeung, Moira; Xu, Rui-Heng (২০০৩)। "SARS: epidemiology"Respirology (ইংরেজি ভাষায়)। (s1): S৯ – S১৪ডিওআই:10.1046/j.1440-1843.2003.00518.xআইএসএসএন 1440-1843
  14. Yang, Mo; Li, Chi Kong; Li, Karen; Hon, K. L. E.; Ng, M. H. L.; Chan, Paul K. S.; Fok, Tai Fai (১ আগস্ট ২০০৪)। "Hematological findings in SARS patients and possible mechanisms (Review)"International Journal of Molecular Medicine১৪ (2): ৩১১–৩১৫। ডিওআই:10.3892/ijmm.14.2.311আইএসএসএন 1107-3756
  15. 1 2 SØRENSEN, MORTEN DRÆBY; SØRENSEN, BRIAN; GONZALEZ‐DOSAL, REGINA; MELCHJORSEN, CONNIE JENNING; WEIBEL, JENS; WANG, JING; JUN, CHEN WIE; HUANMING, YANG; KRISTENSEN, PETER (মে ২০০৬)। "Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS)"Annals of the New York Academy of Sciences১০৬৭ (1): ৫০০–৫০৫। ডিওআই:10.1196/annals.1354.072আইএসএসএন 0077-8923
  16. "WHO | Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS) - multi-country outbreak - Update 12"WHO। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  17. "B.C. lab cracks suspected SARS code"web.archive.org। ২৬ নভেম্বর ২০০৭। ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  18. Wang, Lin-Fa; Shi, Zhengli; Zhang, Shuyi; Field, Hume; Daszak, Peter; Eaton, Bryan T. (ডিসেম্বর ২০০৬)। "Review of Bats and SARS"Emerging Infectious Diseases১২ (12): ১৮৩৪–১৮৪০। ডিওআই:10.3201/eid1212.060401আইএসএসএন 1080-6040
  19. Yu, Ping; Hu, Ben; Shi, Zheng-Li; Cui, Jie (এপ্রিল ২০১৯)। "Geographical structure of bat SARS-related coronaviruses"Infection, Genetics and Evolution৬৯: ২২৪–২২৯। ডিওআই:10.1016/j.meegid.2019.02.001আইএসএসএন 1567-1348
  20. Li, Wendong; Shi, Zhengli; Yu, Meng; Ren, Wuze; Smith, Craig; Epstein, Jonathan H.; Wang, Hanzhong; Crameri, Gary; Hu, Zhihong (৩১ অক্টোবর ২০০৫)। "Bats Are Natural Reservoirs of SARS-Like Coronaviruses"Science৩১০ (5748): ৬৭৬–৬৭৯। ডিওআই:10.1126/science.1118391
  21. Lau, Susanna K. P.; Woo, Patrick C. Y.; Li, Kenneth S. M.; Huang, Yi; Tsoi, Hoi-Wah; Wong, Beatrice H. L.; Wong, Samson S. Y.; Leung, Suet-Yi; Chan, Kwok-Hung (২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Severe acute respiratory syndrome coronavirus-like virus in Chinese horseshoe bats"Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America১০২ (39): ১৪০৪০–১৪০৪৫। ডিওআই:10.1073/pnas.0506735102আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 1236580পিএমআইডি 16169905
  22. Becker, Michelle M.; Graham, Rachel L.; Donaldson, Eric F.; Rockx, Barry; Sims, Amy C.; Sheahan, Timothy; Pickles, Raymond J.; Corti, Davide; Johnston, Robert E. (১৬ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Synthetic recombinant bat SARS-like coronavirus is infectious in cultured cells and in mice"Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America১০৫ (50): ১৯৯৪৪–১৯৯৪৯। ডিওআই:10.1073/pnas.0808116105আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 2588415পিএমআইডি 19036930
  23. Becker, M. M.; Graham, R. L.; Donaldson, E. F.; Rockx, B.; Sims, A. C.; Sheahan, T.; Pickles, R. J.; Corti, D.; Johnston, R. E. (১৬ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Synthetic recombinant bat SARS-like coronavirus is infectious in cultured cells and in mice"Proceedings of the National Academy of Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ১০৫ (50): ১৯৯৪৪–১৯৯৪৯। ডিওআই:10.1073/pnas.0808116105আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 2588415পিএমআইডি 19036930{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  24. "Scientists prove SARS-civet cat link"www.chinadaily.com.cn। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  25. Mesecar, Andrew D.; Ratia, Kiira (২৩ জুন ২০০৮)। "Viral destruction of cell surface receptors: Fig. 1."Proceedings of the National Academy of Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ১০৫ (26): ৮৮০৭–৮৮০৮। ডিওআই:10.1073/pnas.0804355105আইএসএসএন 0027-8424পিএমসি 2449321পিএমআইডি 18574141{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পিএমসি বিন্যাস (লিঙ্ক)
  26. Li, Wenhui; Moore, Michael J.; Vasilieva, Natalya; Sui, Jianhua; Wong, Swee Kee; Berne, Michael A.; Somasundaran, Mohan; Sullivan, John L.; Luzuriaga, Katherine (২০০৩)। "Angiotensin-converting enzyme 2 is a functional receptor for the SARS coronavirus"Nature৪২৬ (6965): ৪৫০–৪৫৪। ডিওআই:10.1038/nature02145আইএসএসএন 0028-0836
  27. Bakkers, Mark J.G.; Lang, Yifei; Feitsma, Louris J.; Hulswit, Ruben J.G.; de Poot, Stefanie A.H.; van Vliet, Arno L.W.; Margine, Irina; de Groot-Mijnes, Jolanda D.F.; van Kuppeveld, Frank J.M. (মার্চ ২০১৭)। "Betacoronavirus Adaptation to Humans Involved Progressive Loss of Hemagglutinin-Esterase Lectin Activity"Cell Host & Microbe২১ (3): ৩৫৬–৩৬৬। ডিওআই:10.1016/j.chom.2017.02.008আইএসএসএন 1931-3128
  28. Stanhope, Michael J.; Brown, James R.; Amrine-Madsen, Heather (মার্চ ২০০৪)। "Evidence from the evolutionary analysis of nucleotide sequences for a recombinant history of SARS-CoV"Infection, Genetics and Evolution: Journal of Molecular Epidemiology and Evolutionary Genetics in Infectious Diseases (1): ১৫–১৯। ডিওআই:10.1016/j.meegid.2003.10.001আইএসএসএন 1567-1348
  29. 1 2 Zhang, X. W.; Yap, Y. L.; Danchin, A. (জানুয়ারী ২০০৫)। "Testing the hypothesis of a recombinant origin of the SARS-associated coronavirus"Archives of Virology১৫০ (1): ১–২০। ডিওআই:10.1007/s00705-004-0413-9আইএসএসএন 0304-8608 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  30. "Can Papain-like Protease Inhibitors Halt SARS-CoV-2 Replication?,ACS Pharmacology & Translational Science - X-MOL"www.x-mol.com (Chinese (China) ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  31. "Coronaviruses (including SARS)"Infectious Disease Advisor (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ জানুয়ারি ২০১৯। ১৬ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  32. Cinatl, J.; Morgenstern, B.; Bauer, G.; Chandra, P.; Rabenau, H.; Doerr, H. W. (১৪ই জুন ২০০৩)। "Glycyrrhizin, an active component of liquorice roots, and replication of SARS-associated coronavirus"Lancet (London, England)৩৬১ (9374): ২০৪৫–২০৪৬। ডিওআই:10.1016/s0140-6736(03)13615-xআইএসএসএন 1474-547X {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  33. "Glycyrrhizin: An alternative drug for the treatment of COVID-19 infection and the associated respiratory syndrome?"Pharmacology & Therapeutics (ইংরেজি ভাষায়)। ২১৪: ১০৭৬১৮। ১ অক্টোবর ২০২০। ডিওআই:10.1016/j.pharmthera.2020.107618আইএসএসএন 0163-7258
  34. Pilcher, HelenR. (১৩ জুন ২০০৩)। "Liquorice may tackle SARS"Nature (ইংরেজি ভাষায়): news০৩০৬০৯–১৬। ডিওআই:10.1038/news030609-16আইএসএসএন 0028-0836
  35. Hoever, Gerold; Baltina, Lidia; Michaelis, Martin; Kondratenko, Rimma; Baltina, Lia; Tolstikov, Genrich A.; Doerr, Hans W.; Cinatl, Jindrich (১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "Antiviral Activity of Glycyrrhizic Acid Derivatives against SARS−Coronavirus"Journal of Medicinal Chemistry৪৮ (4): ১২৫৬–১২৫৯। ডিওআই:10.1021/jm0493008আইএসএসএন 0022-2623