শ্রীপুর জমিদার বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শ্রীপুর জমিদার বাড়ি
সাধারণ তথ্য
ধরনবাসস্থান
অবস্থানশ্রীপুর উপজেলা
শহরশ্রীপুর উপজেলা, মাগুরা জেলা
দেশবাংলাদেশ
খোলা হয়েছে১৫০০ শতাব্দী
বন্ধ করা হয়েছে১৯৪৭
স্বত্বাধিকারীসারদা রঞ্জন পাল চৌধুরী
কারিগরী বিবরণ
পদার্থইট, সুরকি ও রড

শ্রীপুর জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়ি নিয়েই বিশ্ব কবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর "বৌঠাকুরানীর হাট" উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৫০০ শতাব্দী পর্যন্ত মূলত এখানের জমিদারী ছিল নবাব আলীবর্দী খাঁর আওতায়। পরে তিনি উক্ত জমিদারী অঞ্চল সারদা রঞ্জন পালের কাছে বিক্রি করে দেন। তারপরই তিনি এখানে নিজের জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। তবে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করার পূর্বে জমিদার সারদা রঞ্জন পাল চৌধুরী তার মেয়ে বিভা রানী পালের সাথে তৎকালীন যশোরের প্রভাবশালী রাজা প্রতাপাদিত্যের ছেলে উদয়াদিত্যের বিয়ে দেন। তারপর রাজা প্রতাপাদিত্যের সহযোগিতায় এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। কথিত আছে যে, জমিদার সারদা রঞ্জন পাল চৌধুরীর মেয়ে বিভা রানী পাল চৌধুরীকে নিয়েই কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর তার একটি উপন্যাস লিখেছিলেন। উপন্যাসটির নাম "বৌঠাকুরানীর হাট" ছিল।

গবেষকদের মতে, যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ছেলে উদয়াদিত্যের সঙ্গে বিয়ে হয় শ্রীপুরের জমিদার সারদা রঞ্জন পালের কন্যা বিভা রানী পালের। প্রতাপাদিত্য ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজা, আর সারদা রঞ্জন ছিলেন তাঁর তুলনায় উদার মনের মানুষ। এ নিয়ে দু'জনের মধ্যে সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব পড়ে বিভার সংসারে। এই কাহিনীকে উপজীব্য করেই রবীন্দ্রনাথ রচনা করেন "বৌ-ঠাকুরাণীর হাট"।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ 'শ্রীপুর জমিদার বাড়ি' কখনই অধিগ্রহণ করেনি বা সরকারি কোন কর্তৃপক্ষ কখনই এর রক্ষণাবেক্ষণের পদক্ষেপ নেয়নি। বাড়িটির সিংহ দরজা এবং ভেতর বাড়ির কিছু ঘর এখনও বর্তমান। সংস্কার পৃর্বক উক্ত বাড়িতে বহু আগেই বসতি স্থাপন করে শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাবু গোপাল কৃষ্ণ দে শিকদার এবং জামাল মোল্লা। বর্তমানে বাড়িটিতে তাদের উত্তর প্রজন্ম বাস করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]